বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

Tinizol DS

Tinidazole

  • প্রস্তুতকারক Beacon Pharmaceuticals PLC
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

Tinidazole 1 gmট্যাবলেট৳৫.৭০প্রতি ইউনিটবাজার দর

ঔষধটি সম্পর্কে

Tinidazole

ব্যবহার

টিনিডাজল একটি অ্যান্টিবায়োটিক ও পরজীবীনাশক ঔষধ। এটি ট্রাইকোমোনিয়াসিস (যৌনবাহিত সংক্রমণ), জিয়ার্ডিয়াসিস (ডায়রিয়া সৃষ্টিকারী অন্ত্রের সংক্রমণ), অ্যামিবিক আমাশয় ও লিভারের অ্যামিবিক ফোড়া, ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিস এবং অক্সিজেন ছাড়া বাঁচে এমন (অ্যানারোবিক) জীবাণুর সংক্রমণে ব্যবহৃত হয়। পাকস্থলীর ঘায়ে হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি দূর করতে অন্য ঔষধের সাথে এবং কিছু অপারেশনের পর সংক্রমণ প্রতিরোধেও দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

টিনিডাজল জীবাণুর ভেতরে ঢুকে সক্রিয় রূপে বদলে যায় এবং তার ডিএনএ নষ্ট করে। ফলে ব্যাকটেরিয়া বা পরজীবী বাড়তে পারে না এবং মারা যায়। এটি নির্দিষ্ট কিছু ব্যাকটেরিয়া ও পরজীবীর বিরুদ্ধে কাজ করে, ভাইরাসের বিরুদ্ধে নয়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবারের সাথে বা পরে খান। প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারণ মাত্রা: ট্রাইকোমোনিয়াসিস ও জিয়ার্ডিয়াসিসে একবারে ২ g (যৌনসঙ্গীরও একই সময়ে চিকিৎসা প্রয়োজন); অ্যামিবিক আমাশয়ে দিনে ১ বার ২ g করে ৩ দিন; লিভারের অ্যামিবিক ফোড়ায় দিনে ১ বার ২ g করে ৩ থেকে ৫ দিন; ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজিনোসিসে দিনে ১ বার ২ g করে ২ দিন বা চিকিৎসকের নির্দেশমতো। শিশুদের মাত্রা ওজন অনুযায়ী চিকিৎসক ঠিক করবেন। পুরো কোর্স শেষ করুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • মদ: মুখ লাল হওয়া, বমি, পেটে মোচড়, মাথাব্যথা ও বুক ধড়ফড় হতে পারে। চিকিৎসার সময় ও শেষ মাত্রার পর ৩ দিন মদ্যপান করবেন না।
  • ডাইসালফিরাম: ডাইসালফিরাম খাওয়ার ২ সপ্তাহের মধ্যে টিনিডাজল খাবেন না।
  • ওয়ারফারিন: রক্তপাতের ঝুঁকি বাড়ে, রক্ত পরীক্ষা লাগতে পারে।
  • লিথিয়াম, ফেনিটোইন, ফ্লুরোইউরাসিল, সাইক্লোস্পোরিন ও ট্যাক্রোলিমাস: এদের মাত্রা বাড়তে পারে।
  • সিমেটিডিন, কিটোকোনাজল, রিফামপিসিন ও ফেনোবারবিটাল টিনিডাজলের মাত্রা বদলাতে পারে।

কারা খাবেন না

  • টিনিডাজল, মেট্রোনিডাজল বা অন্য নাইট্রোইমিডাজলে অ্যালার্জি থাকলে।
  • গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাসে।
  • বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় (চিকিৎসার সময় ও পরের ৩ দিন)।
  • রক্তের রোগ বা মস্তিষ্ক ও স্নায়ুর সক্রিয় রোগ থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

মুখে ধাতব বা তেতো স্বাদ, বমিভাব, ক্ষুধামন্দা, পেটের অস্বস্তি, মাথাব্যথা, ক্লান্তি ও মাথা ঘোরা বেশি দেখা যায়। প্রস্রাব গাঢ় রঙের হতে পারে, এটি ক্ষতিকর নয়।

খিঁচুনি, হাত বা পায়ে অবশ ভাব বা ঝিনঝিন, বিভ্রান্তি, তীব্র চর্মরোগ বা ফোসকা, মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া অথবা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাসে খাবেন না। পরের সময়ে চিকিৎসক একান্ত প্রয়োজন মনে করলে তবেই ব্যবহার করা যাবে। টিনিডাজল বুকের দুধে যায়; চিকিৎসার সময় ও শেষ মাত্রার পর ৩ দিন বুকের দুধ খাওয়ানো বন্ধ রাখুন।

সতর্কতা

লিভারের রোগ থাকলে সাবধানে ব্যবহার করুন। স্নায়ুর কোনো উপসর্গ দেখা দিলে ঔষধ বন্ধ করে চিকিৎসকের কাছে যান। দীর্ঘ বা বারবার কোর্সে রক্তকণিকা পরীক্ষা লাগতে পারে। মাথা ঘোরা হতে পারে, তাই গাড়ি চালাতে সাবধান থাকুন। চিকিৎসার পর যোনিপথে ছত্রাক সংক্রমণ হতে পারে।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেলে তীব্র বমিভাব, বমি, মাথা ঘোরা বা স্নায়ুর উপসর্গ হতে পারে। নির্দিষ্ট প্রতিষেধক নেই; সহায়ক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের কাছে যান।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

নাইট্রোইমিডাজল অ্যান্টিবায়োটিক ও পরজীবীনাশক।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Tinidazole এর সব ব্র্যান্ড

Tinidazole এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।