বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Gentum

Gentamicin

  • প্রস্তুতকারক Drug International Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • চোখের ও কানের ড্রপ
  • চোখের দ্রবণ

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Gentamicin Sulfate (Ophthalmic) 0.3%চোখের দ্রবণদাম শীঘ্রই
Gentamicin 300 mg/100 mlচোখের ও কানের ড্রপদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Gentamicin

ব্যবহার

  • ইনজেকশন (হাসপাতালে): গুরুতর ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ, যেমন রক্তের সংক্রমণ (সেপসিস), নবজাতকের সংক্রমণ, জটিল প্রস্রাবের নালির সংক্রমণ, নিউমোনিয়া, পেটের ভেতরের সংক্রমণ, এবং অন্য অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে হৃদপিণ্ডের ভাল্বের সংক্রমণ (এন্ডোকার্ডাইটিস)
  • চোখের ড্রপ বা মলম: চোখ ওঠার মতো ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখের সংক্রমণ
  • কানের ড্রপ: বাইরের কানের নালির ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ
  • ক্রিম বা মলম: ত্বকের ছোটখাটো ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ

কীভাবে কাজ করে

জেন্টামাইসিন একটি অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক। এটি ব্যাকটেরিয়ার প্রোটিন তৈরির অংশে (রাইবোজোম) যুক্ত হয়ে তার কাজ নষ্ট করে, ফলে ব্যাকটেরিয়া মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • ইনজেকশন: ডাক্তার বা নার্স শিরায় বা মাংসপেশিতে দেন। মাত্রা ওজন ও কিডনির অবস্থার ওপর নির্ভর করে, প্রায়ই দিনে ১ বার দেওয়া হয় এবং রক্তে ঔষধের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়, ডাক্তারের নির্দেশমতো।
  • চোখের ড্রপ: সাধারণত আক্রান্ত চোখে প্রতি ৪ ঘণ্টা পরপর ১ বা ২ ফোঁটা; তীব্র সংক্রমণে শুরুতে আরও ঘনঘন, পরামর্শ অনুযায়ী।
  • কানের ড্রপ: সাধারণত আক্রান্ত কানে দিনে ৩ বা ৪ বার ২ বা ৩ ফোঁটা, পরামর্শ অনুযায়ী।
  • ক্রিম বা মলম: আক্রান্ত জায়গায় দিনে ৩ বা ৪ বার পাতলা করে লাগান।

চোখ, কান ও ত্বকের ঔষধ পরামর্শমতো সময় পর্যন্ত ব্যবহার করুন, ডাক্তার অন্য কিছু না বললে সাধারণত ৭ থেকে ১০ দিনের বেশি নয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • কিডনি বা শ্রবণশক্তির ক্ষতি করতে পারে এমন ঔষধ, যেমন ফুরোসেমাইড, ভ্যানকোমাইসিন, অ্যামফোটেরিসিন বি, সিসপ্লাটিন ও সাইক্লোস্পোরিন, ইনজেকশনের সাথে ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।
  • অ্যানেস্থেশিয়ায় ব্যবহৃত মাংসপেশি শিথিলকারী ঔষধ: ইনজেকশন মাংসপেশির দুর্বলতা বাড়াতে পারে।

কারা খাবেন না

  • জেন্টামাইসিন বা অ্যামিকাসিন, টোব্রামাইসিনের মতো অন্য অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইডে এলার্জি থাকলে
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস (মাংসপেশি দুর্বল হওয়ার রোগ) থাকলে ইনজেকশন নয়
  • কানের পর্দা ফুটো থাকলে বা সন্দেহ হলে কানের ড্রপ নয়

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ইনজেকশন: কিডনি ও অন্তঃকর্ণের ক্ষতি হতে পারে, ফলে কানে কম শোনা, কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ, মাথা ঘোরা বা ভারসাম্য হারানো; কদাচিৎ মাংসপেশির দুর্বলতা বা র‍্যাশ। চোখ ও কানের ড্রপ: অল্প সময়ের জ্বালা, চুলকানি বা লাল হওয়া। ক্রিম: লাগানোর জায়গায় জ্বালা।

নতুন করে কানে কম শুনলে, কানে ভোঁ ভোঁ শব্দ হলে, চারপাশ ঘুরছে মনে হলে, প্রস্রাব স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক কমে গেলে, মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা মারাত্মক র‍্যাশ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ইনজেকশন গর্ভের শিশুর শ্রবণশক্তি ও কিডনির ক্ষতি করতে পারে, তাই গর্ভাবস্থায় শুধু একান্ত প্রয়োজনে দেওয়া হয়। চোখ, কান ও ত্বকের ঔষধ খুব কম শোষিত হয়, ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করা যায়। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়; ডাক্তারের পরামর্শে সাধারণত বুকের দুধ চালিয়ে যাওয়া যায়, শিশুর ডায়রিয়া বা মুখে ছত্রাক হচ্ছে কিনা খেয়াল রাখুন।

সতর্কতা

  • ইনজেকশনের সময় কিডনির কার্যকারিতা ও রক্তে ঔষধের মাত্রা পরীক্ষা করা হয়, বিশেষ করে বয়স্ক, নবজাতক এবং কিডনি রোগ বা পানিশূন্যতা থাকলে।
  • কানে শোনা বা ভারসাম্যের কোনো সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • চোখ বা কানের ড্রপ পরামর্শের চেয়ে বেশি দিন ব্যবহার করবেন না, এতে ঔষধ-প্রতিরোধী জীবাণু বা ছত্রাক বাড়তে পারে।
  • ড্রপারের মুখ চোখ বা কানে লাগাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

ইনজেকশন বেশি হলে কিডনি ও শ্রবণশক্তির ক্ষতি হতে পারে। হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়, এবং ডায়ালাইসিসে রক্ত থেকে ঔষধটি বের করা যায়। ড্রপ বা ক্রিম গিলে ফেললে সাধারণত ক্ষতি হয় না, তবে শিশু বেশি পরিমাণে গিলে ফেললে পরামর্শ নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যামাইনোগ্লাইকোসাইড অ্যান্টিবায়োটিক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ফ্রিজে জমাবেন না। চোখ বা কানের ড্রপ খোলার ৪ সপ্তাহ পর ফেলে দিন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Gentamicin এর সব ব্র্যান্ড

Gentamicin এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।