ঔষধের ব্র্যান্ড

Lanso

Lansoprazole

  • প্রস্তুতকারক Square Pharmaceuticals PLC, Pabna
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ক্যাপসুল

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Lansoprazole 15 mgDGDA 012-0420-067ক্যাপসুল৩০ ব্লিস্টার প্যাক৳১০৫.৬০প্যাক (৩০টি)প্রতি ইউনিট: ৳৩.৫২
Lansoprazole 30 mgDGDA 012-0421-067ক্যাপসুল২৪ ব্লিস্টার প্যাক৳৩৬.২৪স্ট্রিপ (৬টি)প্রতি ইউনিট: ৳৬.০৪

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

ঔষধটি সম্পর্কে

Lansoprazole

ব্যবহার

ল্যানসোপ্রাজল পাকস্থলীর এসিড কমায়। বুক জ্বালা ও এসিড উপরে উঠে আসা (জিইআরডি), এসিডের কারণে খাদ্যনালীর প্রদাহ (ইসোফাগাইটিস), পাকস্থলী ও ডিওডেনামের আলসার, এনএসএআইডি ব্যথানাশক খাওয়া মানুষের আলসার প্রতিরোধ, জোলিংগার-এলিসন সিনড্রোম (খুব বেশি এসিড হওয়ার একটি বিরল রোগ), এবং অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি (আলসার সৃষ্টিকারী জীবাণু) দূর করতে এটি ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

ল্যানসোপ্রাজল একটি প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (পিপিআই)। পাকস্থলীর দেয়ালে যে “প্রোটন পাম্প” এসিড ছাড়ে, এটি সেটিকে আটকে দেয়, ফলে এসিড অনেক কম তৈরি হয়। এতে উপসর্গ কমে এবং আলসার ও প্রদাহ সেরে ওঠে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • বুক জ্বালা ও এসিড রিফ্লাক্স: সাধারণত দিনে একবার ১৫ থেকে ৩০ mg।
  • ইসোফাগাইটিস: সাধারণত দিনে একবার ৩০ mg, ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ।
  • ডিওডেনামের আলসার: সাধারণত দিনে একবার ৩০ mg, ২ থেকে ৪ সপ্তাহ।
  • পাকস্থলীর আলসার: সাধারণত দিনে একবার ৩০ mg, ৪ থেকে ৮ সপ্তাহ।
  • দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরোধ: সাধারণত দিনে একবার ১৫ mg, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।
  • হেলিকোব্যাক্টার পাইলোরি: সাধারণত দুটি অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে ৩০ mg দিনে ২ বার, ৭ থেকে ১৪ দিন, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। কম্বিনেশন কিট ডাক্তারের পরামর্শ হুবহু মেনে খান।

সকালে নাস্তার অন্তত ৩০ মিনিট আগে খান। ক্যাপসুল পুরোটা গিলে খান; গুঁড়া করবেন না বা চিবাবেন না। শিশু ও জোলিংগার-এলিসন সিনড্রোমে: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ল্যানসোপ্রাজল কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, আয়রন ও কিছু এইচআইভির ঔষধের শোষণ কমাতে পারে; অ্যাটাজাভির বা রিলপিভিরিনের সাথে খাওয়া যাবে না। এটি ট্যাক্রোলিমাস, ডিগক্সিন ও বেশি মাত্রার মেথোট্রেক্সেটের মাত্রা বাড়াতে এবং থিওফাইলিনের মাত্রা কমাতে পারে। এন্টাসিড ও সুক্রালফেট এর শোষণ কমাতে পারে, তাই অন্তত ১ ঘণ্টা ব্যবধানে খান। ওয়ারফারিন খেলে অতিরিক্ত রক্ত পরীক্ষা লাগতে পারে।

কারা খাবেন না

  • ল্যানসোপ্রাজল বা অন্য পিপিআই (যেমন ওমিপ্রাজল বা ইসোমিপ্রাজল) এ এলার্জি থাকলে।
  • অ্যাটাজাভির বা রিলপিভিরিন খেলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: মাথাব্যথা, ডায়রিয়া, বমিভাব, পেটব্যথা, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস ও মাথা ঘোরা। দীর্ঘদিন খেলে ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন বি১২ এর মাত্রা কমে যেতে পারে এবং হাড় ভাঙার ঝুঁকি সামান্য বাড়ে।

এসব হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • তীব্র বা টানা পানির মতো ডায়রিয়া, বিশেষ করে জ্বর বা পেটব্যথাসহ।
  • কালো পায়খানা, রক্তবমি, গিলতে কষ্ট বা কারণ ছাড়া ওজন কমা।
  • ফোসকা বা চামড়া উঠে যাওয়া গুরুতর র‍্যাশ, বা রোদে থাকা ত্বকে র‍্যাশের সাথে গিঁটে ব্যথা।
  • মাংসপেশিতে টান, কাঁপুনি বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন (ম্যাগনেসিয়াম কমে যাওয়ার লক্ষণ হতে পারে)।
  • মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় শুধু ডাক্তারের পরামর্শে খান। ডাক্তার না বললে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় এড়িয়ে চলুন।

সতর্কতা

লিভারের রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান, কম মাত্রা লাগতে পারে। ল্যানসোপ্রাজল পাকস্থলীর ক্যানসারের লক্ষণ ঢেকে দিতে পারে, তাই বয়স ৪৫ এর বেশি হলে ও নতুন উপসর্গ থাকলে, অথবা ওজন কমা, বমি বা গিলতে কষ্ট থাকলে দীর্ঘদিন খাওয়ার আগে ডাক্তার দেখান। যত কম মাত্রায় কাজ হয় তত কম সময় খান। দীর্ঘদিন খাওয়ার পর হঠাৎ বন্ধ করলে এসিড আবার বেড়ে যেতে পারে; কীভাবে বন্ধ করবেন তা ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

নির্দিষ্ট কোনো প্রভাব ভালোভাবে জানা নেই। বেশি খেয়ে ফেললে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

প্রোটন পাম্প ইনহিবিটর (পিপিআই)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Lansoprazole এর সব ব্র্যান্ড

Lansoprazole এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।