ঔষধের ব্র্যান্ড

Soritin 25 mg Capsule

Acitretin

  • প্রস্তুতকারক Opsonin Pharma Limited
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ক্যাপসুল

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Acitretin 25 mgDGDA 025-1425-071ক্যাপসুল১০ x ১ ব্লিস্টার প্যাক৳৮৫প্রতি ইউনিট

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

Soritin 25 mg Capsule 25 mg · ক্যাপসুল · ৳৮৫ প্রতি ইউনিট

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Acitretin

ব্যবহার

অ্যাসিট্রেটিন গুরুতর সোরিয়াসিস (পাস্টুলার ও এরিথ্রোডার্মিক ধরনসহ) এবং ত্বক অস্বাভাবিকভাবে পুরু ও আঁশযুক্ত হওয়ার কিছু গুরুতর রোগে, যেমন ডেরিয়ার রোগ ও গুরুতর ইকথায়োসিস, অন্য চিকিৎসায় কাজ না হলে ব্যবহার করা হয়। চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ এটি প্রেসক্রাইব করেন।

কীভাবে কাজ করে

অ্যাসিট্রেটিন একটি রেটিনয়েড, অর্থাৎ ভিটামিন এ সম্পর্কিত ঔষধ। এটি ত্বকের কোষের অতিরিক্ত উৎপাদন ধীর করে এবং কোষগুলোকে স্বাভাবিকভাবে বাড়তে ও ঝরে পড়তে সাহায্য করে। ত্বকের প্রদাহও কমায়, ফলে পুরু আঁশযুক্ত দাগ পাতলা ও শান্ত হয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ যেভাবে প্রেসক্রাইব করেছেন ঠিক সেভাবে খাবেন। সাধারণত দিনে ১ বার ২৫ থেকে ৩০ mg খাবার বা দুধের সাথে শুরু করা হয় এবং সাড়া ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখে চিকিৎসক মাত্রা ঠিক করেন। পুরো উপকার পেতে ২ থেকে ৩ মাস লাগতে পারে। চিকিৎসার আগে ও চলাকালে লিভার ও রক্তের চর্বির পরীক্ষা করা হয়।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • মদ: নারীদের ক্ষেত্রে মদ অ্যাসিট্রেটিনকে দীর্ঘস্থায়ী এক পদার্থে (ইট্রেটিনেট) রূপান্তর করে; চিকিৎসার সময় ও পরের ২ মাস নারীদের মদ সম্পূর্ণ বর্জন করতে হবে।
  • মেথোট্রেক্সেট: লিভারের ক্ষতির ঝুঁকি বেশি, একসাথে নয়।
  • ডক্সিসাইক্লিন ও মিনোসাইক্লিনের মতো টেট্রাসাইক্লিন: মাথার ভেতরের চাপ বাড়ার ঝুঁকি, একসাথে নয়।
  • ভিটামিন এ সাপ্লিমেন্ট বা অন্য রেটিনয়েড: ভিটামিন এ বিষক্রিয়ার ঝুঁকি।
  • কম মাত্রার শুধু প্রোজেস্টোজেনযুক্ত পিল ঠিকমতো কাজ নাও করতে পারে; পরামর্শমতো নির্ভরযোগ্য জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করুন।

কারা খাবেন না

  • গর্ভবতী নারী, অথবা ঔষধ বন্ধের পর ৩ বছরের মধ্যে গর্ভধারণ করতে পারেন এবং নির্ভরযোগ্য জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করতে পারেন না এমন নারী।
  • স্তন্যদানকারী মা।
  • গুরুতর লিভার বা কিডনি রোগ থাকলে।
  • রক্তে চর্বি খুব বেশি থাকলে।
  • মেথোট্রেক্সেট বা টেট্রাসাইক্লিন খেলে।
  • অ্যাসিট্রেটিন বা অন্য রেটিনয়েডে অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ঠোঁট শুকিয়ে ফেটে যাওয়া, ত্বক শুষ্ক হওয়া, হাতের তালু ও পায়ের পাতার চামড়া ওঠা, চোখ ও নাক শুকনো লাগা, নাক দিয়ে রক্ত পড়া, চুল পাতলা হওয়া ও চুলকানি খুব সাধারণ। রক্তে চর্বি ও লিভার এনজাইম বেড়ে যাওয়া, গিঁট ও পেশিতে ব্যথা এবং রোদে সংবেদনশীলতাও হতে পারে।

বমিভাব, বমি বা ঝাপসা দেখার সাথে তীব্র মাথাব্যথা, ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া, গাঢ় প্রস্রাব, তীব্র পেটব্যথা, হঠাৎ মেজাজ বদল বা বিষণ্নতা, অথবা গুরুতর অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

অ্যাসিট্রেটিন গুরুতর জন্মগত ত্রুটি ঘটায়। গর্ভধারণে সক্ষম নারীদের শুরু করার আগে গর্ভাবস্থা পরীক্ষা নেগেটিভ হতে হবে, শুরুর ১ মাস আগে থেকে, পুরো চিকিৎসাকালে এবং বন্ধের পর ৩ বছর কার্যকর জন্মনিয়ন্ত্রণ ব্যবহার করতে হবে, এবং চিকিৎসার সময় ও পরের ২ মাস মদ খাওয়া যাবে না। বুকের দুধ খাওয়াবেন না। চিকিৎসার সময় ও পরের ৩ বছর রক্তদান করবেন না।

সতর্কতা

নিয়মিত লিভার ও রক্তের চর্বি পরীক্ষা দরকার। কড়া রোদ ও সানবেড এড়িয়ে চলুন, সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন। কন্টাক্ট লেন্স অস্বস্তিকর লাগতে পারে। রাতে দেখার ক্ষমতা কমতে পারে, রাতে গাড়ি চালাতে সাবধান থাকুন। ডায়াবেটিস থাকলে রক্তে সুগার নিয়ন্ত্রণ বদলাতে পারে, সাবধানে ব্যবহার করুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, বমি, ঝিমুনি ও অতিরিক্ত ভিটামিন এ এর অন্যান্য লক্ষণ হতে পারে। চিকিৎসা নিন। নারীদের ক্ষেত্রে মাত্রাতিরিক্ত সেবনের পর গর্ভাবস্থা পরীক্ষা করা উচিত।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

সিস্টেমিক রেটিনয়েড; সোরিয়াসিসরোধী ঔষধ।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Acitretin এর সব ব্র্যান্ড

Acitretin এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।