জেনেরিক ঔষধ

L-Arginine Hcl

  • 5 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 5 টি কোম্পানি

ব্যবহার

এল-আর্জিনিন হাইড্রোক্লোরাইড হলো আর্জিনিন নামের একটি অ্যামিনো অ্যাসিডের রূপ। শরীর এটি দিয়ে প্রোটিন তৈরি করে এবং নাইট্রিক অক্সাইড বানায়, যা রক্তনালিকে শিথিল রাখতে সাহায্য করে। এটি হাসপাতালে পুষ্টির জন্য দেওয়া অ্যামিনো অ্যাসিড ইনজেকশনে, পুষ্টি সাপ্লিমেন্টে (পুরুষের প্রজনন স্বাস্থ্য বা সাধারণ সুস্থতার জন্য কিছু পণ্যসহ) এবং কিছু চুল ও ত্বকের পণ্যে থাকে। হাসপাতালে কিছু বিপাকজনিত সমস্যায়, যেমন ইউরিয়া চক্রের কিছু রোগ বা রক্তে অতিরিক্ত ক্ষার (মেটাবলিক অ্যালকালোসিস), এটি ব্যবহার করা হতে পারে।

কীভাবে কাজ করে

আর্জিনিন প্রোটিনের একটি উপাদান এবং ইউরিয়া চক্রের মাধ্যমে শরীর থেকে অ্যামোনিয়া বের করতে সাহায্য করে। এটি থেকে নাইট্রিক অক্সাইড তৈরি হয়, যা রক্তনালি প্রশস্ত করে রক্তপ্রবাহে সহায়তা করে। রক্তসঞ্চালন, শুক্রাণু তৈরি ও ক্ষত সারাতে সাহায্যের আশায় সাপ্লিমেন্ট নেওয়া হয়, তবে এসব ব্যবহারের অনেকগুলোর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ সীমিত।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মুখে খাওয়ার সাপ্লিমেন্ট: লেবেলের নির্দেশনা বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী পানি দিয়ে, পেটের অস্বস্তি কমাতে খাবারের পরে খান। চুল বা ত্বকের পণ্য: প্যাকের নির্দেশনা অনুযায়ী লাগান। ইনজেকশন ও স্যালাইন হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স দেন; রোগ ও রক্তপরীক্ষা দেখে ডাক্তার মাত্রা ঠিক করেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ ও নাইট্রেট (যেমন গ্লিসারিল ট্রাইনাইট্রেট): রক্তচাপ বেশি কমে যেতে পারে।
  • সিলডেনাফিল, টাডালাফিল ও এ ধরনের ঔষধ: রক্তচাপ আরও কমতে পারে।
  • পটাশিয়াম-ধরে-রাখা ডাইইউরেটিক (যেমন স্পাইরোনোল্যাকটোন) ও এসিই ইনহিবিটর: ইনজেকশনের সাথে রক্তে পটাশিয়াম বাড়তে পারে।
  • ডায়াবেটিসের ঔষধ: রক্তে শর্করার মাত্রায় প্রভাব পড়তে পারে।

কারা খাবেন না

আর্জিনিন বা পণ্যের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার করবেন না। সম্প্রতি হার্ট অ্যাটাক হয়ে থাকলে ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া সাপ্লিমেন্ট নেবেন না। গুরুতর কিডনি রোগ, রক্তে উচ্চ পটাশিয়াম বা আর্জিনেজ ঘাটতি নামের বিরল জন্মগত রোগ থাকলে তত্ত্বাবধান ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

  • বমিভাব, পেট কামড়ানো, পেট ফাঁপা বা ডায়রিয়া।
  • মাথাব্যথা বা মুখ লাল হয়ে যাওয়া।
  • রক্তচাপ কমে মাথা ঘোরা।
  • ইনজেকশনে: স্যালাইনের জায়গায় জ্বালা, রক্তে পটাশিয়াম বা অম্লতা বেড়ে যাওয়া।

মুখ বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাসকষ্ট, বুকে ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা হৃৎস্পন্দন খুব ধীর বা অনিয়মিত হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

আর্জিনিন সাধারণ খাবারেই থাকে, তবে গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় উচ্চ মাত্রার সাপ্লিমেন্ট নিয়ে যথেষ্ট গবেষণা নেই। ডাক্তার পরামর্শ দিলে তবেই ব্যবহার করুন।

সতর্কতা

হৃদরোগ, নিম্ন রক্তচাপ, কিডনি বা লিভারের রোগ, ডায়াবেটিস, হাঁপানি বা ঠোঁটে জ্বরঠোসা (হারপিস) হওয়ার ইতিহাস থাকলে ডাক্তারকে জানান, কারণ কারও কারও ক্ষেত্রে আর্জিনিন হারপিস বাড়াতে পারে। পরিকল্পিত অপারেশনের প্রায় ২ সপ্তাহ আগে সাপ্লিমেন্ট বন্ধ রাখুন, যদি না ডাক্তার অন্য কিছু বলেন।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি পরিমাণে নিলে তীব্র ডায়রিয়া, রক্তচাপ কমে যাওয়া এবং ইনজেকশনের ক্ষেত্রে রক্তে পটাশিয়াম ও অম্লতার বিপজ্জনক পরিবর্তন হতে পারে। বেশি নেওয়া হয়ে গেলে চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যামিনো অ্যাসিড; পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে, শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনজেকশন প্যাকের নির্দেশনা অনুযায়ী সংরক্ষণ করুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

L-Arginine Hcl যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

5 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।