Naproxen
কী কাজে ব্যবহার হয়
ন্যাপ্রোক্সেন একটি নন-স্টেরয়েডাল প্রদাহনাশক ঔষধ (NSAID)। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, অস্টিওআর্থ্রাইটিস ও অ্যাংকাইলোজিং স্পন্ডিলাইটিসে ব্যথা, ফোলা ও শক্ত হয়ে যাওয়া কমায়। মাসিকের ব্যথা, গেঁটেবাতের আক্রমণ এবং মাংসপেশি ও জোড়ার আঘাতেও ব্যবহার হয়।
কীভাবে খাবেন
প্রাপ্তবয়স্করা সাধারণত দিনে দুইবার 250 mg থেকে 500 mg খাবারের সাথে বা ঠিক পরে খান। ডাক্তার না বললে দিনে 1,000 mg এর বেশি খাবেন না (গেঁটেবাতের আক্রমণে কয়েকদিন বেশি মাত্রা দেওয়া হতে পারে)। এক গ্লাস পানি দিয়ে ট্যাবলেট আস্ত গিলে খান। যত কম মাত্রায় ও যত কম সময় দরকার, ততটুকুই খান।
কারা খাবেন না
ন্যাপ্রোক্সেন, অ্যাসপিরিন বা অন্য NSAID এ এলার্জি থাকলে (যেমন এগুলোতে হাঁপানি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা ফোলা হয়ে থাকলে), পাকস্থলীর আলসার বা রক্তক্ষরণ থাকলে বা আগে হয়ে থাকলে, গুরুতর হার্ট ফেইলিউর, গুরুতর কিডনি বা লিভারের রোগ থাকলে, এবং গর্ভাবস্থার শেষ 3 মাসে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ: বদহজম, বুক জ্বালা, পেট ব্যথা, বমিভাব, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা এবং গোড়ালি হালকা ফোলা। কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা, রক্তবমি, বুকে ব্যথা, শরীরের একপাশ হঠাৎ দুর্বল হওয়া, শ্বাসকষ্ট বা গুরুতর র্যাশ হলে ঔষধ বন্ধ করে সাথে সাথে চিকিৎসা নিন।
সতর্কতা
NSAID পাকস্থলীতে রক্তক্ষরণ, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়াতে পারে, বিশেষ করে বেশি মাত্রায় বা দীর্ঘদিন খেলে। বয়স 65 এর বেশি হলে, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, হাঁপানি বা কিডনির সমস্যা থাকলে আগে ডাক্তারের সাথে কথা বলুন।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
ডাক্তার না বললে গর্ভাবস্থায় খাবেন না, এবং 20 সপ্তাহের পর ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া একেবারেই খাবেন না। স্তন্যদানের সময় খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
অন্য NSAID বা নিয়মিত অ্যাসপিরিনের সাথে খাবেন না। ওয়ারফারিনের মতো রক্ত পাতলা করার ঔষধ, স্টেরয়েড, বিষণ্ণতার ঔষধ (SSRI), রক্তচাপের ঔষধ, প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ, লিথিয়াম বা মেথোট্রেক্সেট খেলে ডাক্তারকে জানান।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ঔষধ আলো ফার্মেসি টিম যাচাই করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
Naproxen এর সব ব্র্যান্ড