বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Pinor

Imipramine Hydrochloride

  • প্রস্তুতকারক Aristopharma Limited
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Imipramine Hydrochloride 25 mgট্যাবলেট · ৩০ স্ট্রিপ প্যাক৳১২০স্ট্রিপ (৩০টি)প্রতি ইউনিট: ৳৪

ঔষধটি সম্পর্কে

Imipramine Hydrochloride

ব্যবহার

ইমিপ্রামিন হাইড্রোক্লোরাইড একটি ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট, যা বিষণ্নতা বা ডিপ্রেশনের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। অন্য উপায়ে কাজ না হলে ৬ বছর বা তার বেশি বয়সী শিশুদের রাতে বিছানা ভেজানো (নকটার্নাল এনুরেসিস) কমাতে সীমিত সময়ের জন্যও এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

এটি মস্তিষ্কে নরঅ্যাড্রেনালিন ও সেরোটোনিন নামের দুটি রাসায়নিকের পরিমাণ বাড়ায়, কারণ স্নায়ুকোষ এগুলো খুব দ্রুত ফিরিয়ে নিতে পারে না। কয়েক সপ্তাহে এতে মন ভালো হতে থাকে। মূত্রথলি ও ঘুমের ওপর প্রভাবের কারণে বিছানা ভেজানোও কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মাত্রা চিকিৎসক ঠিক করবেন ও প্রয়োজনমতো বদলাবেন, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী খান। সাধারণত কম মাত্রায় শুরু করে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়, বয়স্কদের প্রায়ই কম মাত্রা লাগে। বিছানা ভেজানোর জন্য সাধারণত ঘুমানোর প্রায় ১ ঘণ্টা আগে একবার, শিশুর বয়স অনুযায়ী চিকিৎসকের নির্দেশমতো দেওয়া হয়। পানি দিয়ে খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যায়। বিষণ্নতায় পুরো উপকার পেতে ২ থেকে ৪ সপ্তাহ বা বেশি লাগতে পারে। হঠাৎ বন্ধ করবেন না, চিকিৎসক ধীরে ধীরে কমাবেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • MAO ইনহিবিটর (লাইনেজোলিড ও সেলেজিলিনসহ): বিপজ্জনক প্রতিক্রিয়া, একটির ১৪ দিনের মধ্যে অন্যটি খাবেন না।
  • ফ্লুওক্সেটিন, প্যারোক্সেটিন, সারট্রালিনের মতো SSRI: ইমিপ্রামিনের মাত্রা ও সেরোটোনিন সিনড্রোমের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • অ্যালকোহল, ঘুমের ঔষধ, ওপিওয়েড ও অ্যান্টিহিস্টামিন: ঘুমঘুম ভাব বাড়ে।
  • হৃৎস্পন্দনের ছন্দে প্রভাব ফেলে এমন ঔষধ (QT দীর্ঘায়িত করে), যেমন কিছু অ্যান্টিঅ্যারিদমিক, অ্যান্টিসাইকোটিক ও ম্যাক্রোলাইড অ্যান্টিবায়োটিক।
  • অ্যাড্রেনালিন ও নরঅ্যাড্রেনালিন: রক্তচাপের প্রভাব বেশি হতে পারে।
  • ক্লোনিডিন ও অন্যান্য রক্তচাপের ঔষধ: কার্যকারিতা বদলাতে পারে।
  • সিমেটিডিন ও কিছু ছত্রাকনাশক: ইমিপ্রামিনের মাত্রা বাড়াতে পারে।

কারা খাবেন না

  • ইমিপ্রামিন বা অন্য ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্টে অ্যালার্জি থাকলে।
  • সম্প্রতি হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ব্লক বা নির্দিষ্ট কিছু হৃৎছন্দের সমস্যা থাকলে।
  • MAO ইনহিবিটরের সাথে বা তা বন্ধের ১৪ দিনের মধ্যে।
  • ম্যানিয়া ও গুরুতর লিভারের রোগে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণত মুখ শুকানো, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঝাপসা দৃষ্টি, প্রস্রাবে অসুবিধা, ঘুমঘুম ভাব, দাঁড়ালে মাথা ঘোরা, ঘাম, বুক ধড়ফড়, ওজন বৃদ্ধি, হাত কাঁপা ও যৌন সমস্যা হতে পারে। প্রথম কয়েক সপ্তাহ পর অনেকগুলো কমে যায়।

নিজের ক্ষতি করার চিন্তা, অজ্ঞান হওয়া, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, বুকে ব্যথা, খিঁচুনি, তীব্র বিভ্রান্তি, চোখে ব্যথাসহ ঝাপসা দেখা (গ্লুকোমা হতে পারে), প্রস্রাব একেবারে বন্ধ হওয়া, পেশি শক্ত হয়ে উচ্চ জ্বর বা মারাত্মক অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

চিকিৎসক উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি মনে করলে তবেই গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করুন। প্রসবের কাছাকাছি সময়ে খেলে নবজাতকের উইথড্রয়াল লক্ষণ হতে পারে। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়, তাই দুধ খাওয়ানোর আগে চিকিৎসকের সাথে কথা বলুন।

সতর্কতা

শিশু, কিশোর ও তরুণদের ক্ষেত্রে অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট শুরুর দিকে বা মাত্রা বদলের পর আত্মহত্যার চিন্তা বাড়াতে পারে, পরিবারের সদস্যরা মেজাজের পরিবর্তন খেয়াল রাখবেন। হৃদরোগ, মৃগী, গ্লুকোমা, প্রোস্টেট বড় হওয়া, থাইরয়েডের রোগ, ডায়াবেটিস ও বাইপোলার ডিসঅর্ডারে সাবধানে ব্যবহার করুন। ঘুমঘুম ভাব হতে পারে, তাই প্রভাব না বোঝা পর্যন্ত গাড়ি চালাবেন না এবং অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। শিশুদের নাগাল থেকে দূরে রাখুন, অল্প কয়েকটি ট্যাবলেটও শিশুর জন্য প্রাণঘাতী হতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবন খুবই বিপজ্জনক। দ্রুত ঝিমুনি, বিভ্রান্তি, চোখের মণি বড় হওয়া, খিঁচুনি, রক্তচাপ কমে যাওয়া, মারাত্মক হৃৎছন্দের সমস্যা ও অচেতন অবস্থা হতে পারে। রোগীকে ভালো মনে হলেও সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্ট।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Imipramine Hydrochloride এর সব ব্র্যান্ড

Imipramine Hydrochloride এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।