বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Paribac

Niraparib

  • প্রস্তুতকারক Ziska Pharmaceuticals Ltd.
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ক্যাপসুল

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Niraparib 100 mgক্যাপসুলদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Niraparib

ব্যবহার

নিরাপারিব ক্যানসারের একটি ঔষধ। ডিম্বাশয়, ফ্যালোপিয়ান টিউব বা পেরিটোনিয়ামের উন্নত পর্যায়ের ক্যানসারে আক্রান্ত প্রাপ্তবয়স্ক নারীদের প্লাটিনামভিত্তিক কেমোথেরাপির পর ক্যানসার কমে গেলে বা মিলিয়ে গেলে রক্ষণাবেক্ষণ চিকিৎসা হিসেবে এটি দেওয়া হয়, যাতে ক্যানসার ফিরে আসতে দেরি হয়। শুধু ক্যানসার বিশেষজ্ঞ এটি প্রেসক্রাইব করেন।

কীভাবে কাজ করে

কোষ তার ডিএনএ-র ক্ষতি মেরামতে PARP নামের এনজাইম ব্যবহার করে। নিরাপারিব এই এনজাইম আটকে দেয়। ক্যানসার কোষ, বিশেষ করে যাদের BRCA বা অনুরূপ মেরামত ব্যবস্থায় ত্রুটি আছে, PARP-এর ওপর বেশি নির্ভরশীল। তাই এটি বন্ধ হলে ক্ষতিগ্রস্ত ক্যানসার কোষ নিজেকে সারাতে না পেরে মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ক্যানসার বিশেষজ্ঞ যেভাবে প্রেসক্রাইব করেছেন ঠিক সেভাবে খাবেন। ওজন, প্লাটিলেট সংখ্যা ও রক্ত পরীক্ষার ফল দেখে মাত্রা ঠিক করা হয়; সাধারণত দিনে ১ বার প্রায় একই সময়ে, খাবারসহ বা খাবার ছাড়া খেতে হয়। রাতে ঘুমানোর আগে খেলে বমিভাব কম হতে পারে। ক্যাপসুল বা ট্যাবলেট আস্ত গিলে খাবেন। রক্তকণিকা কমে গেলে চিকিৎসক মাত্রা কমাতে বা সাময়িক বন্ধ রাখতে পারেন। নিজে থেকে মাত্রা বদলাবেন না বা বন্ধ করবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • যে সব ঔষধ, টিকা ও ভেষজ পণ্য ব্যবহার করছেন সব চিকিৎসককে জানান।
  • ওয়ারফারিন, অ্যাসপিরিন বা ক্লোপিডোগ্রেলের মতো রক্ত পাতলা করার ঔষধ রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • চিকিৎসা চলাকালে জীবন্ত টিকা এড়িয়ে চলুন।
  • অস্থিমজ্জা দমনকারী অন্যান্য ঔষধ একসাথে এর প্রভাব বাড়াতে পারে।

কারা খাবেন না

  • নিরাপারিব বা পণ্যের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।
  • চিকিৎসা চলাকালে এবং শেষ মাত্রার পর ১ মাস পর্যন্ত বুকের দুধ খাওয়ানো চলবে না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

বমিভাব, বমি, ক্লান্তি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ক্ষুধামন্দা, মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, উচ্চ রক্তচাপ এবং রক্তকণিকা কমে যাওয়া (প্লাটিলেট কমা, লোহিত কণিকা কমে রক্তস্বল্পতা, শ্বেত কণিকা কমে সংক্রমণের ঝুঁকি) বেশি দেখা যায়। নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা লাগে, সাধারণত প্রথম মাসে প্রতি সপ্তাহে এবং তারপর প্রতি মাসে।

অস্বাভাবিক রক্তপাত বা কালশিটে, প্রস্রাব বা পায়খানায় রক্ত, জ্বর বা সংক্রমণের লক্ষণ, তীব্র ক্লান্তি, শ্বাসকষ্ট, তীব্র মাথাব্যথাসহ খুব উচ্চ রক্তচাপ, বিভ্রান্তি বা দৃষ্টির সমস্যা, অথবা গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

নিরাপারিব গর্ভের শিশুর ক্ষতি করতে পারে। গর্ভধারণে সক্ষম নারীদের শুরু করার আগে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করতে হবে এবং চিকিৎসা চলাকালে ও শেষ মাত্রার পর ৬ মাস পর্যন্ত কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করতে হবে। চিকিৎসার সময় ও পরের ১ মাস বুকের দুধ খাওয়াবেন না।

সতর্কতা

নিয়মিত রক্তকণিকা ও রক্তচাপ পরীক্ষা করতে হবে। কদাচিৎ এটি অস্থিমজ্জার গুরুতর রোগ (মায়েলোডিসপ্লাস্টিক সিনড্রোম বা অ্যাকিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া) ঘটাতে পারে। PRES নামের একটি বিরল মস্তিষ্কজনিত সমস্যার খবরও পাওয়া গেছে। কিছু পণ্যে ল্যাকটোজ বা টারট্রাজিন থাকে। ক্লান্তি বা মাথা ঘোরা হতে পারে, তাই গাড়ি চালাতে সাবধান থাকুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

এর নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই। বেশি খেয়ে ফেললে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসক বা হাসপাতালে যোগাযোগ করুন; সহায়ক চিকিৎসা ও রক্তকণিকা পর্যবেক্ষণ করা হবে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ক্যানসারবিরোধী ঔষধ; PARP ইনহিবিটর।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। প্যাকে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী নাড়াচাড়া করুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Niraparib এর সব ব্র্যান্ড

Niraparib এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।