Atorvastatin
কী কাজে ব্যবহার হয়
অ্যাটরভাস্টাটিন একটি স্ট্যাটিন। এটি ক্ষতিকর LDL কোলেস্টেরল ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমায় এবং হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়, বিশেষ করে ডায়াবেটিস, হার্টের রোগ বা অন্য ঝুঁকি থাকলে।
কীভাবে খাবেন
সাধারণত দিনে একবার 10 mg থেকে 20 mg, দিনের যেকোনো সময়, খাবারের আগে বা পরে। ডাক্তার 80 mg পর্যন্ত দিতে পারেন। স্বাস্থ্যকর খাবার ও ব্যায়ামের সাথে দীর্ঘদিন খেতে থাকুন।
কারা খাবেন না
অ্যাটরভাস্টাটিনে এলার্জি, সক্রিয় লিভারের রোগ, গর্ভাবস্থা বা স্তন্যদান, অথবা হেপাটাইটিস সি এর ঔষধ গ্লেকাপ্রেভির ও পিব্রেন্টাসভির খেলে খাবেন না।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণ: পেশি বা গিঁটে ব্যথা, পেটের অস্বস্তি, মাথাব্যথা ও লিভার পরীক্ষায় পরিবর্তন। কদাচিৎ পেশির গুরুতর ক্ষতি হতে পারে: কারণ ছাড়া পেশিতে ব্যথা বা দুর্বলতা, বিশেষ করে জ্বর বা গাঢ় রঙের প্রস্রাবসহ হলে ঔষধ বন্ধ করে ডাক্তার দেখান। এটি রক্তের সুগার সামান্য বাড়াতে পারে।
সতর্কতা
ডাক্তার লিভারের পরীক্ষা করতে পারেন। বেশি অ্যালকোহল পান করলে, কিডনি বা থাইরয়েডের রোগ থাকলে, বা আগে স্ট্যাটিনে পেশির সমস্যা হয়ে থাকলে ডাক্তারকে জানান।
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদান
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানের সময় খাবেন না। গর্ভবতী হলে বন্ধ করে ডাক্তার দেখান।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন, ইট্রাকোনাজল, কিছু HIV ও হেপাটাইটিস সি এর ঔষধ, সাইক্লোস্পোরিন, জেমফাইব্রোজিল ও ফিউসিডিক এসিড পেশির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। বেশি পরিমাণ গ্রেপফ্রুটের রস এড়িয়ে চলুন।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায় এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ঔষধ আলো ফার্মেসি টিম যাচাই করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।
Atorvastatin এর সব ব্র্যান্ড