বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Potassium Chloride

Potassium Chloride

  • প্রস্তুতকারক EDCL (Dhaka)
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Potassium Chloride 600 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Potassium Chloride

ব্যবহার

পটাশিয়াম ক্লোরাইড রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়া (হাইপোক্যালেমিয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ, দীর্ঘক্ষণ বমি বা ডায়রিয়া, কিডনি ও হরমোনের কিছু রোগ এবং অন্য কিছু ঔষধে পটাশিয়াম কমে যেতে পারে। খাবার স্যালাইনেরও এটি একটি উপাদান।

কীভাবে কাজ করে

পটাশিয়াম মূলত শরীরের কোষের ভেতরে থাকা একটি লবণ। হৃদ্‌যন্ত্র, পেশি ও স্নায়ুর স্বাভাবিক কাজের জন্য এটি দরকার। পটাশিয়াম ক্লোরাইড শরীর থেকে হারানো পটাশিয়াম পূরণ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • মুখে, প্রতিরোধ (প্রাপ্তবয়স্ক): সাধারণত দিনে প্রায় ২০ mmol, ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী।
  • মুখে, চিকিৎসা (প্রাপ্তবয়স্ক): সাধারণত দিনে ৪০ থেকে ১০০ mmol, কয়েক ভাগে, রক্ত পরীক্ষার ফল অনুযায়ী ডাক্তারের নির্দেশে।
  • শিশু: ওজন অনুযায়ী, ডাক্তারের নির্দেশে।
  • ইনজেকশন: ঘন পটাশিয়াম সবসময় পাতলা করে হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স স্যালাইনের মাধ্যমে ধীরে দেন। কখনও পাতলা না করে ইনজেকশন দেওয়া যাবে না।

ট্যাবলেট বা তরল খাবারের সাথে বা পরে এক গ্লাস পানিসহ খান। ধীরে কাজ করা ট্যাবলেট বসে বা দাঁড়িয়ে আস্ত গিলে ফেলুন; ভাঙবেন বা চিবাবেন না, এবং খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়বেন না। এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট পুরোপুরি গলিয়ে তারপর পান করুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • স্পাইরোনোল্যাকটোন, এপলেরেনোন, অ্যামিলোরাইড, ট্রায়ামটেরিন, এনালাপ্রিল, র্যামিপ্রিল, লোসার্টান ও একই ধরনের রক্তচাপের ঔষধ, ট্রাইমেথোপ্রিম, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস, হেপারিন এবং আইবুপ্রোফেনের মতো ব্যথানাশকের সাথে পটাশিয়াম বিপজ্জনক মাত্রায় বাড়তে পারে।
  • একই সময়ে পটাশিয়ামযুক্ত বিকল্প লবণ ব্যবহার করবেন না।
  • অন্ত্রের গতি কমায় এমন ঔষধ, যেমন কিছু অ্যান্টিকোলিনার্জিক ঔষধ, কঠিন ট্যাবলেটে অন্ত্রের আবরণের ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়।

কারা খাবেন না

  • রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকলে।
  • কিডনির গুরুতর অকার্যকারিতায়।
  • চিকিৎসা হয়নি এমন অ্যাডিসন রোগে।
  • তীব্র পানিশূন্যতায়।
  • কঠিন ট্যাবলেট: খাদ্যনালি বা অন্ত্র সরু বা বন্ধ হয়ে থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, পেটব্যথা, পেট ফাঁপা ও ডায়রিয়া; খাবারের সাথে খেলে এগুলো কম হয়।

কালো পায়খানা, রক্তবমি, তীব্র পেটব্যথা, ট্যাবলেট খাওয়ার পর বুকে ব্যথা বা গিলতে কষ্ট, অথবা পটাশিয়াম বেশি হওয়ার লক্ষণ যেমন পেশি দুর্বলতা, অবশ বা ঝিমঝিম ভাব, বিভ্রান্তি, বা ধীর বা অনিয়মিত হৃদ্‌স্পন্দন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

কম পটাশিয়াম ঠিক করার প্রয়োজন হলে গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ডাক্তারের দেওয়া মাত্রায় এটি ব্যবহার করা যায়।

সতর্কতা

  • নিয়মিত রক্তে পটাশিয়াম ও কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা দরকার।
  • কিডনির রোগ, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং বয়স্কদের ক্ষেত্রে সাবধানে ব্যবহার করুন।
  • নির্দেশের চেয়ে বেশি খাবেন না, এবং রক্ত পরীক্ষার ফল ছাড়া মাত্রা বদলাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি পটাশিয়ামে পেশি দুর্বলতা, অবশ ভাব, বিভ্রান্তি এবং হৃদ্‌স্পন্দনের বিপজ্জনক পরিবর্তন হতে পারে, এমনকি হৃদ্‌যন্ত্র থেমে যেতে পারে। এটি জরুরি অবস্থা: এখনই হাসপাতালে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ইলেকট্রোলাইট পূরণকারী (পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। এফারভেসেন্ট ট্যাবলেট টিউবের ঢাকনা শক্ত করে বন্ধ রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Potassium Chloride এর সব ব্র্যান্ড

Potassium Chloride এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।