বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Olanib 100

Olaparib

  • প্রস্তুতকারক Everest Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Olaparib 100 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Olaparib

ব্যবহার

ওলাপারিব মুখে খাওয়ার একটি টার্গেটেড ক্যান্সারের ঔষধ। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ কিছু ডিম্বাশয়, ফ্যালোপিয়ান টিউব ও প্রাইমারি পেরিটোনিয়াল ক্যান্সার, স্তন ক্যান্সার, অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সার ও প্রোস্টেট ক্যান্সারে এটি দিতে পারেন, মূলত যাদের ক্যান্সারে BRCA জিন বা ডিএনএ মেরামতের অন্য জিনে পরিবর্তন আছে। প্লাটিনাম কেমোথেরাপিতে ভালো সাড়া পাওয়ার পর রক্ষণাবেক্ষণ চিকিৎসা হিসেবে প্রায়ই এটি দেওয়া হয়। উপযুক্ত কিনা তা দেখতে সাধারণত আগে পরীক্ষা করা হয়।

কীভাবে কাজ করে

ওলাপারিব PARP নামের একটি এনজাইম আটকে দেয়, যা কোষ তার ডিএনএ (জিনগত উপাদান) এর ক্ষতি মেরামতে ব্যবহার করে। BRCA জিন ত্রুটিপূর্ণ ক্যান্সার কোষ এমনিতেই ডিএনএ মেরামতে দুর্বল, তাই PARP আটকে গেলে তারা ক্ষতি সারাতে পারে না এবং মারা যায়। সুস্থ কোষের মেরামত ব্যবস্থা ঠিক থাকায় সেগুলো অনেক কম প্রভাবিত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মাত্রা ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ঠিক করেন এবং নির্দেশ অনুযায়ী খেতে হয়, সাধারণত দিনে ২ বার, প্রায় ১২ ঘণ্টা পর পর, খাবারের আগে বা পরে। ট্যাবলেট আস্ত গিলে খান; চিবাবেন না, গুঁড়া বা ভাঙবেন না। ওলাপারিবের ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের শক্তি এক নয়, তাই কখনো একটির বদলে অন্যটি খাবেন না। কিডনির সমস্যা বা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ডাক্তার মাত্রা কমাতে পারেন। কোনো ডোজ বাদ পড়লে সেটি বাদ দিন এবং পরের ডোজ স্বাভাবিক সময়ে খান। জাম্বুরা জাতীয় গ্রেপফ্রুট ও এর জুস এড়িয়ে চলুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

সব ঔষধ ও ভেষজ পণ্যের কথা ক্যান্সার চিকিৎসক দলকে জানান। ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন, ইট্রাকোনাজোল, কিটোকোনাজোল, রিটোনাভির ও ভেরাপামিলের মতো CYP3A বাধাদানকারী ঔষধ ওলাপারিবের মাত্রা বাড়াতে পারে; মাত্রা কমাতে হতে পারে। রিফামপিসিন, কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন ও সেন্ট জনস ওয়ার্ট এর মাত্রা কমিয়ে কার্যকারিতা কমাতে পারে। রক্তকণিকা কমায় এমন অন্য ঔষধ সেই প্রভাব বাড়ায়। চিকিৎসার সময় জীবন্ত টিকা নেবেন না।

কারা খাবেন না

  • ওলাপারিব বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
  • চিকিৎসার সময় এবং শেষ ডোজের পর ১ মাস বুকের দুধ খাওয়ানো চলবে না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, ক্লান্তি, রক্তস্বল্পতা (লোহিত কণিকা কম), শ্বেত কণিকা ও অণুচক্রিকা কমে যাওয়া, ক্ষুধামন্দা, ডায়রিয়া, বদহজম, স্বাদের পরিবর্তন, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও কাশি। কম দেখা যায় কিন্তু গুরুতর: রক্তের ক্যান্সার (মায়েলোডিসপ্লাস্টিক সিনড্রোম বা অ্যাকিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া), ফুসফুসের প্রদাহ (নিউমোনাইটিস) ও রক্ত জমাট বাঁধা।

জ্বর বা সংক্রমণের অন্য লক্ষণ, অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তক্ষরণ, প্রস্রাব বা পায়খানায় রক্ত, নতুন বা বাড়তে থাকা শ্বাসকষ্ট, কাশি বা বুকে ব্যথা, এক পায়ে ব্যথা বা ফোলা, অথবা ফ্যাকাশে ত্বকসহ চরম ক্লান্তি হলে দ্রুত ক্যান্সার চিকিৎসক দলের সাথে যোগাযোগ করুন বা জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ওলাপারিব গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। শুরুর আগে গর্ভাবস্থার পরীক্ষা করা হয়। গর্ভধারণ করতে পারেন এমন নারীরা চিকিৎসার সময় ও শেষ ডোজের পর ৬ মাস কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করবেন, আর যেসব পুরুষের সঙ্গী গর্ভধারণ করতে পারেন তারা চিকিৎসার সময় ও পরের ৩ মাস কনডম ব্যবহার করবেন, বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ মতো। চিকিৎসার সময় ও শেষ ডোজের পর ১ মাস বুকের দুধ খাওয়াবেন না।

সতর্কতা

শুরুর আগে ও চিকিৎসার সময় নিয়মিত রক্তকণিকা পরীক্ষা করা হয়। রক্তকণিকা কমে গেলে চিকিৎসা সাময়িক বন্ধ রাখা হতে পারে। কিডনির সমস্যা বা শ্বাসের নতুন কোনো সমস্যা হলে দলকে জানান। ক্লান্ত বা মাথা ঘোরা লাগলে গাড়ি চালাবেন না। ক্যান্সার চিকিৎসক দলকে না জিজ্ঞেস করে ভেষজসহ নতুন কোনো ঔষধ শুরু করবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়তে পারে, বিশেষ করে রক্তের ওপর। নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। সাথে সাথে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন বা হাসপাতালে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিনিওপ্লাস্টিক (ক্যান্সার-বিরোধী ঔষধ), PARP ইনহিবিটর (টার্গেটেড থেরাপি)।

সংরক্ষণ

আর্দ্রতা থেকে রক্ষা করতে মূল প্যাকেটে 30°C এর নিচে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। অব্যবহৃত ট্যাবলেট ফার্মেসিতে ফেরত দিন; গৃহস্থালির ময়লায় ফেলবেন না।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Olaparib এর সব ব্র্যান্ড

Olaparib এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।