ঔষধের ব্র্যান্ড

Quinolex

Chloroquine Phosphate

  • প্রস্তুতকারক Globe Pharmaceuticals Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • সিরাপ
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Chloroquine Phosphate 250 mgDGDA 083-0044-024ট্যাবলেট১০ x ১০ Alu. Alu. ব্লিস্টার প্যাক৳১২স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳১.২০বক্স (১০ x ১০): ৳১২০
Chloroquine Phosphate 80 mg/5 mlDGDA 083-0019-024সিরাপ৬০ ml বোতল৳১২প্রতি বোতল

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

Quinolex 250 mg · ট্যাবলেট · ৳১.২০ প্রতি ইউনিট

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

ঔষধটি সম্পর্কে

Chloroquine Phosphate

ব্যবহার

  • প্লাজমোডিয়াম ভাইভ্যাক্স, পি. ওভালে ও পি. ম্যালেরিয়া দিয়ে হওয়া ম্যালেরিয়ার চিকিৎসায়, এবং পি. ফ্যালসিপেরাম যেখানে এখনও ক্লোরোকুইনে সাড়া দেয় শুধু সেখানে। ভাইভ্যাক্স ও ওভালে ম্যালেরিয়ায় রোগ ফিরে আসা ঠেকাতে সাধারণত প্রাইমাকুইন যোগ করা হয়।
  • যেসব এলাকায় জীবাণু এখনও সংবেদনশীল সেখানে ভ্রমণকারীদের ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে, ডাক্তারের পরামর্শে।
  • কম ক্ষেত্রে: অ্যামিবিক লিভার অ্যাবসেস, এবং বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস বা লুপাস।

কীভাবে কাজ করে

ম্যালেরিয়ার জীবাণু লোহিত কণিকার ভেতরে থাকার সময় ক্লোরোকুইন তার ভেতরে জমা হয় এবং জীবাণু যে রক্ত খায় তা নিরাপদে ভাঙতে দেয় না, ফলে জীবাণু বিষক্রিয়ায় মারা যায়। এটি রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কিছু অংশ শান্ত করে, তাই কিছু জয়েন্ট ও ত্বকের রোগে উপকার করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মাত্রা ওজন অনুযায়ী হিসাব করা হয় এবং ক্লোরোকুইন "বেস" হিসেবে গোনা হয় (২৫০ mg ক্লোরোকুইন ফসফেটে প্রায় ১৫৫ mg বেস থাকে), তাই ঠিক ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী খান। ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা সাধারণত ৩ দিনের কোর্স: প্রথম দুই দিন বেশি মাত্রা, তৃতীয় দিন কম মাত্রা। পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে বা পরে খান। শিশুদের সিরাপের মাত্রা ওজন অনুযায়ী, সাবধানে মেপে দিতে হবে। ইনজেকশন হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স দেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • অ্যান্টাসিড ও কেওলিন শোষণ কমায়: অন্তত ৪ ঘণ্টা ব্যবধানে খান।
  • অ্যামিওডারোন, মক্সিফ্লক্সাসিন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন, কিছু মানসিক রোগের ঔষধ ও মেফ্লোকুইনের মতো হৃৎস্পন্দনের ছন্দে প্রভাব ফেলা ঔষধ: হৃৎছন্দের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ে; মেফ্লোকুইনে খিঁচুনির ঝুঁকিও বাড়ে।
  • সাইক্লোস্পোরিন ও ডিগক্সিনের মাত্রা বাড়তে পারে।
  • সিমেটিডিন ক্লোরোকুইনের মাত্রা বাড়ায়।
  • অ্যাম্পিসিলিন ও প্রাজিকোয়ান্টেলের মাত্রা কমতে পারে; অ্যাম্পিসিলিন অন্তত ২ ঘণ্টা ব্যবধানে খান।
  • ইনসুলিন ও ডায়াবেটিসের ট্যাবলেট: রক্তে চিনি কমে যেতে পারে।
  • ত্বকের ভেতরে দেওয়া জলাতঙ্কের টিকার কার্যকারিতা কমাতে পারে।

কারা খাবেন না

ক্লোরোকুইন বা হাইড্রক্সিক্লোরোকুইনে এলার্জি থাকলে। আগের ব্যবহারে রেটিনার ক্ষতি বা দৃষ্টির পরিবর্তন হয়ে থাকলে। রেটিনার রোগ থাকলে দীর্ঘমেয়াদে ব্যবহার এড়ানো হয়।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, পেটের অস্বস্তি, ডায়রিয়া, মাথাব্যথা, খাবারে অরুচি এবং চুলকানি (গাঢ় ত্বকের মানুষের মধ্যে খুব সাধারণ, বিপজ্জনক নয়)। ঝাপসা দেখা হতে পারে, সাধারণত সেরে যায়। দীর্ঘদিন খেলে রেটিনার ক্ষতি হতে পারে, তাই নিয়মিত চোখ পরীক্ষা দরকার।

দৃষ্টিতে যেকোনো পরিবর্তন, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, দ্রুত বা অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, খিঁচুনি, মাংসপেশি দুর্বলতা, কানে কম শোনা বা কানে শব্দ, রক্তে চিনি কমার লক্ষণ (ঘাম, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি), ফোসকা পড়া বা চামড়া উঠে যাওয়া র‍্যাশ, অথবা মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ম্যালেরিয়া খুবই বিপজ্জনক। ডাক্তারের ঠিক করা সাধারণ মাত্রায় গর্ভাবস্থায় ম্যালেরিয়ার চিকিৎসা ও প্রতিরোধে ক্লোরোকুইন নিরাপদ বলে ধরা হয়। বুকের দুধে অল্প পরিমাণ যায়; বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় সাধারণত চলে, তবে এটি শিশুকে ম্যালেরিয়া থেকে রক্ষা করে না।

সতর্কতা

শিশুদের নাগালের একদম বাইরে রাখুন: মাত্র কয়েকটি ট্যাবলেটেও ছোট শিশুর মৃত্যু হতে পারে। মৃগী, সোরিয়াসিস, পরফাইরিয়া, G6PD ঘাটতি, মায়াস্থেনিয়া গ্রেভিস, হৃৎছন্দের সমস্যা, ডায়াবেটিস, বা লিভার বা কিডনির রোগ থাকলে ডাক্তারকে জানান। দীর্ঘমেয়াদে খেলে চোখ পরীক্ষা করাতে হবে। যেসব এলাকায় ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী, সেখানে শুধু ক্লোরোকুইনে কাজ হবে না, তাই ডাক্তারের দেওয়া চিকিৎসা মেনে চলুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

ক্লোরোকুইনের মাত্রাতিরিক্ত সেবন জরুরি অবস্থা এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যে প্রাণঘাতী হতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের। লক্ষণ: ঝিমুনি, দৃষ্টির সমস্যা, খুব কম রক্তচাপ, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন, খিঁচুনি ও শ্বাসকষ্ট। রোগী ভালো দেখালেও সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

ম্যালেরিয়ারোধী ঔষধ (৪-অ্যামিনোকুইনোলিন)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের একদম বাইরে রাখুন। সিরাপ ফ্রিজে জমাবেন না।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Chloroquine Phosphate এর সব ব্র্যান্ড

Chloroquine Phosphate এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।