বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Praxiva 10

Prasugrel

  • প্রস্তুতকারক NIPRO JMI Pharma Limited
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Prasugrel 10 mgট্যাবলেট · ১০ ব্লিস্টার প্যাক৳২৫০প্যাক (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳২৫

ঔষধটি সম্পর্কে

Prasugrel

ব্যবহার

অ্যাকিউট করোনারি সিনড্রোমে (হার্ট অ্যাটাক বা আনস্টেবল অ্যানজাইনা) আক্রান্ত যেসব প্রাপ্তবয়স্কের অ্যানজিওপ্লাস্টি ও স্টেন্ট দিয়ে চিকিৎসা হচ্ছে, তাঁদের হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও হৃদপিণ্ডের ধমনিতে রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধে অ্যাসপিরিনের সাথে প্রাসুগ্রেল ব্যবহার হয়।

কীভাবে কাজ করে

প্রাসুগ্রেল একটি অ্যান্টিপ্লেটলেট ঔষধ। প্লেটলেট হলো রক্তের এমন কণিকা যা একসাথে জমে রক্তের চাকা তৈরি করে। প্রাসুগ্রেল প্লেটলেটের একটি রিসেপ্টর (P2Y12) বন্ধ করে দেয়, ফলে প্লেটলেট কম জোড়া লাগে। এতে সরু ধমনি বা স্টেন্টের ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধার সম্ভাবনা কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: শুরুতে একবার ৬০ mg (লোডিং ডোজ), এরপর দিনে একবার ১০ mg, চিকিৎসকের নির্দেশমতো অ্যাসপিরিনের সাথে (সাধারণত দিনে ৭৫ থেকে ১৫০ mg অ্যাসপিরিন)।

৬০ কেজির কম ওজন: লোডিং ডোজের পর দিনে একবার ৫ mg। ৭৫ বছর বা তার বেশি বয়স: সাধারণত সুপারিশ করা হয় না; হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ প্রয়োজন মনে করলে দিনে একবার ৫ mg।

সাধারণত ১২ মাস পর্যন্ত বা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ যতদিন বলেন ততদিন চলে। খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যায়। শিশুদের জন্য নয়।

কোনো ডোজ বাদ পড়লে একই দিনে মনে পড়ামাত্র খান; একসাথে দুই ডোজ খাবেন না। হৃদরোগ চিকিৎসকের সাথে কথা না বলে কখনো প্রাসুগ্রেল বন্ধ করবেন না, কারণ আগেভাগে বন্ধ করলে স্টেন্টে রক্ত জমাট ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি বাড়ে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • ওয়ারফারিন, হেপারিন, রিভারক্সাবান, অ্যাপিক্সাবান ও অন্যান্য রক্ত পাতলা করার ঔষধ রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক ও ন্যাপ্রোক্সেনের মতো ব্যথানাশক (NSAID) পাকস্থলীতে রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • ক্লোপিডোগ্রেল বা টিকাগ্রেলরের মতো অন্য অ্যান্টিপ্লেটলেট ঔষধ প্রাসুগ্রেলের সাথে দেওয়া হয় না।
  • মরফিন ও অন্যান্য অপিওয়েড প্রাসুগ্রেলের শোষণ ধীর করতে পারে।

যে চিকিৎসক বা দাঁতের ডাক্তারই আপনাকে দেখুন, তাঁকে জানান যে আপনি প্রাসুগ্রেল খাচ্ছেন।

কারা খাবেন না

নিচের ক্ষেত্রে প্রাসুগ্রেল খাবেন না:

  • এখন রক্তপাত হচ্ছে, যেমন পাকস্থলীর আলসার বা মস্তিষ্কে;
  • আগে কখনো স্ট্রোক বা মিনি-স্ট্রোক (TIA) হয়েছে;
  • লিভারের গুরুতর রোগ;
  • প্রাসুগ্রেল বা ঔষধের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: সহজে কালশিটে পড়া, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, সুঁই ফোটানোর জায়গায় রক্তপাত, প্রস্রাবে রক্ত, রক্তস্বল্পতা ও র‍্যাশ।

নিচের যেকোনোটি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন:

  • কালো বা আলকাতরার মতো পায়খানা, রক্তবমি বা কফির গুঁড়ার মতো বমি;
  • এমন রক্তপাত যা থামছে না;
  • হঠাৎ মুখ, হাত বা পা অবশ বা দুর্বল হওয়া, কথা বলতে কষ্ট, তীব্র মাথাব্যথা বা বিভ্রান্তি (স্ট্রোকের লক্ষণ);
  • জ্বর, অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে ভাব, ত্বক হলুদ হওয়া ও ত্বকে বেগুনি দাগ (TTP নামের বিরল রক্তের রোগ);
  • মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ব্যবহারের তথ্য সীমিত। চিকিৎসক যদি মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে স্পষ্টভাবে বেশি, কেবল তখনই দেওয়া হয়। প্রাসুগ্রেল বুকের দুধে যায় কিনা জানা নেই; চিকিৎসার সময় সাধারণত বুকের দুধ খাওয়ানো এড়ানো হয়। চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

সতর্কতা

  • ওজন ৬০ কেজির কম, বয়স ৭৫ বা তার বেশি, সম্প্রতি অস্ত্রোপচার বা আঘাত, বা পাকস্থলীর আলসার থাকলে রক্তপাতের ঝুঁকি বেশি।
  • পরিকল্পিত অস্ত্রোপচার বা দাঁত তোলার আগে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞকে জিজ্ঞেস করুন; সাধারণত অস্ত্রোপচারের অন্তত ৭ দিন আগে বন্ধ করা হয়, তবে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে।
  • লিভার বা কিডনির রোগ থাকলে চিকিৎসককে জানান।
  • রক্ত থামতে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে; ছোট কাটায় শক্ত করে চেপে ধরুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবনে গুরুতর রক্তপাত হতে পারে। সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা নিন। হাসপাতালে প্লেটলেট ট্রান্সফিউশন দেওয়া হতে পারে।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিপ্লেটলেট ঔষধ; P2Y12 রিসেপ্টর ইনহিবিটর (থায়েনোপাইরিডিন)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে, মূল প্যাকেটে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Prasugrel এর সব ব্র্যান্ড

Prasugrel এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।