ঔষধের ব্র্যান্ড

Irafast Oral Solution

Itraconazole

  • প্রস্তুতকারক Healthcare Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • খাওয়ার দ্রবণ

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Itraconazole 10 mg/mlDGDA 323-1028-020খাওয়ার দ্রবণদাম শীঘ্রই

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

Irafast Oral Solution 10 mg/ml · খাওয়ার দ্রবণ

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Itraconazole

ব্যবহার

ইট্রাকোনাজল ছত্রাকজনিত সংক্রমণে ব্যবহার হয়, যেমন শরীর, কুঁচকি, পা ও হাতের দাদ (টিনিয়া), ছোপমান্ড়ি (পিটিরিয়াসিস ভার্সিকালার), নখের ছত্রাক, মুখ বা যোনিপথের থ্রাশ এবং চোখের ছত্রাক সংক্রমণ। অ্যাসপারজিলোসিস ও হিস্টোপ্লাজমোসিসের মতো গুরুতর অভ্যন্তরীণ ছত্রাক সংক্রমণেও বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে এটি ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

ইট্রাকোনাজল একটি ট্রায়াজল জাতীয় ছত্রাকনাশক। এটি ছত্রাকের কোষপর্দার অপরিহার্য উপাদান আরগোস্টেরল তৈরিতে বাধা দেয়, ফলে ছত্রাক বাড়তে পারে না এবং মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মাত্রা ও কতদিন খেতে হবে তা সংক্রমণের উপর নির্ভর করে; ঠিক ডাক্তারের দেওয়া নিয়মে খান। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ উদাহরণ: যোনিপথের থ্রাশে একদিনে দুইবার ২০০ mg; ছোপমান্ড়িতে দিনে একবার ২০০ mg করে ৭ দিন; শরীর বা কুঁচকির দাদে দিনে একবার ১০০ mg করে ১৫ দিন অথবা দিনে একবার ২০০ mg করে ৭ দিন। নখের সংক্রমণে সাধারণত "পালস" পদ্ধতিতে (কয়েক মাস ধরে প্রতি মাসে এক সপ্তাহ) দেওয়া হয়, আর গুরুতর সংক্রমণে মাত্রা ঠিক করেন বিশেষজ্ঞ। ক্যাপসুল পেট ভরে খাওয়ার পরপরই আস্ত গিলে খান। ওরাল সলিউশন খালি পেটে খেতে হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ইট্রাকোনাজল অনেক ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া করে; যা যা খাচ্ছেন সব ডাক্তার ও ফার্মাসিস্টকে জানান।

  • সিমভাস্ট্যাটিন, লোভাস্ট্যাটিন, মুখে খাওয়ার মিডাজোলাম, ট্রায়াজোলাম, আরগোটামিন, ডমপেরিডন, কুইনিডিন, ডোফেটিলাইড, ড্রোনেডারোন ও আরও কিছু হৃদরোগের ঔষধের সাথে খাওয়া যাবে না, কারণ এটি সেগুলোর মাত্রা বিপজ্জনক পর্যায়ে বাড়িয়ে দেয়।
  • ওয়ারফারিন, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস, কিছু ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার, কলচিসিন এবং কিছু ক্যানসার ও HIV এর ঔষধের মাত্রা বাড়াতে পারে।
  • রিফামপিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন ও ফেনোবার্বিটাল এর কাজ কমায়।
  • অ্যান্টাসিড, ওমিপ্রাজল ও একই ধরনের এসিড কমানোর ঔষধ ক্যাপসুলের শোষণ কমায়; অ্যান্টাসিড অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধানে খান।

কারা খাবেন না

ইট্রাকোনাজল বা অন্য অ্যাজল ছত্রাকনাশকে এলার্জি; হার্ট ফেইলিওর বা আগে হয়েছিল এমন হলে (নখ ও ত্বকের সংক্রমণের জন্য); গর্ভাবস্থা (নখ ও ত্বকের সংক্রমণের জন্য); এবং উপরের তালিকার ঔষধ চলাকালে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমিভাব, পেটে ব্যথা, বদহজম, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা ও র‍্যাশ।

দ্রুত চিকিৎসা নিন যদি: ত্বক বা চোখ হলুদ হয়, প্রস্রাব গাঢ় হয়, পায়খানা ফ্যাকাশে হয় বা দীর্ঘদিন খিদে কমে ও বমি হয় (লিভারের সমস্যার লক্ষণ); শ্বাসকষ্ট, গোড়ালি ফোলা বা হঠাৎ ওজন বাড়ে (হার্ট ফেইলিওরের লক্ষণ); ফোসকা বা চামড়া উঠে যাওয়ার মতো মারাত্মক র‍্যাশ হয়; মুখ বা গলা ফুলে যায়; হাত-পা অবশ বা ঝিমঝিম করে; অথবা কানে কম শোনেন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গুরুতর, জীবনসংকটাপন্ন সংক্রমণে ডাক্তার প্রয়োজন মনে না করলে গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করবেন না। গর্ভধারণের সম্ভাবনা আছে এমন নারীরা চিকিৎসার সময় এবং শেষ হওয়ার পরের প্রথম মাসিক পর্যন্ত কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি ব্যবহার করবেন। এটি বুকের দুধে যায়; ডাক্তার অন্য কিছু না বললে বুকের দুধ খাওয়ানো এড়িয়ে চলুন।

সতর্কতা

  • লিভারের রোগ, হৃদরোগ, কিডনির সমস্যা বা কানে শোনার সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • দীর্ঘ কোর্সে লিভারের পরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে।
  • পুরো কোর্স শেষ করুন; নখের সংক্রমণ সারতে মাসের পর মাস লাগে, কারণ নতুন নখ গজাতে সময় লাগে।
  • মাথা ঘোরা বা ঝাপসা দেখা হতে পারে; এমন হলে গাড়ি চালাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

এর কোনো নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। সাথে সাথে চিকিৎসা নিন এবং ঔষধের প্যাকেট সাথে নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ট্রায়াজল ছত্রাকনাশক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Itraconazole এর সব ব্র্যান্ড

Itraconazole এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।