ঔষধের ব্র্যান্ড

Troniz

Ornidazole

  • প্রস্তুতকারক Unimed Unihealth Pharmaceuticals Ltd.
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Ornidazole 500 mgট্যাবলেট১০'s Strip৳৬৫স্ট্রিপ (১০টি)প্রতি ইউনিট: ৳৬.৫০বাজার দর

কম দামের বিকল্প

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরন, অন্য কোম্পানির। সবচেয়ে কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১২

ঔষধটি সম্পর্কে

Ornidazole

ব্যবহার

কিছু পরজীবী ও অ্যানঅ্যারোবিক ব্যাকটেরিয়া (যে জীবাণু অক্সিজেন ছাড়া বাড়ে) দিয়ে হওয়া সংক্রমণে অরনিডাজল ব্যবহার হয়, যেমন:

  • অ্যামিবিয়াসিস, যেমন আমাশয় ও লিভারে অ্যামিবিক ফোড়া;
  • জিয়ার্ডিয়াসিস (পাতলা পায়খানা, গ্যাস ও পেট ফাঁপা ঘটায় এমন অন্ত্রের সংক্রমণ);
  • নারী ও পুরুষের ট্রাইকোমোনিয়াসিস (যৌনবাহিত সংক্রমণ);
  • ডাক্তারের সিদ্ধান্তে অ্যানঅ্যারোবিক সংক্রমণ এবং কিছু অস্ত্রোপচারের সময় সংক্রমণ প্রতিরোধে।

কীভাবে কাজ করে

অরনিডাজল নাইট্রোইমিডাজল শ্রেণির ঔষধ। পরজীবী বা ব্যাকটেরিয়ার ভেতরে এটি সক্রিয় রূপে বদলে জীবাণুর DNA নষ্ট করে, ফলে জীবাণু মারা যায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • আমাশয়, প্রাপ্তবয়স্ক: দিনে একবারে ১.৫ g করে ৩ দিন, অথবা দিনে ২ বার ৫০০ mg করে ৫ থেকে ১০ দিন, প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী।
  • জিয়ার্ডিয়াসিস, প্রাপ্তবয়স্ক: দিনে একবার ১.৫ g করে ১ বা ২ দিন, প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী।
  • ট্রাইকোমোনিয়াসিস, প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত একবারে ১.৫ g; যৌনসঙ্গীরও একই সময়ে চিকিৎসা নেওয়া উচিত।
  • অ্যানঅ্যারোবিক সংক্রমণ, লিভারের ফোড়া ও অস্ত্রোপচার: প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী। ইনজেকশন হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স দেন।
  • শিশু: ওজন অনুযায়ী, প্রেসক্রিপশন মতো।

ট্যাবলেট খাবারের পরে পানি দিয়ে খান। ভালো লাগলেও পুরো কোর্স শেষ করুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

অরনিডাজল ওয়ারফারিন ও অন্যান্য কুমারিন জাতীয় রক্ত পাতলা করার ঔষধের প্রভাব বাড়াতে পারে, তাই রক্ত পরীক্ষা ও মাত্রা বদল লাগতে পারে। অস্ত্রোপচারের সময় পেশি শিথিলকারী ভেকুরোনিয়ামের প্রভাব দীর্ঘ করতে পারে। কিছু ঔষধ (যেমন ফেনোবারবিটাল) এর কার্যকারিতা কমাতে পারে। নিরাপদ থাকতে চিকিৎসার সময় ও পরে অন্তত ১ দিন অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুন। আপনি যে সব ঔষধ খান, ডাক্তারকে জানান।

কারা খাবেন না

  • অরনিডাজল বা অন্য নাইট্রোইমিডাজলে (যেমন মেট্রোনিডাজল বা টিনিডাজল) এলার্জি থাকলে
  • মস্তিষ্ক বা স্নায়ুর রোগ, যেমন মৃগীরোগ বা মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস থাকলে, ডাক্তার অন্য সিদ্ধান্ত না নিলে
  • রক্তের রোগ বা আগে শ্বেত রক্তকণিকা কমে যাওয়ার ইতিহাস থাকলে
  • গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাসে, একান্ত প্রয়োজন না হলে

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: বমি বমি ভাব, বমি, পেটের অস্বস্তি, মুখে তেতো বা ধাতব স্বাদ, মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা ও ঝিমুনি। কম ক্ষেত্রে: র‍্যাশ, চুলকানি, ক্লান্তি ও রক্তকণিকার পরিবর্তন।

কদাচিৎ স্নায়ুর ওপর প্রভাব পড়ে, যেমন হাত-পায়ে ঝিনঝিন বা অবশ ভাব, কাঁপুনি, বিভ্রান্তি বা খিঁচুনি।

এগুলো হলে ঔষধ বন্ধ করে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা নিন: খিঁচুনি, অবশ বা ঝিনঝিন ভাব, তীব্র মাথা ঘোরা বা ভারসাম্য হারানো, বিভ্রান্তি, মুখ বা গলা ফোলা, শ্বাসকষ্ট, বা গুরুতর র‍্যাশ।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থার প্রথম ৩ মাসে এড়িয়ে চলুন। পরের দিকে শুধু তখনই ব্যবহার করুন, যখন ডাক্তার মনে করেন উপকার ঝুঁকির চেয়ে বেশি। অরনিডাজল বুকের দুধে যায়; চিকিৎসার সময় ডাক্তার বুকের দুধ খাওয়ানো সাময়িক বন্ধ রাখার পরামর্শ দিতে পারেন।

সতর্কতা

  • লিভারের রোগে বাড়তি সাবধানতা দরকার; মাত্রা বদলাতে হতে পারে।
  • দীর্ঘ কোর্সে ডাক্তার রক্তকণিকা পরীক্ষা করতে পারেন।
  • ঝিমুনি বা মাথা ঘোরা হতে পারে; এমন হলে গাড়ি বা যন্ত্র চালাবেন না।
  • অবশ ভাব, ঝিনঝিন বা ভারসাম্যহীনতা টের পেলে ঔষধ বন্ধ করে ডাক্তার দেখান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি খেয়ে ফেললে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া তীব্র হতে পারে, যেমন বমি, মাথা ঘোরা, ঝিমুনি, অবশ ভাব, বিভ্রান্তি বা খিঁচুনি। ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন বা হাসপাতালে যান; লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়া হয়।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

পরজীবীরোধী ও ব্যাকটেরিয়ারোধী ঔষধ (নাইট্রোইমিডাজল)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Ornidazole এর সব ব্র্যান্ড

Ornidazole এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।