বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Theramox

Acetazolamide

  • প্রস্তুতকারক Theraputics (BD) Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Acetazolamide 250 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Acetazolamide

ব্যবহার

অ্যাসিটাজোলামাইড গ্লুকোমায় চোখের ভেতরের বাড়তি চাপ কমাতে (চোখের অপারেশনের আগে স্বল্প সময়ের ব্যবহারসহ), পাহাড়ি উচ্চতাজনিত অসুস্থতা (অল্টিটিউড সিকনেস) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়, কিছু ধরনের মৃগীরোগে সহায়ক ঔষধ হিসেবে এবং কখনো কখনো শরীরে পানি জমা (ইডিমা) বা মস্তিষ্কের চারপাশের চাপ বৃদ্ধি (ইডিওপ্যাথিক ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হাইপারটেনশন) কমাতে ব্যবহৃত হয়।

কীভাবে কাজ করে

অ্যাসিটাজোলামাইড কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ নামের একটি এনজাইমকে বাধা দেয়। চোখে এটি ভেতরের তরল তৈরি কমায়, ফলে চোখের চাপ কমে। কিডনিতে এটি প্রস্রাবের সাথে বাইকার্বনেট, সোডিয়াম ও পানি বের হওয়া বাড়ায়, ফলে রক্ত সামান্য অম্লীয় হয়। এতে শ্বাস-প্রশ্বাস উদ্দীপিত হয় এবং শরীর উঁচু জায়গার সাথে মানিয়ে নিতে পারে; মস্তিষ্কের অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপও কিছুটা শান্ত হতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • গ্লুকোমা (প্রাপ্তবয়স্ক): সাধারণত ২৫০ mg দিনে ১ থেকে ৪ বার, অথবা চক্ষু বিশেষজ্ঞের নির্দেশমতো।
  • অল্টিটিউড সিকনেস প্রতিরোধ (প্রাপ্তবয়স্ক): সাধারণত ১২৫ mg দিনে ২ বার, ওঠার ১ দিন আগে শুরু করে সর্বোচ্চ উচ্চতায় পৌঁছানোর পর ২ দিন পর্যন্ত, অথবা চিকিৎসকের নির্দেশমতো।
  • মৃগীরোগ, ইন্ট্রাক্রেনিয়াল হাইপারটেনশন, ইডিমা ও শিশুদের ক্ষেত্রে: চিকিৎসকের নির্দেশমতো।

পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে খান এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন। ইনজেকশন চিকিৎসক বা নার্স দেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • উচ্চমাত্রার অ্যাসপিরিন: গুরুতর বিষক্রিয়া হতে পারে।
  • অন্য প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ ও কর্টিকোস্টেরয়েড: পটাশিয়াম কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • ফেনিটোইন, কার্বামাজেপিন ও প্রিমিডোন: রক্তে মাত্রা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বদলে যেতে পারে।
  • লিথিয়াম: মাত্রা কমে যেতে পারে।
  • মেটফরমিন: ল্যাকটিক অ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।
  • টপিরামেট: কিডনিতে পাথর ও অ্যাসিডোসিসের ঝুঁকি বাড়ে।

কারা খাবেন না

  • অ্যাসিটাজোলামাইড বা সালফোনামাইড (সালফা) জাতীয় ঔষধে অ্যালার্জি থাকলে।
  • রক্তে সোডিয়াম বা পটাশিয়াম কম থাকলে, অথবা অ্যাসিডোসিসসহ ক্লোরাইড বেশি থাকলে।
  • সিরোসিসসহ গুরুতর কিডনি বা লিভারের রোগ থাকলে।
  • অ্যাড্রিনাল গ্রন্থির অকার্যকারিতা (অ্যাডিসন্স ডিজিজ) থাকলে।
  • অ্যাঙ্গেল-ক্লোজার গ্লুকোমায় দীর্ঘমেয়াদে (শুধু অপারেশনের আগে স্বল্প সময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়)।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে আছে হাত-পায়ের আঙুল ও মুখের চারপাশে ঝিনঝিন ভাব, বেশি প্রস্রাব, স্বাদের পরিবর্তন (কোমল পানীয় পানসে লাগতে পারে), ক্ষুধামান্দ্য, বমিভাব, ক্লান্তি ও ঝিমুনি। দীর্ঘদিন ব্যবহারে কিডনিতে পাথর ও পটাশিয়াম কমে যেতে পারে। কদাচিৎ গুরুতর ত্বকের প্রতিক্রিয়া, রক্তের সমস্যা বা লিভারের সমস্যা হতে পারে।

ফোসকা পড়া বা চামড়া উঠে যাওয়া ফুসকুড়ি, গলা ব্যথা বা মুখে ঘাসহ জ্বর, অস্বাভাবিক কালশিটে বা রক্তপাত, ত্বক বা চোখ হলুদ হওয়া, প্রস্রাবে রক্তসহ পিঠ বা পাঁজরে তীব্র ব্যথা, বিভ্রান্তি বা দ্রুত গভীর শ্বাস দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায়, বিশেষ করে প্রথম তিন মাসে, এড়িয়ে চলুন, যদি না চিকিৎসক মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি। সামান্য পরিমাণ বুকের দুধে যায়: স্তন্যদানকালে কেবল চিকিৎসকের পরামর্শে ব্যবহার করুন।

সতর্কতা

  • দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে রক্তের কণিকা ও লবণের মাত্রা পরীক্ষার দরকার হতে পারে।
  • বয়স্ক, ডায়াবেটিস, গেঁটেবাত এবং COPD এর মতো ফুসফুসের রোগে সাবধানে ব্যবহার করুন।
  • ঝিমুনি হতে পারে: গাড়ি চালানোর সময় সতর্ক থাকুন।
  • অল্টিটিউড সিকনেসে ঔষধ ধীরে ওঠার বিকল্প নয়। উপসর্গ বাড়লে নিচে নেমে আসুন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবনে তীব্র ঝিনঝিন ভাব, ঝিমুনি, বিভ্রান্তি, পটাশিয়াম কমে যাওয়া ও রক্তে অ্যাসিড জমা হতে পারে। দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

কার্বনিক অ্যানহাইড্রেজ ইনহিবিটর (গ্লুকোমারোধী ও মূত্রবর্ধক)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনজেকশন: প্যাকে দেওয়া নির্দেশনা অনুযায়ী।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Acetazolamide এর সব ব্র্যান্ড

Acetazolamide এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।