বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Macrocin

Erythromycin

  • প্রস্তুতকারক Synovia Pharma PLC.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ৪টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট
  • সাসপেনশনের পাউডার
  • দ্রবণ

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Erythromycin 250 mgট্যাবলেট৳৪.৮৮প্রতি ইউনিটবাজার দর
Erythromycin 500 mgট্যাবলেট৳৮.৬৬প্রতি ইউনিটবাজার দর
Erythromycin 125 mg/5 mlসাসপেনশনের পাউডার৳৬১.২৩প্রতি বোতলবাজার দর
Erythromycin 100 mg/5 mlদ্রবণ · ৩০ ml কৌটা৳২০০.৬১প্রতি বোতল

ঔষধটি সম্পর্কে

Erythromycin

ব্যবহার

ইরিথ্রোমাইসিন একটি অ্যান্টিবায়োটিক। গলা ও বুকের সংক্রমণ, হুপিং কাশি, ত্বকের সংক্রমণ ও ব্রণ, এবং কিছু যৌনবাহিত সংক্রমণে এটি ব্যবহার হয়। পেনিসিলিনে এলার্জি থাকলে প্রায়ই এটি দেওয়া হয়। সর্দি, ফ্লু বা অন্য ভাইরাসজনিত অসুখে এটি কাজ করে না।

কীভাবে কাজ করে

ইরিথ্রোমাইসিন ব্যাকটেরিয়াকে বেড়ে ওঠা ও সংখ্যায় বাড়ার জন্য দরকারি প্রোটিন তৈরি করতে দেয় না, ফলে শরীর সংক্রমণ সারিয়ে তুলতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্ক: সংক্রমণের ধরন অনুযায়ী সাধারণত প্রতি ৬ ঘণ্টায় ২৫০ থেকে ৫০০ mg, অথবা প্রতি ১২ ঘণ্টায় ৫০০ mg থেকে ১ g। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দিনে ৪ g এর বেশি খাবেন না।
  • শিশু: ওজন অনুযায়ী, ডাক্তারের পরামর্শ মতো।
  • ব্রণ ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা: ডাক্তারের পরামর্শ মতো।

লেবেলের নির্দেশনা মেনে মুখে খান (কিছু ধরন খাবারের আগে খাওয়া ভালো)। ভালো লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন। ইনজেকশন ডাক্তার বা নার্স দেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ইরিথ্রোমাইসিন অনেক ঔষধের রক্তমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। সিমভাস্টাটিন, লোভাস্টাটিন, আর্গোটামিন, পিমোজাইড বা সিসাপ্রাইডের সাথে খাবেন না। ওয়ারফারিন, কার্বামাজেপিন, থিওফাইলিন, ডিগক্সিন, কলচিসিন, সাইক্লোস্পোরিন বা হৃৎস্পন্দনে প্রভাব ফেলে এমন ঔষধ খেলে ডাক্তারকে জানান।

কারা খাবেন না

  • ইরিথ্রোমাইসিন বা অন্য ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিকে (যেমন অ্যাজিথ্রোমাইসিন, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন) এলার্জি থাকলে।
  • সিমভাস্টাটিন, লোভাস্টাটিন, আর্গোটামিন, পিমোজাইড বা সিসাপ্রাইড খেলে।
  • QT প্রলম্বন নামের অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের ইতিহাস থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, পেটব্যথা, বমি ও ডায়রিয়া। কম দেখা যায়: র‍্যাশ, চুলকানি, বেশি মাত্রায় সাময়িক কানে কম শোনা, এবং লিভারে প্রদাহ।

মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাসকষ্ট হলে, তীব্র বা রক্তমিশ্রিত ডায়রিয়া হলে, ত্বক বা চোখ হলুদ হলে, বুক ধড়ফড় বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হলে, কিংবা অজ্ঞান হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ডাক্তার দিলে গর্ভাবস্থায় সাধারণত ব্যবহার করা যায়, তবে এস্টোলেট ধরনটি সাধারণত এড়ানো হয়। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়; ডাক্তারের পরামর্শে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় খাওয়া যায়, তবে শিশুর ডায়রিয়া, বমি বা খেতে সমস্যা হলে ডাক্তারকে জানান।

সতর্কতা

লিভারের রোগ, মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস (পেশি দুর্বলতার একটি রোগ), হৃৎস্পন্দনের সমস্যা এবং রক্তে পটাশিয়াম বা ম্যাগনেসিয়াম কম থাকলে সাবধানে ব্যবহার করুন। অন্য সব ঔষধের কথা ডাক্তারকে জানান। ভাইরাসজনিত অসুখে এটি খাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে তীব্র বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া ও কানে কম শোনা হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। পানি মেশানো সাসপেনশন লেবেলের নির্দেশনা অনুযায়ী রাখুন ও ব্যবহার করুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Erythromycin এর সব ব্র্যান্ড

Erythromycin এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।