বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Imucort 6

Deflazacort

  • প্রস্তুতকারক Ziska Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট
  • খাওয়ার সাসপেনশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Deflazacort 6 mgট্যাবলেট · ৩ x ১০ ব্লিস্টার প্যাক৳৮০স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳৮বক্স (৩ x ১০): ৳২৪০
Deflazacort 6 mg/5 mlখাওয়ার সাসপেনশনদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Deflazacort

ব্যবহার

ডেফ্লাজাকর্ট একটি কর্টিকোস্টেরয়েড (স্টেরয়েড) ঔষধ, যা প্রদাহ কমায় এবং অতিসক্রিয় রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শান্ত করে। তীব্র হাঁপানি ও এলার্জি, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস ও অন্যান্য গিঁটের রোগ, কিছু কিডনির রোগ (যেমন নেফ্রোটিক সিনড্রোম), কিছু চর্ম ও রক্তের রোগ এবং ডুশেন মাসকুলার ডিসট্রফিতে এটি ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি অ্যাড্রিনাল গ্রন্থিতে তৈরি প্রাকৃতিক হরমোন কর্টিসলের মতো কাজ করে। প্রদাহ, ফোলা ও এলার্জি সৃষ্টিকারী পদার্থের নিঃসরণ কমায় এবং রোগ প্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া নিস্তেজ করে। প্রায় ৬ mg ডেফ্লাজাকর্টের প্রভাব ৫ mg প্রেডনিসোলোনের মতো।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মাত্রা রোগ ও তার তীব্রতার ওপর নির্ভর করে এবং ডাক্তার তা ঠিক করেন; ঠিক প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী খান। সাধারণত শুরুতে বেশি মাত্রা দিয়ে পরে রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখার মতো সবচেয়ে কম মাত্রায় আনা হয়। শিশু: ওজন অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শে। সকালে নাস্তার সাথে বা পরে একবারে খান। কয়েক সপ্তাহের বেশি খেয়ে থাকলে হঠাৎ বন্ধ করবেন না; ডাক্তার ধীরে ধীরে মাত্রা কমাবেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

অ্যাসপিরিন ও আইবুপ্রোফেনের মতো ব্যথানাশক (এনএসএআইডি) পাকস্থলীর আলসার ও রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়। রিফাম্পিসিন, কারবামাজেপিন ও ফেনিটোইন এর কাজ কমাতে পারে, আর কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ক্লারিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভির এর কাজ বাড়াতে পারে। এটি রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে, তাই ডায়াবেটিসের ঔষধের মাত্রা বদলাতে হতে পারে। প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ (ডাইইউরেটিক) ও সালবিউটামল পটাসিয়াম কমাতে পারে, যা ডিগোক্সিন খাওয়ার সময় গুরুত্বপূর্ণ। এটি ওয়ারফারিনের কাজ বদলাতে পারে। বেশি মাত্রায় চিকিৎসার সময় জীবিত (লাইভ) টিকা দেওয়া উচিত নয়।

কারা খাবেন না

  • ডেফ্লাজাকর্ট বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
  • চিকিৎসা না হওয়া গুরুতর সংক্রমণ, বিশেষ করে সারা শরীরে ছড়ানো ছত্রাক সংক্রমণ থাকলে।
  • রোগ প্রতিরোধ কমানোর মতো মাত্রায় খাওয়ার সময় জীবিত টিকা নিলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ, বিশেষ করে বেশি মাত্রায় বা দীর্ঘদিন খেলে: ক্ষুধা ও ওজন বাড়া, রক্তে শর্করা বাড়া, মেজাজের পরিবর্তন, ঘুমের সমস্যা, বদহজম, শরীরে পানি জমা, রক্তচাপ বাড়া, বেশি সংক্রমণ ও ব্রণ। দীর্ঘমেয়াদে হাড় পাতলা হওয়া, ছানি বা গ্লুকোমা, মাংসপেশি দুর্বল হওয়া, ত্বক পাতলা হওয়া এবং শিশুদের বৃদ্ধি ধীর হওয়া হতে পারে।

জরুরি চিকিৎসা নিন যদি: জ্বর বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ দেখা দেয়; আগে না হয়ে থাকলে জলবসন্ত, হারপিস জোস্টার বা হামে আক্রান্ত কারও সংস্পর্শে আসেন; কালো পায়খানা বা রক্তবমি হয়; পেটে তীব্র ব্যথা হয়; মেজাজে তীব্র পরিবর্তন, বিভ্রান্তি বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা আসে; চোখে ঝাপসা দেখা বা ব্যথা হয়; অথবা তীব্র দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, বমি বা অজ্ঞান হওয়া, বিশেষ করে ডোজ বাদ পড়লে বা বন্ধ করলে।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় শুধু তখনই ব্যবহার করুন যখন ডাক্তার মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি; দীর্ঘদিন বা বেশি মাত্রায় খেলে শিশুর বৃদ্ধিতে প্রভাব পড়তে পারে। এটি বুকের দুধে যায়; বেশি মাত্রায় খেলে বুকের দুধ খাওয়ানো চলবে কি না তা ডাক্তার জানাবেন।

সতর্কতা

স্টেরয়েড কার্ড সাথে রাখুন অথবা যেকোনো ডাক্তার, দন্তচিকিৎসক বা নার্সকে জানান যে আপনি এটি খাচ্ছেন। ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট ফেইলিউর, অস্টিওপোরোসিস, পাকস্থলীর আলসার, গ্লুকোমা, যক্ষ্মা, মৃগী, লিভার বা কিডনির রোগ, অথবা আগে বিষণ্ণতা বা অন্য মানসিক রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান। জলবসন্ত বা হামে আক্রান্ত মানুষ থেকে দূরে থাকুন। দীর্ঘমেয়াদে খাওয়ার সময় নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তের শর্করা, চোখ এবং শিশুদের বৃদ্ধি পরীক্ষা করানো দরকার।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

একবারে বেশি খেলে গুরুতর ক্ষতির সম্ভাবনা কম, তবে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। দীর্ঘদিন বেশি খেলে উপরের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হয়, যেমন রক্তে শর্করা বাড়া, উচ্চ রক্তচাপ ও ওজন বাড়া।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

কর্টিকোস্টেরয়েড (গ্লুকোকর্টিকয়েড)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Deflazacort এর সব ব্র্যান্ড

Deflazacort এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।