বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Rabivax

Rabies Vaccine

  • প্রস্তুতকারক Popular Pharmaceuticals PLC
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • IM/SC ইনজেকশন

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Rabies Vaccine 2.5 IU/mlIM/SC ইনজেকশনদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Rabies Vaccine

ব্যবহার

জলাতঙ্ক (রেবিস) টিকা জলাতঙ্ক রোগ থেকে সুরক্ষা দেয়। জলাতঙ্ক একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুকে আক্রান্ত করে, এবং লক্ষণ শুরু হয়ে গেলে প্রায় সবসময়ই মৃত্যু ঘটায়। কুকুর, বিড়াল, বানর, বাদুড় বা জলাতঙ্ক ছড়াতে পারে এমন কোনো প্রাণী কামড়ালে, আঁচড় দিলে বা কাটা চামড়ায় চাটলে এই টিকা দেওয়া হয়। এছাড়া পশু চিকিৎসক, পশুপালনকারী, ল্যাবরেটরি কর্মী ও কিছু ভ্রমণকারীর মতো ঝুঁকিতে থাকা মানুষকে আগেভাগেই এই টিকা দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

এই টিকায় কোষে জন্মানো জলাতঙ্ক ভাইরাস থাকে, যা পরে নিষ্ক্রিয় (মৃত) করা হয়, তাই এটি রোগ ঘটাতে পারে না। টিকা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে এমন অ্যান্টিবডি তৈরি করতে শেখায়, যা ভাইরাস স্নায়ুতন্ত্রে পৌঁছানোর আগেই তাকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। গুরুতর কামড়ের ক্ষেত্রে অনেক সময় এর সাথে রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন দেওয়া হয়, যা টিকা কাজ শুরু করার আগ পর্যন্ত তাৎক্ষণিক সুরক্ষা দেয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

এই টিকা ডাক্তার বা নার্স জাতীয় সময়সূচি অনুযায়ী বাহুর মাংসপেশিতে বা চামড়ার ভেতরে (ইন্ট্রাডার্মাল) ইনজেকশন হিসেবে দেন। কয়টি ডোজ লাগবে এবং কোন কোন দিনে দেওয়া হবে, তা নির্ভর করে এটি আগাম সুরক্ষার জন্য নাকি কামড়ের পরের চিকিৎসার জন্য, এবং আগে টিকা নেওয়া আছে কিনা তার উপর। যেকোনো প্রাণীর কামড়ের পর ক্ষতস্থান সাবান ও প্রবহমান পানি দিয়ে প্রায় ১৫ মিনিট ধরে ভালোভাবে ধুয়ে সেদিনই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যান। সময়সূচির কোনো ডোজ বাদ দেবেন না বা দেরি করবেন না।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

যেসব ঔষধ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায়, যেমন উচ্চমাত্রার কর্টিকোস্টেরয়েড, ক্যান্সারের ঔষধ, ক্লোরোকুইন এবং অঙ্গ প্রতিস্থাপনের পর ব্যবহৃত ঔষধ, সেগুলো টিকার কার্যকারিতা কমাতে পারে; ডাক্তার প্রয়োজনে অ্যান্টিবডির মাত্রা পরীক্ষা করতে বা সময়সূচি বদলাতে পারেন। রেবিস ইমিউনোগ্লোবুলিন একই সিরিঞ্জে বা টিকার একই জায়গায় দেওয়া যাবে না। আপনি যেসব ঔষধ খান, সব স্বাস্থ্যকর্মীকে জানান।

কারা খাবেন না

জলাতঙ্কের ঝুঁকিপূর্ণ সংস্পর্শের পর টিকা না নেওয়ার কোনো কারণ নেই, কারণ জলাতঙ্ক প্রাণঘাতী। আগাম টিকার ক্ষেত্রে তীব্র জ্বর বা হঠাৎ গুরুতর অসুস্থতা থাকলে টিকা পিছিয়ে দেওয়া হয়, এবং আগের ডোজে বা টিকার কোনো উপাদানে মারাত্মক অ্যালার্জি হয়ে থাকলে এটি দেওয়া হয় না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা, লাল হওয়া, ফোলা বা চুলকানি, হালকা জ্বর, মাথাব্যথা, ক্লান্তি, পেশিতে ব্যথা, মাথা ঘোরা ও বমিভাব। এগুলো সাধারণত এক দুই দিনের মধ্যে সেরে যায়। কদাচিৎ চাকা চাকা ফুসকুড়ি, গাঁটে ব্যথা বা ফোলার মতো অ্যালার্জি হতে পারে।

টিকা নেওয়ার পর শ্বাসকষ্ট, মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, সারা শরীরে ফুসকুড়ি, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া, অথবা হাত পা দুর্বল বা অবশ লাগলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

সংস্পর্শের পর টিকা নিতে গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানো কোনো বাধা নয়, কারণ জলাতঙ্ক জীবনঘাতী। নিষ্ক্রিয় এই টিকা শিশুর ক্ষতি করে বলে দেখা যায়নি। গর্ভাবস্থায় আগাম টিকা নেওয়ার বিষয়ে ডাক্তার প্রকৃত ঝুঁকি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত দেবেন।

সতর্কতা

নির্ধারিত দিনে পুরো কোর্স শেষ করুন। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হলে, রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা থাকলে বা আগে জলাতঙ্কের টিকা নিয়ে থাকলে স্বাস্থ্যকর্মীকে জানান। অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া হয় কিনা দেখতে ইনজেকশনের পর ১৫ থেকে ৩০ মিনিট ক্লিনিকে অপেক্ষা করুন। কামড়ের পর ক্ষত ধোয়া ও চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে টিকা কাজ করে না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

টিকা স্বাস্থ্যকর্মীরা মেপে দেন, তাই মাত্রাতিরিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা কম। একটি অতিরিক্ত ডোজে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার বাইরে কোনো ক্ষতি আশা করা হয় না।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

টিকা (নিষ্ক্রিয় ভাইরাল টিকা)

সংরক্ষণ

ফ্রিজে ২ থেকে ৮°C তাপমাত্রায় রাখুন, জমাবেন না এবং আলো থেকে দূরে রাখুন। সাধারণত স্বাস্থ্যকেন্দ্রেই সংরক্ষণ করে দেওয়া হয়; প্যাকের নির্দেশনা মেনে চলুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Rabies Vaccine এর সব ব্র্যান্ড

Rabies Vaccine এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।