বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Gemiflox

Gemefloxacin

  • প্রস্তুতকারক Popular Pharmaceuticals PLC
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Gemefloxacin 320 mgট্যাবলেট · ২ x ৪ ব্লিস্টার প্যাক৳২৬১স্ট্রিপ (৪টি)প্রতি ইউনিট: ৳৬৫.২৫বক্স (২ x ৪): ৳৫২২

ঔষধটি সম্পর্কে

Gemefloxacin

ব্যবহার

জেমিফ্লক্সাসিন একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা প্রাপ্তবয়স্কদের ব্যাকটেরিয়াজনিত দীর্ঘমেয়াদি ব্রঙ্কাইটিসের হঠাৎ বেড়ে যাওয়া এবং হাসপাতালের বাইরে হওয়া হালকা থেকে মাঝারি নিউমোনিয়ার (ফুসফুসের সংক্রমণ) চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। গুরুতর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্ভাবনার কারণে সাধারণত অন্য উপযুক্ত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা না গেলে এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি ফ্লুরোকুইনোলোন গোত্রের ঔষধ। ব্যাকটেরিয়ার ডিএনএ কপি করতে যে দুটি এনজাইম (ডিএনএ গাইরেজ ও টপোআইসোমারেজ ৪) লাগে, এটি সেগুলো বন্ধ করে, ফলে ব্যাকটেরিয়া বাড়তে পারে না ও মারা যায়। সর্দি বা ফ্লুর মতো ভাইরাসজনিত সংক্রমণে এটি কাজ করে না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: দিনে একবার ৩২০ mg। দীর্ঘমেয়াদি ব্রঙ্কাইটিস বেড়ে গেলে: সাধারণত ৫ দিন। নিউমোনিয়া: ডাক্তারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সাধারণত ৫ বা ৭ দিন। কিডনির কার্যক্ষমতা কম থাকলে দিনে একবার ১৬০ mg লাগতে পারে। এক গ্লাস পানিসহ, খাবারের আগে বা পরে, প্রতিদিন একই সময়ে খান এবং প্রচুর পানি পান করুন। ভালো লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ম্যাগনেসিয়াম বা অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড, আয়রন, জিংক, খনিজযুক্ত মাল্টিভিটামিন, সুক্রালফেট ও ডিডানোসিন এর শোষণ কমায়: এগুলোর অন্তত ৩ ঘণ্টা আগে বা ২ ঘণ্টা পরে জেমিফ্লক্সাসিন খান।
  • অ্যামিওডারোন, সটালল, ইরিথ্রোমাইসিন, কিছু অ্যান্টিসাইকোটিক ও অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্টের মতো হৃদস্পন্দনে প্রভাব ফেলা ঔষধে অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ঝুঁকি বাড়ে।
  • এটি ওয়ারফারিনের প্রভাব বাড়াতে পারে।
  • প্রেডনিসোলোনের মতো কর্টিকোস্টেরয়েডে টেন্ডনের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে।
  • এনএসএআইডি ব্যথানাশকে খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়তে পারে।
  • ডায়াবেটিসের ঔষধ: রক্তের সুগার খুব বেড়ে বা কমে যেতে পারে।

কারা খাবেন না

  • জেমিফ্লক্সাসিন বা অন্য ফ্লুরোকুইনোলোনে (যেমন সিপ্রোফ্লক্সাসিন বা লেভোফ্লক্সাসিন) এলার্জি থাকলে।
  • আগে ফ্লুরোকুইনোলোন খেয়ে টেন্ডনের সমস্যা হয়ে থাকলে।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস থাকলে (মাংসপেশির দুর্বলতা বাড়তে পারে)।
  • ১৮ বছরের কম বয়সী শিশু ও কিশোর।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো ডায়রিয়া, বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও চামড়ায় র‍্যাশ (৪০ বছরের কম বয়সী নারী এবং ৭ দিনের বেশি কোর্সে র‍্যাশ বেশি হয়)। বিরল কিন্তু গুরুতর সমস্যার মধ্যে আছে টেন্ডনে প্রদাহ বা ছিঁড়ে যাওয়া, স্নায়ুর ক্ষতি (অবশ ভাব, জ্বালা বা ঝিমঝিম), মেজাজের পরিবর্তন বা বিভ্রান্তি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, সুগার খুব বেড়ে বা কমে যাওয়া, এবং মারাত্মক অন্ত্রের সংক্রমণ।

টেন্ডনে ব্যথা বা ফোলা (বিশেষ করে গোড়ালিতে), অবশ বা ঝিমঝিম ভাব, অজ্ঞান হওয়া বা বুক দ্রুত বা অনিয়মিত ধড়ফড় করা, সারা শরীরে বা ফোসকা পড়া র‍্যাশ, মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট, তীব্র পানির মতো বা রক্তমিশ্রিত পাতলা পায়খানা, অথবা বুক, পিঠ বা পেটে হঠাৎ তীব্র ব্যথা হলে ঔষধ বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সুপারিশ করা হয় না; ডাক্তার সাধারণত অন্য অ্যান্টিবায়োটিক বেছে নেন।

সতর্কতা

  • ৬০ বছরের বেশি বয়সী, কর্টিকোস্টেরয়েড গ্রহণকারী এবং কিডনি, হৃদপিণ্ড বা ফুসফুস প্রতিস্থাপিত রোগীদের টেন্ডনের সমস্যার ঝুঁকি বেশি।
  • মৃগী, হৃদস্পন্দনের সমস্যা, পটাসিয়াম কম, ডায়াবেটিস, কিডনির রোগ বা অ্যাওর্টিক অ্যানিউরিজম থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • কড়া রোদ এড়িয়ে চলুন; চামড়া রোদে বেশি সংবেদনশীল হতে পারে।
  • র‍্যাশ দেখা দিলে ঔষধ বন্ধ করে ডাক্তার দেখান।
  • মাথা ঘুরলে গাড়ি চালাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে বমি বমি ভাব, মাথা ঘোরা, বিভ্রান্তি, অনিয়মিত হৃদস্পন্দন বা খিঁচুনি হতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ফ্লুরোকুইনোলোন অ্যান্টিবায়োটিক।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Gemefloxacin এর সব ব্র্যান্ড

Gemefloxacin এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।