বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

G Cimetidine

Cimetidine

  • প্রস্তুতকারক Gonoshasthaya Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট
  • ইনজেকশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Cimetidine 400 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই
Cimetidine 200 mg/2 mlইনজেকশনদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Cimetidine

ব্যবহার

সিমেটিডিন একটি H2 ব্লকার, যা পাকস্থলীর অ্যাসিড কমায়। এটি পাকস্থলী ও ডিওডেনামের আলসার, গ্যাস্ট্রো-ইসোফাজিয়াল রিফ্লাক্স রোগ (অ্যাসিড উঠে আসা ও বুকজ্বালা), অ্যাসিডজনিত বদহজম, জোলিংগার-এলিসন সিনড্রোম (খুব বেশি অ্যাসিড হওয়ার একটি বিরল অবস্থা) চিকিৎসা ও প্রতিরোধে এবং অ্যানেস্থেসির আগের মতো কিছু ক্ষেত্রে পাকস্থলী সুরক্ষায় ব্যবহৃত হয়।

কীভাবে কাজ করে

সিমেটিডিন পাকস্থলীর আস্তরণের অ্যাসিড তৈরিকারী কোষের হিস্টামিন H2 রিসেপ্টর ব্লক করে। এতে দিনে ও রাতে অ্যাসিড তৈরি কমে, ফলে বুকজ্বালা কমে এবং আলসার ও প্রদাহযুক্ত খাদ্যনালী সেরে ওঠার সুযোগ পায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: আলসারে সাধারণত ৪০০ mg দিনে ২ বার (সকালের নাস্তার সাথে ও রাতে ঘুমানোর আগে) অথবা রাতে ৮০০ mg, অন্তত ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ, ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী। রিফ্লাক্স রোগে সাধারণত ৪০০ mg দিনে ৪ বার অথবা ৮০০ mg দিনে ২ বার, ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ, ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী। মাঝে মাঝে বুকজ্বালায় লক্ষণ দেখা দিলে ২০০ mg খাওয়া যায়, লেবেলে লেখা সর্বোচ্চ সীমা পর্যন্ত। পানি দিয়ে ট্যাবলেট গিলে খান। কিডনির রোগে মাত্রা কম লাগে। ইনজেকশন থাকলে তা ডাক্তার বা নার্স দেন। শিশু: ব্যবস্থাপত্র অনুযায়ী।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

সিমেটিডিন লিভারে অনেক ঔষধের ভাঙন ধীর করে তাদের মাত্রা বাড়ায়:

  • ওয়ারফারিন: রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে; INR পরীক্ষা করা উচিত।
  • ফেনিটয়েন, থিওফাইলিন, লিডোকেইন ও কার্বামাজেপিন: বিষক্রিয়ার ঝুঁকি।
  • কিছু বেনজোডায়াজেপিন (যেমন ডায়াজেপাম), ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট এবং মেটোপ্রোলল বা প্রোপ্রানোলল।
  • কেটোকোনাজোল, ইট্রাকোনাজোল, অ্যাটাজানাভির ও ডাসাটিনিব: এগুলোর শোষণে অ্যাসিড লাগে বলে শোষণ কমে যায়; একসাথে এড়িয়ে চলুন বা ব্যবধান রাখুন।
  • অ্যান্টাসিড: অন্তত ১ ঘণ্টা ব্যবধানে খান।

কারা খাবেন না

সিমেটিডিন বা অন্য কোনো H2 ব্লকারে অ্যালার্জি থাকলে খাবেন না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি।
  • ডায়রিয়া, ফুসকুড়ি, পেশিতে ব্যথা।
  • দীর্ঘদিন উচ্চ মাত্রায় পুরুষদের স্তন ফুলে যাওয়া বা ব্যথা, যৌন আগ্রহ কমা বা লিঙ্গোত্থানে সমস্যা।
  • বিভ্রান্তি, বিশেষ করে বয়স্ক বা গুরুতর অসুস্থদের।
  • কদাচিৎ: হৃৎস্পন্দন ধীর হওয়া, লিভারের প্রদাহ, রক্তকণিকা কমে যাওয়া।

মুখ বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাসকষ্ট, তীব্র ফুসকুড়ি, ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে দাগ, বিভ্রান্তি বা হ্যালুসিনেশন, কালো বা রক্তমিশ্রিত মল, অথবা রক্তবমি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

সিমেটিডিন গর্ভফুল পেরিয়ে যায় এবং বুকের দুধেও যায়। গর্ভাবস্থায় শুধু ডাক্তারের পরামর্শে খান। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সাধারণত সুপারিশ করা হয় না; অন্য অ্যাসিড কমানোর ঔষধ বেশি উপযুক্ত হতে পারে।

সতর্কতা

৪৫ বছরের বেশি বয়সে নতুন লক্ষণ, অকারণে ওজন কমা, গিলতে কষ্ট, বারবার বমি, কালো মল বা রক্তস্বল্পতা থাকলে বদহজমের জন্য খাওয়ার আগে ডাক্তার দেখান, কারণ এগুলো পাকস্থলীর ক্যান্সারসহ গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে, যা সিমেটিডিন লুকিয়ে ফেলতে পারে। কিডনি বা লিভারের রোগ এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে সাবধানে ব্যবহার করুন। অনেক ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া করে বলে আপনি যে সব ঔষধ খান তা ডাক্তারকে জানান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবন সাধারণত গুরুতর নয়, তবে অনেক বেশি পরিমাণে বিভ্রান্তি, হৃৎস্পন্দন ধীর হওয়া বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। চিকিৎসকের সাহায্য নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

H2 রিসেপ্টর অ্যান্টাগোনিস্ট (অ্যাসিড কমানোর ঔষধ)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Cimetidine এর সব ব্র্যান্ড

Cimetidine এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।