বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Lanoxin

Digoxin

  • প্রস্তুতকারক GlaxoSmithKline Bangladesh Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Digoxin 250 mcgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Digoxin

ব্যবহার

ডিগক্সিন একটি হৃদরোগের ঔষধ, যা হার্ট ফেইলিউর (হৃদযন্ত্র যখন যথেষ্ট জোরে রক্ত পাম্প করতে পারে না) চিকিৎসায় এবং কিছু হৃদছন্দের সমস্যায়, বিশেষ করে এট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন ও এট্রিয়াল ফ্লাটারে, দ্রুত হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত হয়।

কীভাবে কাজ করে

ডিগক্সিন হৃদপেশির কোষের একটি পাম্প (সোডিয়াম-পটাশিয়াম পাম্প) বন্ধ করে, ফলে কোষের ভেতরে ক্যালসিয়াম বাড়ে এবং প্রতিটি স্পন্দন জোরালো হয়। এটি হৃদযন্ত্রের এভি নোডের মধ্য দিয়ে বৈদ্যুতিক সংকেত চলাচলও ধীর করে, তাই উপরের ক্ষেত্র খুব দ্রুত স্পন্দিত হলে হৃদস্পন্দন ধীর ও নিয়মিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ডিগক্সিন অবশ্যই চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী খেতে হবে, কারণ উপকারী ও ক্ষতিকর মাত্রার মধ্যে ফারাক খুব কম। চিকিৎসক প্রায়ই লোডিং মাত্রা দিয়ে শুরু করে পরে দৈনিক মাত্রা দেন, সাধারণত দিনে একবার ৬২.৫ থেকে ২৫০ মাইক্রোগ্রাম, যা বয়স, ওজন, কিডনির কার্যকারিতা ও রক্তের মাত্রা অনুযায়ী ঠিক করা হয়। প্রতিদিন একই সময়ে খান। ভুলে যাওয়া মাত্রার জন্য দ্বিগুণ খাবেন না। ইনজেকশন হাসপাতালে চিকিৎসক বা নার্স দেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • এগুলো ডিগক্সিনের মাত্রা বাড়িয়ে বিষক্রিয়া ঘটাতে পারে: অ্যামিওডারোন, ড্রোনেডারোন, ভেরাপামিল, ডাইলটিয়াজেম, কুইনিডিন, প্রোপাফেনোন, ক্লারিথ্রোমাইসিন, ইরিথ্রোমাইসিন, ইট্রাকোনাজোল, সাইক্লোস্পোরিন, স্পাইরোনোলাকটোন ও কার্ভেডিলল।
  • ফুরোসেমাইড ও হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইডের মতো মূত্রবর্ধক, কর্টিকোস্টেরয়েড ও অতিরিক্ত জোলাপ পটাশিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম কমিয়ে বিষক্রিয়ার সম্ভাবনা বাড়ায়।
  • অ্যান্টাসিড, কোলেস্টারামিন, সালফাসালাজিন, রিফাম্পিসিন ও সেন্ট জন'স ওর্ট ডিগক্সিনের মাত্রা কমাতে পারে।
  • বিটা ব্লকার ও ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হৃদস্পন্দন আরও ধীর করতে পারে।

কারা খাবেন না

  • কিছু হৃদছন্দের সমস্যা: পেসমেকার ছাড়া দ্বিতীয় বা তৃতীয় ডিগ্রির হার্ট ব্লক, ভেন্ট্রিকুলার ট্যাকিকার্ডিয়া বা ফাইব্রিলেশন, এবং এট্রিয়াল ফাইব্রিলেশনসহ উলফ-পারকিনসন-হোয়াইট সিনড্রোম।
  • হাইপারট্রফিক অবস্ট্রাকটিভ কার্ডিওমায়োপ্যাথি, বিশেষজ্ঞ না বললে।
  • ডিগক্সিন বিষক্রিয়া বা ডিগক্সিনে অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বমিভাব, ক্ষুধামন্দা, ডায়রিয়া, মাথা ঘোরা, ক্লান্তি, মাথাব্যথা এবং দীর্ঘদিন ব্যবহারে পুরুষদের স্তন বড় হতে পারে। অনেক পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াই রক্তে মাত্রা বেশি হওয়ার লক্ষণ।

ডিগক্সিন বিষক্রিয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন: বারবার বমি, তীব্র ক্ষুধামন্দা, বিভ্রান্তি, ঝাপসা দেখা বা হলুদ বা সবুজ আভা বা আলোর চারপাশে বলয় দেখা, খুব ধীর, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন, বুক ধড়ফড়, অজ্ঞান হওয়া বা তীব্র দুর্বলতা।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

চিকিৎসক প্রয়োজনীয় মনে করলে গর্ভাবস্থায় ডিগক্সিন ব্যবহার করা যেতে পারে; মাত্রা ও রক্তের মাত্রা ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হয়। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়, তবে চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে সাধারণত বুকের দুধ খাওয়ানো চালিয়ে যাওয়া যায়।

সতর্কতা

  • নিয়মিত রক্তে ডিগক্সিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম ও কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করাতে হবে।
  • বয়স্ক এবং কিডনি বা থাইরয়েডের সমস্যা থাকলে কম মাত্রা লাগে।
  • নতুন কোনো ঔষধ বা ভেষজ পণ্য শুরুর আগে সব চিকিৎসক, দন্তচিকিৎসক ও ফার্মাসিস্টকে জানান যে আপনি ডিগক্সিন খান।
  • চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এক কোম্পানির ঔষধ থেকে অন্য কোম্পানিতে বদলাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

ডিগক্সিনের মাত্রাতিরিক্ত সেবন একটি জরুরি অবস্থা, যা বিপজ্জনক হৃদছন্দ, উচ্চ পটাশিয়াম, বমি ও বিভ্রান্তি ঘটাতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে জরুরি চিকিৎসা নিন। হাসপাতালে এর প্রতিষেধক (ডিগক্সিন-নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি) পাওয়া যায়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

কার্ডিয়াক গ্লাইকোসাইড (অ্যান্টিঅ্যারিদমিক ও ইনোট্রপিক ঔষধ)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে রাখুন। ইনজেকশন প্যাকেটের নির্দেশনা অনুযায়ী রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন, কারণ কয়েকটি ট্যাবলেটও শিশুর জন্য খুব বিপজ্জনক হতে পারে।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Digoxin এর সব ব্র্যান্ড

Digoxin এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।