বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Sodate

Fusidic Acid

  • প্রস্তুতকারক Asiatic Laboratories Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • মলম

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Fusidic Acid 2 gm/100 gmমলমদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Fusidic Acid

ব্যবহার

  • ক্রিম ও মলম: জীবাণু, বিশেষ করে স্ট্যাফাইলোকক্কাস দিয়ে হওয়া ত্বকের সংক্রমণে, যেমন ইমপেটিগো, সংক্রমিত কাটা ও ক্ষত, ফোঁড়া ও সংক্রমিত একজিমা।
  • হাইড্রোকর্টিসোন বা বেটামেথাসোনের সাথে মিশ্রিত ক্রিম: সংক্রমিত একজিমার মতো প্রদাহযুক্ত সংক্রমিত ত্বকে, ডাক্তারের পরামর্শে।
  • চোখের ড্রপ: জীবাণুঘটিত কনজাংটিভাইটিসে (চোখ লাল, পিচুটি পড়া)।
  • খাওয়ার সাসপেনশন: হাড় বা ত্বকের মতো গুরুতর স্ট্যাফাইলোকক্কাল সংক্রমণে, ডাক্তারের পরামর্শে, সাধারণত অন্য অ্যান্টিবায়োটিকের সাথে।

কীভাবে কাজ করে

ফিউসিডিক অ্যাসিড একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা জীবাণুকে বাড়তে ও সংখ্যায় বাড়তে প্রয়োজনীয় প্রোটিন তৈরি করতে দেয় না। স্ট্যাফাইলোকক্কাস জীবাণুর বিরুদ্ধে এটি বিশেষভাবে কার্যকর।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • ক্রিম বা মলম: জায়গাটি ধুয়ে শুকিয়ে দিনে ৩ বা ৪ বার পাতলা করে লাগান, সাধারণত ৭ দিন পর্যন্ত। ডাক্তার না বললে ১০ দিনের বেশি ব্যবহার করবেন না, কারণ জীবাণু প্রতিরোধী হয়ে যেতে পারে।
  • স্টেরয়েডযুক্ত মিশ্রিত ক্রিম: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী, সাধারণত দিনে ২ বা ৩ বার, অল্প দিনের জন্য।
  • চোখের ড্রপ: সাধারণত আক্রান্ত চোখে দিনে দুবার ১ ফোঁটা, ৭ দিন; চোখ স্বাভাবিক দেখানোর পরও ২ দিন চালিয়ে যান।
  • খাওয়ার সাসপেনশন: ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী; শিশুদের মাত্রা ওজনের উপর নির্ভর করে।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

খাওয়ার ফিউসিডিক অ্যাসিড অ্যাটরভাস্ট্যাটিন, সিমভাস্ট্যাটিন বা রোসুভাস্ট্যাটিনের মতো স্ট্যাটিনের সাথে কখনো খাওয়া যাবে না; এতে মাংসপেশির মারাত্মক, কখনো প্রাণঘাতী ক্ষয় হতে পারে। চিকিৎসার সময় ও শেষ ডোজের পর ৭ দিন ডাক্তার স্ট্যাটিন বন্ধ রাখবেন। খাওয়ার ফিউসিডিক অ্যাসিড রিটোনাভির, সাকুইনাভির ও সাইক্লোস্পোরিনের মাত্রাও বাড়ায়। ক্রিম, মলম ও চোখের ড্রপের অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া জানা নেই।

কারা খাবেন না

ফিউসিডিক অ্যাসিড বা কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে। স্ট্যাটিনের সাথে খাওয়ার ফিউসিডিক অ্যাসিড (উপরে দেখুন)। ঠোঁটের ঘা বা জলবসন্তের মতো ভাইরাসজনিত ত্বকের সংক্রমণ, ছত্রাক সংক্রমণ বা ব্রণে স্টেরয়েডযুক্ত মিশ্রিত ক্রিম লাগানো যাবে না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ক্রিম ও মলম: লাগানোর জায়গায় হালকা চুলকানি, জ্বালা বা লাল হওয়া। চোখের ড্রপ: দেওয়ার পরপর অল্প সময় জ্বালা ও ঝাপসা দেখা। খাওয়ার ঔষধ: বমি বমি ভাব, পেটব্যথা, ডায়রিয়া এবং কম ক্ষেত্রে ত্বক হলুদ হওয়া।

মুখ, ঠোঁট বা চোখ ফুলে গেলে, শ্বাসকষ্ট হলে, র‍্যাশ ছড়িয়ে পড়লে বা ফোসকা পড়লে, অথবা খাওয়ার ঔষধে মাংসপেশিতে ব্যথা বা দুর্বলতা, গাঢ় প্রস্রাব বা ত্বক বা চোখ হলুদ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন। কয়েক দিনে সংক্রমণ না কমলে ডাক্তার দেখান।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

ক্রিম, মলম ও চোখের ড্রপ শরীরে খুব কম শোষিত হয়, তাই ডাক্তারের পরামর্শে গর্ভাবস্থায় ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ব্যবহার করা যায়। বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় স্তনে লাগাবেন না। খাওয়ার ফিউসিডিক অ্যাসিড গর্ভাবস্থায় শুধু খুব প্রয়োজন হলে ডাক্তারের পরামর্শে।

সতর্কতা

ক্রিম চোখে যেন না যায়। পরামর্শ ছাড়া শক্ত ব্যান্ডেজ দিয়ে ঢাকবেন না। চোখের ড্রপ দেওয়ার আগে নরম কন্টাক্ট লেন্স খুলে ফেলুন এবং চোখে সংক্রমণ থাকা পর্যন্ত লেন্স পরবেন না। খাওয়ার ঔষধ দীর্ঘদিন চললে লিভার পরীক্ষা দরকার।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি ক্রিম লাগালে বা অল্প গিলে ফেললে ক্ষতির সম্ভাবনা কম। খাওয়ার ঔষধ বেশি খেয়ে ফেললে ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

জীবাণুনাশক (ফিউসিডেন অ্যান্টিবায়োটিক)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ফ্রিজে জমাবেন না। চোখের ড্রপ খোলার ৪ সপ্তাহ পর ফেলে দিন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Fusidic Acid এর সব ব্র্যান্ড

Fusidic Acid এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।