বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

QUETA 100

Quetiapine

  • প্রস্তুতকারক Opsonin Pharma Limited
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ৪টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট
  • ট্যাবলেট (Extended Release)

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Quetiapine 100 mgট্যাবলেট · ২১'s Strip৳২১০স্ট্রিপ (২১টি)প্রতি ইউনিট: ৳১০বাজার দর
Quetiapine Fumarate 50 mgট্যাবলেট (Extended Release)দাম শীঘ্রই
Quetiapine Fumarate 200 mgট্যাবলেট (Extended Release)দাম শীঘ্রই
Quetiapine Fumarate 300 mgট্যাবলেট (Extended Release)দাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Quetiapine

ব্যবহার

কুয়েটিয়াপিন সিজোফ্রেনিয়া এবং বাইপোলার ডিসঅর্ডারের (ম্যানিয়া ও বিষণ্ণতা উভয় পর্ব) চিকিৎসায় এবং নতুন পর্ব প্রতিরোধে ব্যবহার হয়। শুধু অ্যান্টিডিপ্রেস্যান্টে যথেষ্ট কাজ না হলে বড় ধরনের বিষণ্ণতায় এর এক্সটেন্ডেড-রিলিজ রূপ সাথে যোগ করা হতে পারে।

কীভাবে কাজ করে

কুয়েটিয়াপিন একটি অ্যাটিপিক্যাল অ্যান্টিসাইকোটিক। এটি মস্তিষ্কের রাসায়নিক, মূলত ডোপামিন ও সেরোটোনিনের কাজের ভারসাম্য আনে। এতে অলীক কিছু দেখা বা শোনা, এলোমেলো চিন্তা, মেজাজের তীব্র ওঠানামা ও মন খারাপ কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

ঠিক ডাক্তারের দেওয়া নিয়মে খান। কম মাত্রা দিয়ে শুরু করে কয়েক দিনে ধীরে ধীরে বাড়ানো হয়। রোগভেদে প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা দিনে প্রায় ১৫০ থেকে ৭৫০ mg; সাধারণ ট্যাবলেট দিনে দুই ভাগে, আর এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট দিনে একবার, প্রায়ই সন্ধ্যায়। এক্সটেন্ডেড-রিলিজ ট্যাবলেট না ভেঙে বা না চিবিয়ে আস্ত গিলে খেতে হবে। বয়স্ক ও লিভারের সমস্যা আছে এমন রোগীদের সাধারণত কম মাত্রা লাগে। শিশু ও কিশোরদের ক্ষেত্রে শুধু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন, ইরিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভির কুয়েটিয়াপিনের মাত্রা অনেক বাড়িয়ে দিতে পারে।
  • কার্বামাজেপিন, ফেনিটোইন ও রিফামপিসিন এর মাত্রা কমিয়ে কার্যকারিতা কমাতে পারে।
  • মদ, ঘুমের ঔষধ, অপিওয়েড ব্যথানাশক ও ঘুম আনা অ্যান্টিহিস্টামিন ঝিমুনি আরও বাড়ায়।
  • হৃৎস্পন্দনের ছন্দে প্রভাব ফেলে এমন ঔষধ (যেমন অ্যামিওডারোন, কিছু অ্যান্টিবায়োটিক ও অন্যান্য অ্যান্টিসাইকোটিক) অনিয়মিত হৃৎস্পন্দনের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • জাম্বুরা জাতীয় গ্রেপফ্রুটের রস এড়িয়ে চলুন।

কারা খাবেন না

কুয়েটিয়াপিন বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে, এবং কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল বা রিটোনাভিরের মতো শক্তিশালী এনজাইম প্রতিরোধক ঔষধ চলাকালে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: ঘুম ঘুম ভাব, মাথা ঘোরা (বিশেষ করে দাঁড়ানোর সময়), মুখ শুকানো, কোষ্ঠকাঠিন্য, খিদে ও ওজন বাড়া, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল বাড়া এবং বুক ধড়ফড়।

দ্রুত চিকিৎসা নিন যদি: মাংসপেশি শক্ত হয়ে উচ্চ জ্বর, ঘাম ও বিভ্রান্তি হয়; অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খুব দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন হয়; খিঁচুনি হয়; মুখ, জিহ্বা বা শরীরে নিয়ন্ত্রণহীন নড়াচড়া হয়; জ্বর ও গলাব্যথাসহ সংক্রমণের লক্ষণ দেখা দেয়; মারাত্মক র‍্যাশ বা মুখ ও গলা ফুলে যায়; অথবা মন আরও খারাপ হয় বা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা আসে।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ডাক্তার যদি মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি, শুধু তখনই গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করা হয়। গর্ভাবস্থার শেষ তিন মাসে খেলে জন্মের পর শিশুর কাঁপুনি, শরীর শক্ত হওয়া, অতিরিক্ত ঘুম বা খেতে সমস্যা হতে পারে। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যায়; বুকের দুধ খাওয়ানোর আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। গর্ভবতী হলে নিজে নিজে ঔষধ বন্ধ করবেন না।

সতর্কতা

  • ডিমেনশিয়া আছে এমন বয়স্কদের অ্যান্টিসাইকোটিকে স্ট্রোক ও মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ে; ডিমেনশিয়াজনিত আচরণগত সমস্যায় কুয়েটিয়াপিন ব্যবহারের জন্য নয়।
  • হৃদরোগ, নিম্ন রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, মৃগী, লিভারের সমস্যা বা উচ্চ কোলেস্টেরল থাকলে ডাক্তারকে জানান। মাঝে মাঝে ওজন, রক্তে শর্করা ও চর্বি পরীক্ষা করা উচিত।
  • ঔষধটি আপনার ওপর কেমন প্রভাব ফেলে তা না জানা পর্যন্ত গাড়ি চালাবেন না বা যন্ত্র চালাবেন না। মদ এড়িয়ে চলুন।
  • হঠাৎ বন্ধ করবেন না; ঘুমের সমস্যা, বমিভাব ও লক্ষণ ফিরে আসা এড়াতে ধীরে ধীরে মাত্রা কমাতে হয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে গভীর ঝিমুনি, খুব কম রক্তচাপ, দ্রুত হৃৎস্পন্দন, খিঁচুনি ও অচেতনতা হতে পারে। রোগীকে সাথে সাথে জরুরি বিভাগে নিন এবং ঔষধের প্যাকেট সাথে নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যাটিপিক্যাল (দ্বিতীয় প্রজন্মের) অ্যান্টিসাইকোটিক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Quetiapine এর সব ব্র্যান্ড

Quetiapine এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।