বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Gemcitabine AqVida

Gemcitabine

  • প্রস্তুতকারক AqVida bangladesh
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • IV ইনফিউশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Gemcitabine 200 mg/5.26 mlIV ইনফিউশনদাম শীঘ্রই
Gemcitabine 1 gm/26.3 mlIV ইনফিউশনদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Gemcitabine

ব্যবহার

জেমসিটাবিন একটি ক্যান্সারের ঔষধ (কেমোথেরাপি)। এটি একা বা অন্য ক্যান্সারের ঔষধের সাথে ব্যবহার হয়:

  • অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার
  • নন-স্মল সেল ফুসফুসের ক্যান্সার
  • মূত্রথলির ক্যান্সার
  • স্তন ক্যান্সার (প্যাক্লিট্যাক্সেলের সাথে)
  • ডিম্বাশয়ের ক্যান্সার (কার্বোপ্লাটিনের সাথে)
  • পিত্তনালি ও পিত্তথলির ক্যান্সার

কীভাবে কাজ করে

জেমসিটাবিন দেখতে ডিএনএ এর একটি গঠন উপাদানের মতো। ক্যান্সার কোষ ডিএনএ কপি করার সময় এটি গ্রহণ করে, ফলে কপি করা বন্ধ হয়ে কোষ মারা যায়। এটি অ্যান্টিমেটাবোলাইট শ্রেণির ঔষধ।

মাত্রা ও সেবনবিধি

হাসপাতালে বা কেমোথেরাপি ডে ইউনিটে, কেমোথেরাপিতে প্রশিক্ষিত ডাক্তার বা নার্স সাধারণত প্রায় ৩০ মিনিট ধরে শিরায় স্যালাইনের মাধ্যমে জেমসিটাবিন দেন। শরীরের আকার ও চিকিৎসা পরিকল্পনা দেখে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ মাত্রা ঠিক করেন এবং নির্দেশমতো সাধারণত ৩ বা ৪ সপ্তাহের চক্রের নির্দিষ্ট দিনে দেওয়া হয়। প্রতিটি ডোজের আগে রক্তকণিকা, লিভার ও কিডনি পরীক্ষা করা হয়, এবং প্রয়োজনে ডোজ পিছানো বা কমানো হতে পারে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • একই সময়ে বা কাছাকাছি সময়ে রেডিওথেরাপি দিলে টিস্যুতে তীব্র প্রতিক্রিয়া হতে পারে; ক্যান্সার চিকিৎসক দল সময় ঠিক করেন।
  • অন্য ক্যান্সারের ঔষধ রক্তকণিকার ওপর প্রভাব বাড়ায়।
  • চিকিৎসার সময় জীবন্ত টিকা (যেমন ইয়েলো ফিভার বা মুখে খাওয়ার পোলিও) দেওয়া যাবে না।
  • ওয়ারফারিনের মতো রক্ত পাতলা করার ঔষধ ও ভেষজসহ সব ঔষধের কথা ক্যান্সার চিকিৎসক দলকে জানান।

কারা খাবেন না

  • জেমসিটাবিন বা পণ্যের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি
  • বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো রক্তকণিকা কমে যাওয়া (এতে সংক্রমণ, রক্তপাত ও রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি বাড়ে), বমি বমি ভাব ও বমি, জ্বর, গা ব্যথা ও ক্লান্তিসহ ফ্লুর মতো উপসর্গ, ত্বকে র‍্যাশ, গোড়ালি ফোলা, মুখে ঘা, লিভার পরীক্ষার মান বেড়ে যাওয়া, প্রস্রাবে প্রোটিন বা রক্ত, শ্বাসকষ্ট এবং চুল পাতলা হওয়া।

নিচের যেকোনোটি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • ৩৮°C বা বেশি জ্বর, কাঁপুনি বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ
  • নতুন বা বাড়তে থাকা শ্বাসকষ্ট বা কাশি
  • খুব কম প্রস্রাব, গাঢ় প্রস্রাব, অথবা ফ্যাকাশে বা হলুদ ত্বকের সাথে অস্বাভাবিক ক্লান্তি
  • অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে
  • তীব্র মাথাব্যথা, বিভ্রান্তি, খিঁচুনি বা হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তন
  • দ্রুত শরীর ফুলে যাওয়া বা ওজন বেড়ে যাওয়া

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

জেমসিটাবিন গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। নারী ও পুরুষ উভয়কে চিকিৎসার সময় এবং পরে ডাক্তার যতদিন বলেন ততদিন নির্ভরযোগ্য জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করতে হবে। গর্ভধারণ হলে সাথে সাথে ডাক্তারকে জানান। চিকিৎসার সময় এবং পরে ডাক্তারের বলা সময় পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়াবেন না।

সতর্কতা

  • রক্তকণিকা, লিভার ও কিডনি দেখতে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা লাগে।
  • ফুসফুস, কিডনি বা লিভারের সমস্যা হলে চিকিৎসা বন্ধ করতে হতে পারে।
  • জ্বর হলে দ্রুত জানান এবং সম্ভব হলে সংক্রমিত মানুষ থেকে দূরে থাকুন।
  • এতে ক্লান্তি বা ঘুম ঘুম ভাব হতে পারে; এমন হলে গাড়ি চালাবেন না।
  • এটি সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমাতে পারে; চিকিৎসার আগে এ নিয়ে আলোচনা করা যায়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত হলে হাসপাতালে চিকিৎসা করা হয়। প্রধান বিপদ হলো রক্তকণিকা খুব কমে যাওয়া, সাথে র‍্যাশ ও অবশ ভাব। নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই; নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করে উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যান্সারবিরোধী (অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক) ঔষধ, অ্যান্টিমেটাবোলাইট (নিউক্লিওসাইড অ্যানালগ)।

সংরক্ষণ

হাসপাতালের ফার্মেসি এটি ৩০°C এর নিচে, আলো থেকে দূরে রাখে। মেশানোর পর দ্রবণ ফ্রিজে রাখা যাবে না, কারণ দানা তৈরি হতে পারে; প্যাকেটের নির্দেশনায় বলা সময়ের মধ্যে ব্যবহার করা হয়। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Gemcitabine এর সব ব্র্যান্ড

Gemcitabine এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।