বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Imakin

Imatinib

  • প্রস্তুতকারক Ziska Pharmaceuticals Ltd.
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Imatinib Mesylate 100 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই
Imatinib Mesylate 400 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Imatinib

ব্যবহার

ইমাটিনিব একটি টার্গেটেড ক্যান্সারের ঔষধ। মূলত ক্রনিক মাইলোইড লিউকেমিয়া (সিএমএল) এবং ফিলাডেলফিয়া ক্রোমোজোমযুক্ত কিছু অ্যাকিউট লিম্ফোব্লাস্টিক লিউকেমিয়ায় (এএলএল) এটি ব্যবহার হয়, এবং গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল স্ট্রোমাল টিউমারে (জিআইএসটি), যখন টিউমার অপারেশনে বাদ দেওয়া যায় না অথবা অপারেশনের পর আবার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে। বিশেষজ্ঞরা কিছু বিরল রক্ত ও চর্মরোগেও এটি দেন। ক্যান্সার বা রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ এটি শুরু করেন ও নজরে রাখেন।

কীভাবে কাজ করে

ইমাটিনিব একটি টাইরোসিন কাইনেজ ইনহিবিটর। এটি অস্বাভাবিক এনজাইম (যেমন সিএমএলে BCR-ABL এবং জিআইএসটিতে KIT) আটকায়, যা ক্যান্সার কোষকে অবিরাম বাড়তে সংকেত দেয়। ফলে ক্যান্সার কোষ বাড়া বন্ধ করে এবং মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

বিশেষজ্ঞের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী; মাত্রা রোগ ও চিকিৎসায় সাড়ার ওপর নির্ভর করে। পেটের অস্বস্তি কমাতে দিনে ১ বা ২ বার খাবারের সাথে এক গ্লাস পানি দিয়ে খান। ট্যাবলেট আস্ত গিলে খান; গিলতে না পারলে এক গ্লাস পানি বা আপেলের জুসে গুলিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে নিন। একটি ডোজ বাদ গেলে পরেরবার দ্বিগুণ খাবেন না। চিকিৎসা সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি; বিশেষজ্ঞের সাথে কথা না বলে বন্ধ করবেন না বা মাত্রা বদলাবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

অনেক ঔষধ ইমাটিনিবের ওপর প্রভাব ফেলে। কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও জাম্বুরার রস এর মাত্রা বাড়ায়; রিফাম্পিসিন, কারবামাজেপিন, ফেনিটোইন, ফেনোবার্বিটাল, ডেক্সামেথাসন ও সেন্ট জনস ওয়োর্ট মাত্রা কমিয়ে কার্যকারিতা কমাতে পারে। ইমাটিনিব সিমভাস্টাটিন, সাইক্লোসপোরিন ও আরও কিছু ঔষধের মাত্রা বাড়াতে পারে। চিকিৎসার সময় সাধারণত ওয়ারফারিন এড়িয়ে চলা হয়; ডাক্তার অন্য রক্ত পাতলা করার ঔষধ দিতে পারেন। লিভারের ওপর চাপ এড়াতে নিয়মিত বেশি মাত্রায় প্যারাসিটামল খাবেন না। সব ঔষধ ও ভেষজের কথা ডাক্তারকে জানান।

কারা খাবেন না

ইমাটিনিব বা কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে। বিশেষজ্ঞ অত্যাবশ্যক মনে না করলে গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: চোখের চারপাশে বা পায়ে ফোলা (শরীরে পানি জমা), ওজন বাড়া, বমিভাব, বমি, পাতলা পায়খানা, মাংসপেশিতে টান ও ব্যথা, ক্লান্তি, র‍্যাশ এবং রক্তকণিকা কমে যাওয়া (যাতে সংক্রমণ, রক্তস্বল্পতা বা রক্তপাত হতে পারে)। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষায় রক্তকণিকা, লিভার ও কিডনির কাজ দেখা হয়।

দ্রুত ওজন বাড়লে বা হঠাৎ ফোলা দেখা দিলে, শ্বাসকষ্ট বা বুকে ব্যথা হলে, জ্বর বা সংক্রমণের লক্ষণ থাকলে, অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে দাগ হলে, কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা হলে, রক্তবমি হলে, পেটে তীব্র ব্যথা হলে, তীব্র বা ফোসকাযুক্ত র‍্যাশ হলে, অথবা ত্বক বা চোখ হলুদ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ইমাটিনিব গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে এমন নারীদের চিকিৎসার সময় ও শেষ ডোজের পর অন্তত ১৫ দিন কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে, এবং গর্ভধারণ করলে সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারকে জানাতে হবে। চিকিৎসার সময় ও বন্ধ করার পর অন্তত ১৫ দিন বুকের দুধ খাওয়াবেন না।

সতর্কতা

হৃদরোগ, লিভার বা কিডনির রোগ, হেপাটাইটিস বি সংক্রমণ (এটি আবার সক্রিয় হতে পারে), বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানান। নিয়মিত ওজন মাপুন এবং দ্রুত ওজন বাড়লে জানান। ইমাটিনিব খাওয়া শিশুদের বৃদ্ধি পরীক্ষা করা দরকার। এতে মাথা ঘোরা বা ঝাপসা দেখা হতে পারে, তাই গাড়ি চালাতে সাবধান থাকুন। পরিচর্যাকারীরা গুঁড়া করা ট্যাবলেট হাত দিয়ে ধরবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত হলে তীব্র বমিভাব, বমি, ফোলা, মাংসপেশিতে ব্যথা, র‍্যাশ ও রক্তকণিকা কমে যেতে পারে। ঔষধের প্যাকেট সাথে নিয়ে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যান্সারবিরোধী ঔষধ; টাইরোসিন কাইনেজ ইনহিবিটর (টার্গেটেড ক্যান্সার থেরাপি)।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। আসল প্যাকেটে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Imatinib এর সব ব্র্যান্ড

Imatinib এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।