ঔষধের ব্র্যান্ড

Optaphenicol

Chloramphenicol

  • প্রস্তুতকারক Reman Drug Laboratories Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ৪টি মাত্রা ও ধরন
  • চোখের ড্রপ
  • চোখের মলম
  • চোখের দ্রবণ
  • চোখের মলম

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Chloramphenicol (Ophthalmic) 0.5%চোখের দ্রবণদাম শীঘ্রই
Chloramphenicol 5 mg/mlDGDA 042-0021-052চোখের ড্রপ১০ ml বোতল৳৩৪প্রতি বোতল
Chloramphenicol 1 gm/100 gmDGDA 042-0042-052চোখের মলম৩ গ্রাম বোতল৳১০প্রতি টিউব
Chloramphenicol (Ophthalmic) 1%চোখের মলম৳১০প্রতি টিউববাজার দর

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Chloramphenicol

ব্যবহার

ক্লোরামফেনিকল একটি অ্যান্টিবায়োটিক। সাধারণত এটি চোখ ও কানে ব্যবহার করা হয়:

  • চোখের ড্রপ ও মলম: কনজাংটিভাইটিসের (চোখ লাল হওয়া ও পিচুটি জমা) মতো ব্যাকটেরিয়াজনিত চোখের সংক্রমণে।
  • কানের ড্রপ: বাইরের কানের ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণে।
  • ক্যাপসুল ও ইনজেকশন: টাইফয়েড জ্বর ও ব্যাকটেরিয়াজনিত মেনিনজাইটিসের মতো গুরুতর সংক্রমণে, যখন নিরাপদ অন্য অ্যান্টিবায়োটিক উপযুক্ত নয়, সাধারণত হাসপাতালে।

কীভাবে কাজ করে

ক্লোরামফেনিকল ব্যাকটেরিয়াকে বাড়তে ও সংখ্যায় বাড়তে প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি করতে দেয় না, ফলে শরীর সংক্রমণ দূর করতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • চোখের ড্রপ (০.৫%), প্রাপ্তবয়স্ক ও ২ বছরের বেশি বয়সী শিশু: প্রথম ২ দিন প্রতি ২ ঘণ্টা পরপর আক্রান্ত চোখে ১ ফোঁটা, তারপর দিনে ৪ বার ১ ফোঁটা। সাধারণত মোট ৫ দিনের কোর্স।
  • চোখের মলম (১%): নিচের চোখের পাতার ভেতরে অল্প পরিমাণ দিনে ৩ বা ৪ বার, অথবা দিনে ড্রপ ব্যবহার করলে রাতে লাগান।
  • কানের ড্রপ: পরামর্শমতো কানে ২ থেকে ৩ ফোঁটা দিনে ২ বা ৩ বার।
  • ক্যাপসুল ও ইনজেকশন: শরীরের ওজন অনুযায়ী, ডাক্তারের নির্দেশমতো। ইনজেকশন ডাক্তার বা নার্স দেন।
  • ২ বছরের কম বয়সী শিশু: শুধু ডাক্তারের নির্দেশমতো।

ব্যবহারের আগে ও পরে হাত ধুয়ে নিন, ড্রপারের মুখ চোখে লাগাবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

চোখ ও কানের ড্রপে সাধারণত প্রতিক্রিয়া হয় না। ক্যাপসুল ও ইনজেকশন ফেনিটোইন, ওয়ারফারিন, গ্লিবেনক্লামাইড ও অন্যান্য সালফোনাইলইউরিয়া, সাইক্লোস্পোরিন ও ট্যাক্রোলিমাসের প্রভাব বাড়াতে পারে। রিফামপিসিন ও ফেনোবারবিটাল ক্লোরামফেনিকলের মাত্রা কমায়। ক্লোজাপিন ও কার্বামাজেপিনের মতো অস্থিমজ্জা দমনকারী অন্য ঔষধের সাথে এড়িয়ে চলুন। এটি কিছু টিকা এবং আয়রন ও ভিটামিন বি১২ চিকিৎসার কার্যকারিতা কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

  • ক্লোরামফেনিকল বা ঔষধের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।
  • আগে রক্তের রোগ বা অস্থিমজ্জার সমস্যা হয়ে থাকলে, বিশেষ করে ক্লোরামফেনিকলের কারণে, অথবা পরিবারে এমন সমস্যার ইতিহাস থাকলে।
  • ক্যাপসুল ও ইনজেকশন: পোরফাইরিয়া থাকলে, এবং গর্ভাবস্থার শেষ দিকে বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

চোখ ও কানের ঔষধ: লাগানোর পর অল্প সময় জ্বালা, হুল ফোটার মতো অনুভূতি বা ঝাপসা দেখা। ক্যাপসুল ও ইনজেকশন: বমিভাব, বমি, ডায়রিয়া ও মুখে ঘা। সবচেয়ে গুরুতর ঝুঁকি হলো অস্থিমজ্জার ক্ষতি, যাতে রক্তকণিকা কমে যায়; খুব কদাচিৎ এটি স্থায়ী হয় (অ্যাপ্লাস্টিক অ্যানিমিয়া), এবং চোখের ড্রপেও খুব বিরলভাবে এমন হয়েছে বলে জানা গেছে। নবজাতকের ক্ষেত্রে বেশি মাত্রায় গ্রে বেবি সিনড্রোম নামে গুরুতর অবস্থা হতে পারে।

দ্রুত চিকিৎসা নিন যদি অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তক্ষরণ হয়, জ্বরের সাথে গলাব্যথা হয়, অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা ফ্যাকাশে ভাব দেখা দেয়, মুখ বা গলা ফোলে, শ্বাসকষ্ট হয়, অথবা চোখে ব্যথা বা দৃষ্টি কমে যায়।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

শিশুর ঝুঁকির কারণে গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে প্রসবের কাছাকাছি সময়ে, এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ক্যাপসুল ও ইনজেকশন এড়িয়ে চলা উচিত। গর্ভাবস্থা ও দুধ খাওয়ানোর সময় চোখ ও কানের ড্রপ শুধু ডাক্তারের পরামর্শে ব্যবহার করুন।

সতর্কতা

  • ক্যাপসুল বা ইনজেকশনে নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা দরকার, এবং দীর্ঘ বা বারবার কোর্স এড়িয়ে চলা উচিত।
  • লিভার বা কিডনির রোগে সাবধানে ব্যবহার করুন।
  • চোখের সংক্রমণের চিকিৎসার সময় কন্ট্যাক্ট লেন্স খুলে রাখুন।
  • ৪৮ ঘণ্টায় চোখের উন্নতি না হলে, অথবা চোখে ব্যথা, আলোতে অস্বস্তি, দৃষ্টি কমে যাওয়া বা সাম্প্রতিক চোখের আঘাত থাকলে ডাক্তার দেখান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

এক বোতল চোখের ড্রপ গিলে ফেললে সাধারণত ক্ষতি হয় না, তবে কোনো শিশু গিলে ফেললে পরামর্শ নিন। ক্যাপসুল বা ইনজেকশন বেশি হলে বমি, শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া, শ্বাসের সমস্যা ও অজ্ঞান হয়ে পড়া হতে পারে, যার জন্য দ্রুত হাসপাতালে চিকিৎসা প্রয়োজন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিবায়োটিক (অ্যামফেনিকল গ্রুপ)।

সংরক্ষণ

ক্যাপসুল: ৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে রাখুন। চোখের ড্রপ: লেবেলের নির্দেশ মানুন; অনেক ড্রপ খোলার আগে ফ্রিজে (২ থেকে ৮°C) রাখতে হয়। খোলার ২৮ দিন পর, বা লেবেলে কম সময় লেখা থাকলে তার আগেই, চোখের ঔষধ ফেলে দিন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Chloramphenicol এর সব ব্র্যান্ড

Chloramphenicol এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।