বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Maxbon Kit

Ibandronic Acid

  • প্রস্তুতকারক Square Pharmaceuticals PLC, Pabna
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Ibandronic Acid & Calcium Orotate 150 mg & 400 mgট্যাবলেট৳১৬.২৩প্রতি ইউনিটবাজার দর

ঔষধটি সম্পর্কে

Ibandronic Acid

ব্যবহার

ইবানড্রোনিক অ্যাসিড মেনোপজের পর নারীদের অস্টিওপোরোসিস (হাড় পাতলা ও দুর্বল হয়ে যাওয়া) চিকিৎসায় ব্যবহার হয়, যাতে মেরুদণ্ডের হাড় ভাঙার ঝুঁকি কমে। কিছু ঔষধে এর সাথে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ থাকে, যা হাড়ের জন্যও দরকার।

কীভাবে কাজ করে

হাড় প্রতিনিয়ত ক্ষয় হয় এবং আবার তৈরি হয়। ইবানড্রোনিক অ্যাসিড একটি বিসফসফোনেট: এটি হাড়ের সাথে যুক্ত হয়ে হাড় ক্ষয়কারী কোষের কাজ ধীর করে। ফলে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি বজায় থাকে এবং হাড় ভাঙার সম্ভাবনা কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • ট্যাবলেট, প্রাপ্তবয়স্ক: মাসে একবার ১৫০ mg, প্রতি মাসে একই তারিখে।
  • সারা রাত খালি পেটে থাকার পর (অন্তত ৬ ঘণ্টা পানি ছাড়া কিছু না খেয়ে) সকালে সবার আগে খান।
  • বসে বা দাঁড়িয়ে এক গ্লাস সাধারণ পানি (প্রায় ১৮০ থেকে ২৪০ ml) দিয়ে পুরো ট্যাবলেট গিলে খান। চিবাবেন না বা চুষবেন না। মিনারেল ওয়াটার, চা, কফি, দুধ বা জুস দিয়ে খাবেন না।
  • খাওয়ার পর অন্তত ৬০ মিনিট সোজা হয়ে (বসে বা দাঁড়িয়ে) থাকুন, এবং এই সময় সাধারণ পানি ছাড়া কিছু খাবেন না, পান করবেন না বা অন্য কোনো ঔষধ বা সাপ্লিমেন্ট নেবেন না।
  • ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি৩ সহ মিশ্র প্যাক: প্যাকের নির্দেশনা মেনে চলুন; ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট অন্য দিনে খেতে হয়, ইবানড্রোনিক অ্যাসিডের সাথে নয়।
  • ইনজেকশন: ডাক্তার বা নার্স প্রতি ৩ মাসে দেন, ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী।
  • মাসিক ডোজ বাদ পড়লে লিফলেট দেখুন বা ফার্মাসিস্টকে জিজ্ঞেস করুন; একই সপ্তাহে কখনও ২টি ট্যাবলেট খাবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

ক্যালসিয়াম, অ্যান্টাসিড, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও অন্যান্য খনিজ সাপ্লিমেন্ট, এবং পানি ছাড়া অন্য খাবার বা পানীয় ট্যাবলেটের শোষণ বন্ধ করে দেয়; এগুলো ইবানড্রোনিক অ্যাসিড খাওয়ার অন্তত ৬০ মিনিট পরে নিন। অ্যাসপিরিন এবং আইবুপ্রোফেন ও ডাইক্লোফেনাকের মতো এনএসএআইডি ব্যথানাশক পাকস্থলী ও খাদ্যনালীর জ্বালা বাড়াতে পারে।

কারা খাবেন না

  • ইবানড্রোনিক অ্যাসিড বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
  • রক্তে ক্যালসিয়াম কম থাকলে; আগে তা ঠিক করতে হবে।
  • খাদ্যনালীর এমন সমস্যা যাতে খাবার নামতে দেরি হয়, যেমন সরু হয়ে যাওয়া বা অ্যাকালেসিয়া।
  • অন্তত ৬০ মিনিট সোজা হয়ে বসে বা দাঁড়িয়ে থাকতে না পারলে।
  • কিডনির গুরুতর রোগ থাকলে (পরামর্শ দেওয়া হয় না)।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বুক জ্বালা, বদহজম, পেটব্যথা, বমি বমি ভাব, পাতলা পায়খানা, পেশি, গিঁট বা পিঠে ব্যথা, মাথাব্যথা, র‍্যাশ এবং জ্বরের মতো লক্ষণ (বেশিরভাগ প্রথম ডোজের পর)। বিরল কিন্তু গুরুতর: খাদ্যনালীতে জ্বালা বা ঘা, চোয়ালের হাড়ের ক্ষতি, ঊরুর হাড়ের অস্বাভাবিক ভাঙন এবং চোখের প্রদাহ।

গিলতে ব্যথা বা কষ্ট, বুকে ব্যথা, নতুন বা বেড়ে যাওয়া বুক জ্বালা, কালো পায়খানা বা রক্তবমি, তীব্র এলার্জির লক্ষণ, চোয়ালে ব্যথা, ফোলা বা দাঁত নড়ে যাওয়া, ঊরু, কোমর বা কুঁচকিতে নতুন ব্যথা, অথবা চোখে ব্যথা ও লাল হওয়া দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

এটি মেনোপজের পর নারীদের জন্য। গর্ভাবস্থায় বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ব্যবহার করা যাবে না।

সতর্কতা

শুরুর আগে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি এর ঘাটতি ঠিক করতে হবে, এবং চিকিৎসার সময় দুটোই যথেষ্ট পরিমাণে পেতে হবে। শুরুর আগে দাঁত পরীক্ষা করান ও মুখ পরিষ্কার রাখুন; দাঁতের ডাক্তারকে জানান যে আপনি এই ঔষধ খান। কিডনির সমস্যা থাকলে ডাক্তারকে জানান। কয়েক বছর পর ডাক্তার চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়ার প্রয়োজন পুনর্বিবেচনা করবেন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে পেটের সমস্যা, বুক জ্বালা, খাদ্যনালীতে জ্বালা ও রক্তে ক্যালসিয়াম কমে যেতে পারে। ঔষধটিকে আটকাতে এক গ্লাস দুধ খান বা অ্যান্টাসিড নিন, সোজা হয়ে থাকুন এবং বমি করার চেষ্টা করবেন না। চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

বিসফসফোনেট (হাড় ক্ষয় প্রতিরোধক)।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Ibandronic Acid এর সব ব্র্যান্ড

Ibandronic Acid এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।