বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Isonid

Isoniazid

  • প্রস্তুতকারক G. A. Company Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Isoniazid 300 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Isoniazid

ব্যবহার

ফুসফুস ও শরীরের অন্যান্য অংশের যক্ষ্মা (টিবি) চিকিৎসায় আইসোনায়াজিড ব্যবহার হয়; সক্রিয় যক্ষ্মায় সবসময় অন্য যক্ষ্মার ঔষধের সাথে দেওয়া হয়। যাদের সুপ্ত যক্ষ্মা সংক্রমণ আছে বা যক্ষ্মা রোগীর কাছাকাছি থাকার কারণে ঝুঁকি বেশি, তাদের যক্ষ্মা প্রতিরোধে এটি একাও দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

আইসোনায়াজিড যক্ষ্মার জীবাণুকে তাদের কোষপ্রাচীর তৈরি করতে দেয় না, ফলে বাড়তে থাকা জীবাণু মারা যায়। অন্য যক্ষ্মার ঔষধের সাথে খেলে জীবাণু ঔষধ-প্রতিরোধী হতে পারে না।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত দিনে একবার প্রতি কেজি ওজনে ৫ mg, সাধারণত দিনে ৩০০ mg, ডাক্তার বা যক্ষ্মা কর্মসূচির চিকিৎসা পরিকল্পনা অনুযায়ী। শিশু: ওজন অনুযায়ী, ডাক্তারের পরামর্শে।

  • খালি পেটে খান, খাবারের অন্তত ৩০ মিনিট আগে বা ২ ঘণ্টা পরে, প্রতিদিন একই সময়ে।
  • স্নায়ুর সমস্যা প্রতিরোধে সাধারণত এর সাথে পাইরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬) দেওয়া হয়।
  • ভালো লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন; সক্রিয় যক্ষ্মায় সাধারণত ৬ মাস বা তার বেশি। আগেভাগে বন্ধ করলে যক্ষ্মা ফিরে আসতে পারে এবং ঔষধ-প্রতিরোধী হয়ে যেতে পারে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

আইসোনায়াজিড ফেনিটোইন, কার্বামাজেপিন ও আরও কিছু ঔষধের মাত্রা বাড়াতে পারে, তাই মাত্রা বদলানো লাগতে পারে। রিফামপিসিন, বেশি মাত্রার প্যারাসিটামল বা মদের সাথে লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ে। অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড এর শোষণ কমায়; অন্তত ১ ঘণ্টা ব্যবধানে খান। পুরোনো পনির ও টুনার মতো কিছু মাছে থাকা টাইরামিন বা হিস্টামিনের কারণে মুখ লাল হওয়া, মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড় ও ঘাম হতে পারে।

কারা খাবেন না

  • আইসোনায়াজিডে এলার্জি থাকলে।
  • সক্রিয় বা তীব্র লিভারের রোগ থাকলে।
  • আগে আইসোনায়াজিডের কারণে লিভারের ক্ষতি বা গুরুতর প্রতিক্রিয়া হয়ে থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা, পেটের অস্বস্তি, হাত-পায়ে ঝিমঝিম বা অবশ ভাব এবং লিভার এনজাইম কিছুটা বাড়া। কম দেখা যায়: র‍্যাশ, জ্বর, গিঁটে ব্যথা, মাথা ঘোরা।

ত্বক বা চোখ হলুদ হলে, গাঢ় প্রস্রাব, পেটের ওপরের দিকে ব্যথা, বমি না থামা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি (লিভারের ক্ষতির লক্ষণ); ফোসকা বা চামড়া ওঠা গুরুতর র‍্যাশ; খিঁচুনি; বিভ্রান্তি; বা ঝাপসা দেখা হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় আইসোনায়াজিড নিরাপদ বলে ধরা হয় এবং পাইরিডক্সিনের সাথে গর্ভবতী নারীর যক্ষ্মা চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও খাওয়া যায়; শিশুর জন্যও পাইরিডক্সিন লাগতে পারে, তাই ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

সতর্কতা

বয়স বেশি হলে, মদ্যপান করলে, হেপাটাইটিস বা এইচআইভি থাকলে, বা গর্ভবতী বা সদ্য প্রসূতি হলে ডাক্তার লিভারের রক্ত পরীক্ষা করাতে পারেন। চিকিৎসার সময় মদ এড়িয়ে চলুন। ডায়াবেটিস, কিডনির রোগ, অপুষ্টি, মদ্যপানের সমস্যা বা এইচআইভি থাকলে স্নায়ুর সমস্যার ঝুঁকি বেশি। মৃগীরোগ বা মানসিক রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

আইসোনায়াজিড বেশি খাওয়া খুবই বিপজ্জনক; কয়েক ঘণ্টার মধ্যে বমি, কথা জড়িয়ে যাওয়া, খিঁচুনি, অজ্ঞান হওয়া ও রক্তে মারাত্মক অ্যাসিড জমা হতে পারে। রোগী ভালো দেখালেও সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

যক্ষ্মার ঔষধ।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Isoniazid এর সব ব্র্যান্ড

Isoniazid এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।