বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

G-Iron Syrup

Ferrous Sulphate

  • প্রস্তুতকারক Gonoshasthaya Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগে না (OTC)
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • সিরাপ

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Ferrous Sulphate 200 mg/5 mlসিরাপদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Ferrous Sulphate

ব্যবহার

ফেরাস সালফেট একটি আয়রন সাপ্লিমেন্ট। এটি যেসব কাজে ব্যবহার হয়:

  • আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতার চিকিৎসায়, যাতে ক্লান্তি, দুর্বলতা, ফ্যাকাশে ত্বক ও শ্বাসকষ্ট হয়।
  • চাহিদা বেশি হলে আয়রনের ঘাটতি প্রতিরোধে, যেমন গর্ভাবস্থায়, রক্তক্ষরণের পর, মাসিকে বেশি রক্তপাত হলে এবং অপুষ্টিতে।

কীভাবে কাজ করে

হিমোগ্লোবিন তৈরিতে আয়রন দরকার। হিমোগ্লোবিন লোহিত কণিকার সেই অংশ যা সারা শরীরে অক্সিজেন বহন করে। ফেরাস সালফেট ঘাটতি পূরণ করে, ফলে শরীর সুস্থ লোহিত কণিকা তৈরি করতে পারে এবং আয়রনের মজুদ আবার পূর্ণ হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্ক, চিকিৎসা: সাধারণত ১টি ২০০ mg ট্যাবলেট (প্রায় ৬৫ mg আয়রন) দিনে ১ বা ২ বার, বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। অনেক ডাক্তার এখন দিনে ১ বার খেতে বলেন, এতে ভালো কাজ হয় ও পেটের সমস্যা কম হয়।
  • প্রাপ্তবয়স্ক, প্রতিরোধ: সাধারণত দিনে ১টি ২০০ mg ট্যাবলেট, বা পরামর্শ অনুযায়ী।
  • রক্তের রিপোর্ট স্বাভাবিক হওয়ার পরেও আয়রনের মজুদ পূরণের জন্য সাধারণত আরও প্রায় ৩ মাস চালিয়ে যেতে হয়।
  • শিশু: সিরাপ বা ট্যাবলেটের মাত্রা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

খালি পেটে (খাবারের ১ ঘণ্টা আগে) আয়রন সবচেয়ে ভালো শোষিত হয়, তবে পেটে অস্বস্তি হলে খাবারের সাথে খাওয়া যায়। কমলার রস বা ভিটামিন সি এর সাথে খেলে শোষণ বাড়ে। প্রতি ডোজের ১ থেকে ২ ঘণ্টা আগে ও পরে চা, কফি, দুধ ও অ্যান্টাসিড এড়িয়ে চলুন। ট্যাবলেট পানি দিয়ে আস্ত গিলে খান।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • অ্যান্টাসিড, ক্যালসিয়াম, জিংক, ওমিপ্রাজোল ও অন্যান্য গ্যাস্ট্রিকের ঔষধ আয়রনের শোষণ কমায়।
  • আয়রন টেট্রাসাইক্লিন, ডক্সিসাইক্লিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন, লেভোফ্লক্সাসিন, লেভোথাইরক্সিন, লেভোডোপা, মিথাইলডোপা, পেনিসিলামিন এবং অ্যালেনড্রোনেটের মতো বিসফসফোনেটের শোষণ কমায়। এগুলো আয়রন থেকে অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধানে খান (লেভোথাইরক্সিন অন্তত ৪ ঘণ্টা)।
  • চা, কফি, দুধ, ডিম ও লাল আটার খাবারও আয়রনের শোষণ কমায়।

কারা খাবেন না

  • আয়রনের ঘাটতি ছাড়া অন্য কারণে রক্তস্বল্পতা, যদি না আয়রনের ঘাটতিও থাকে।
  • শরীরে আয়রন জমে যাওয়া, যেমন হিমোক্রোমাটোসিস বা হিমোসিডেরোসিস, বা বারবার রক্ত নেওয়া (যেমন থ্যালাসেমিয়ায়), যদি না ডাক্তার আয়রন দেন।
  • ফেরাস সালফেট বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: গাঢ় বা কালো পায়খানা (ক্ষতিকর নয়), কোষ্ঠকাঠিন্য, বমি বমি ভাব, পেটব্যথা, বুকজ্বালা ও পাতলা পায়খানা। সিরাপ আয়রন দাঁতে দাগ ফেলতে পারে; স্ট্র দিয়ে খান ও পরে কুলি করুন। পেটে তীব্র ব্যথা, রক্তবমি বা কফির গুঁড়ার মতো বমি, পায়খানায় লাল রক্ত, অথবা মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো মারাত্মক এলার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় আয়রন প্রায়ই দেওয়া হয়। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এটি নিরাপদ। ডাক্তারের পরামর্শকৃত মাত্রায় খান।

সতর্কতা

আয়রনের ঘাটতি নিশ্চিত না হলে বা ডাক্তার না বললে আয়রন খাবেন না, কারণ অতিরিক্ত আয়রন শরীরে জমে যায়। পেপটিক আলসার, অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগ বা রক্তের কোনো রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান। কালো পায়খানা স্বাভাবিক, তবে আলকাতরার মতো কালো আঠালো পায়খানার সাথে পেটব্যথা বা দুর্বলতা থাকলে পরীক্ষা করান। আয়রন ট্যাবলেট দেখতে চকলেটের মতো, তাই শিশুদের কাছ থেকে তালাবন্ধ করে রাখুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

আয়রনের মাত্রাতিরিক্ত সেবন বিপজ্জনক, বিশেষ করে ছোট শিশুদের জন্য, এবং মৃত্যুও হতে পারে। লক্ষণগুলো হলো বমি, পাতলা পায়খানা, পেটব্যথা ও ঘুম ঘুম ভাব; কিছুক্ষণ ভালো মনে হওয়ার পর হঠাৎ গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়তে পারে। লক্ষণ না থাকলেও সাথে সাথে হাসপাতালে যান এবং ঔষধের প্যাকেট সঙ্গে নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

আয়রন প্রস্তুতি (হিমাটিনিক, রক্তস্বল্পতার চিকিৎসায় ব্যবহৃত)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের ও দৃষ্টির বাইরে, সম্ভব হলে তালাবন্ধ আলমারিতে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Ferrous Sulphate এর সব ব্র্যান্ড

Ferrous Sulphate এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।