বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Myo-inositol

  • 7 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 6 টি কোম্পানি

ব্যবহার

মায়ো-ইনোসিটল একটি পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট, যা ভিটামিন বি পরিবারের সাথে সম্পর্কিত চিনির মতো একটি উপাদান। মূলত পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোমে (পিসিওএস) আক্রান্ত নারীদের মাসিক নিয়মিত করা, ডিম্বস্ফোটনে সহায়তা ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে এটি ব্যবহার হয়। কখনো এটি ডি-কাইরো-ইনোসিটল ও ফলিক অ্যাসিডের সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়। বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসায় ডিম্বাণুর মান উন্নত করতে এবং চিকিৎসকের পরামর্শে গর্ভাবস্থায় রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হিসেবেও এটি ব্যবহার করা হয়। এটি চিকিৎসার বিকল্প নয়।

কীভাবে কাজ করে

মায়ো-ইনোসিটল ফল, ডাল, শস্য ও বাদামে প্রাকৃতিকভাবে থাকে এবং শরীরও এটি তৈরি করে। এটি কোষের ভেতরে ইনসুলিন ও ডিম্বাশয় নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন, যেমন এফএসএইচ, এর বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করে। পিসিওএসে শরীর প্রায়ই ইনসুলিনে ঠিকমতো সাড়া দেয় না, ফলে পুরুষ হরমোন বাড়ে ও ডিম্বস্ফোটন ব্যাহত হয়। মায়ো-ইনোসিটল কোষকে ইনসুলিনে ভালোভাবে সাড়া দিতে সাহায্য করে, যা ইনসুলিন ও পুরুষ হরমোনের মাত্রা কমিয়ে নিয়মিত ডিম্বস্ফোটন ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

লেবেলের নির্দেশনা বা চিকিৎসকের পরামর্শমতো খান। পিসিওএসে প্রচলিত মাত্রা দিনে দুইবার ২ g (দিনে মোট ৪ g), সাধারণত পাউডার পানিতে গুলে বা ট্যাবলেট হিসেবে; ফল বুঝতে অন্তত ৩ মাস খাওয়া হয়। মিশ্র পণ্যে ডি-কাইরো-ইনোসিটলের সাথে নির্দিষ্ট অনুপাত থাকে; প্যাকেটের নির্দেশনা মেনে চলুন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

মেটফরমিন বা ইনসুলিনের মতো ডায়াবেটিসের ঔষধের শর্করা কমানোর প্রভাব এটি বাড়াতে পারে; এগুলো খেলে রক্তের শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন। অন্য কোনো গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া ভালোভাবে জানা নেই। বিশেষ করে বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসার সময় সব ঔষধ ও সাপ্লিমেন্টের কথা চিকিৎসককে জানান।

কারা খাবেন না

  • মায়ো-ইনোসিটল বা পণ্যের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ মাত্রায় সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। বেশি মাত্রায় বমিভাব, গ্যাস, পাতলা পায়খানা, পেটে অস্বস্তি, ক্লান্তি, মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরা হতে পারে।

মুখ বা গলা ফোলা বা শ্বাসকষ্টসহ অ্যালার্জি, অথবা বিভ্রান্তি বা অজ্ঞান হওয়ার মতো রক্তে শর্করা খুব কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় মায়ো-ইনোসিটল নিয়ে গবেষণা হয়েছে এবং সাধারণ মাত্রায় এটি সাধারণত নিরাপদ ধরা হয়, তবে গর্ভাবস্থা বা বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শুধু চিকিৎসকের পরামর্শে খান।

সতর্কতা

  • সাপ্লিমেন্ট শুরুর আগে পিসিওএস ও অনিয়মিত মাসিকের জন্য চিকিৎসকের পরীক্ষা জরুরি।
  • ডায়াবেটিস রোগীরা রক্তের শর্করা পর্যবেক্ষণ করুন।
  • বাইপোলার ডিসঅর্ডার থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন, কারণ বেশি মাত্রা মেজাজে প্রভাব ফেলতে পারে।
  • পিসিওএসে স্বাস্থ্যকর খাবার, ব্যায়াম ও ওজন নিয়ন্ত্রণের বিকল্প এটি নয়।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

নির্দেশিত মাত্রার বেশি খেলে পেটে অস্বস্তি ও ডায়রিয়া হতে পারে। গুরুতর বিষক্রিয়া আশা করা হয় না; উপসর্গ বিরক্তিকর হলে চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করুন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

পুষ্টি সাপ্লিমেন্ট; পিসিওএসে ব্যবহৃত ইনসুলিন সংবেদনশীলতা বাড়ানোর উপাদান।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো ও আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। স্যাশে ও পাত্রের মুখ ভালোভাবে বন্ধ রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Myo-inositol এর ব্র্যান্ড

1 টি ব্র্যান্ড

Myo-inositol যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

6 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।