বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Paritol

Paricalcitol

  • প্রস্তুতকারক Opsonin Pharma Limited
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ক্যাপসুল

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Paricalcitol 2 mcgক্যাপসুল · ১০ x ৩ ব্লিস্টার প্যাক৳৩৬.০৯স্ট্রিপ (৩টি)প্রতি ইউনিট: ৳১২.০৩বক্স (১০ x ৩): ৳৩৬০.৯০
Paricalcitol 1 mcgক্যাপসুল · ১০ x ৩ ব্লিস্টার প্যাক৳২৪.০৯স্ট্রিপ (৩টি)প্রতি ইউনিট: ৳৮.০৩বক্স (১০ x ৩): ৳২৪০.৯০

ঔষধটি সম্পর্কে

Paricalcitol

ব্যবহার

দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস চলা রোগীসহ, সেকেন্ডারি হাইপারপ্যারাথাইরয়েডিজম প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় প্যারিক্যালসিটল ব্যবহার করা হয়। এই অবস্থায় কিডনি ভিটামিন D ঠিকমতো সক্রিয় করতে না পারায় প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি অতিরিক্ত প্যারাথাইরয়েড হরমোন (PTH) তৈরি করে, যা হাড় দুর্বল করতে পারে।

কীভাবে কাজ করে

প্যারিক্যালসিটল ভিটামিন D এর একটি কৃত্রিম সক্রিয় রূপ। এটি প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থির ভিটামিন D রিসেপ্টরে কাজ করে PTH তৈরি কমায়, এবং কিছু অন্যান্য সক্রিয় ভিটামিন D ঔষধের তুলনায় রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট কম বাড়ায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

রক্তে PTH, ক্যালসিয়াম ও ফসফেটের মাত্রা দেখে কিডনি বিশেষজ্ঞ মাত্রা ঠিক করেন এবং সময়ের সাথে পরিবর্তন করেন। ক্যাপসুল মুখে খাওয়া হয়, দিনে একবার বা সপ্তাহে ৩ বার, খাবারের সাথে বা ছাড়া। ইনজেকশন হেমোডায়ালাইসিসের সময় ডাক্তার বা নার্স ডায়ালাইসিস লাইনে দেন। ঠিক যেভাবে লেখা আছে সেভাবে নিন এবং নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা করান।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • কিটোকোনাজোল ও অন্যান্য শক্তিশালী CYP3A4 প্রতিরোধক প্যারিক্যালসিটলের মাত্রা বাড়াতে পারে।
  • ডিগক্সিন: ক্যালসিয়াম বেশি হলে ডিগক্সিনের বিষক্রিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • ক্যালসিয়াম সাপ্লিমেন্ট, থায়াজাইড ডাইইউরেটিক ও অন্যান্য ভিটামিন D পণ্য ক্যালসিয়াম অতিরিক্ত বাড়াতে পারে।
  • অ্যালুমিনিয়ামযুক্ত অ্যান্টাসিড বা ফসফেট বাইন্ডার দীর্ঘদিন একসাথে ব্যবহার করা উচিত নয়।
  • কোলেস্টাইরামিন ও মিনারেল অয়েল ক্যাপসুলের শোষণ কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

  • প্যারিক্যালসিটলে অ্যালার্জি থাকলে।
  • রক্তে ক্যালসিয়াম বেশি (হাইপারক্যালসিমিয়া) বা ভিটামিন D বিষক্রিয়ার লক্ষণ থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

রক্তে ক্যালসিয়াম ও ফসফেট বেড়ে যাওয়া, মাথাব্যথা, বমিভাব, বমি, ডায়রিয়া, স্বাদের পরিবর্তন, মাথা ঘোরা, চুলকানি এবং হাত বা পা ফোলা হতে পারে।

ক্যালসিয়াম খুব বেড়ে যাওয়ার লক্ষণ (তীব্র ক্লান্তি, বিভ্রান্তি, সারাক্ষণ পিপাসা, বারবার প্রস্রাব, বমি, কোষ্ঠকাঠিন্য, পেশি দুর্বলতা, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন) বা ফোলা ও শ্বাসকষ্টসহ অ্যালার্জি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় কেবল ডাক্তার উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলে ব্যবহার করা যায়। বুকের দুধে যায় কি না জানা নেই; বুকের দুধ খাওয়ানোর আগে ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন।

সতর্কতা

  • বিশেষ করে শুরুতে বা মাত্রা বদলানোর সময় নিয়মিত ক্যালসিয়াম, ফসফেট ও PTH পরীক্ষা প্রয়োজন।
  • কিডনি টিমের দেওয়া ফসফেট ও ক্যালসিয়াম সংক্রান্ত খাদ্য পরামর্শ মেনে চলুন।
  • ডাক্তার না বললে বাড়তি ভিটামিন D বা ক্যালসিয়াম খাবেন না।
  • PTH অতিরিক্ত কমে গেলে হাড়ের সমস্যা হতে পারে; তাই মাত্রা সমন্বয় করা হয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে ক্যালসিয়াম বেড়ে দুর্বলতা, বিভ্রান্তি, বমিভাব, বমি, পিপাসা ও হৃৎছন্দের সমস্যা হতে পারে। দ্রুত চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ভিটামিন D অ্যানালগ (সিলেক্টিভ ভিটামিন D রিসেপ্টর অ্যাক্টিভেটর)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো স্থানে, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনজেকশন প্যাকে লেখা নির্দেশ অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Paricalcitol এর সব ব্র্যান্ড

Paricalcitol এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।