বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

জেনেরিক ঔষধ

Pottassium

  • 95 টি ব্র্যান্ড বাংলাদেশে নিবন্ধিত
  • 77 টি কোম্পানি

ব্যবহার

পটাশিয়াম শরীরের একটি অপরিহার্য খনিজ ও লবণ (ইলেকট্রোলাইট)। ঔষধে এটি পাওয়া যায়:

  • অনেক মাল্টিভিটামিন ও মাল্টিমিনারেল সাপ্লিমেন্টের ছোট একটি উপাদান হিসেবে, সাধারণ পুষ্টির ঘাটতি পূরণে।
  • পটাশিয়াম লবণ (যেমন পটাশিয়াম ক্লোরাইড) হিসেবে, রক্তে পটাশিয়াম কমে যাওয়া প্রতিরোধ বা চিকিৎসায়। বমি, ডায়রিয়া বা কিছু প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধে (ডাইইউরেটিক) পটাশিয়াম কমে যেতে পারে।

কীভাবে কাজ করে

স্নায়ু, মাংসপেশি ও হৃৎপিণ্ডের স্বাভাবিক কাজের জন্য পটাশিয়াম দরকার, আর এটি শরীরে পানির সঠিক ভারসাম্য রাখতে সাহায্য করে। সাপ্লিমেন্ট হারিয়ে যাওয়া বা ঘাটতি থাকা পটাশিয়াম পূরণ করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • মাল্টিভিটামিন ও মিনারেল পণ্য: লেবেল বা ডাক্তারের পরামর্শমতো, সাধারণত দিনে ১টি ট্যাবলেট খাবারের পরে।
  • পটাশিয়াম কমে গেলে সাপ্লিমেন্ট: মাত্রা রক্ত পরীক্ষার ফলের ওপর নির্ভর করে এবং শুধু ডাক্তারের নির্দেশমতো খেতে হবে। ট্যাবলেট না ভেঙে বসে বা দাঁড়িয়ে প্রচুর পানি দিয়ে, খাবারের সাথে বা পরে গিলে খান। সিরাপ বা পাউডার পানিতে পুরোপুরি মিশিয়ে খান।
  • ইনজেকশন শুধু হাসপাতালে ডাক্তার বা নার্স দেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

কিছু ঔষধ রক্তে পটাশিয়াম বাড়ায়, তাদের সাথে পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে: এসিই ইনহিবিটর (যেমন এনালাপ্রিল ও র‍্যামিপ্রিল), অ্যানজিওটেনসিন রিসেপ্টর ব্লকার (যেমন লোসারটান), পটাশিয়াম ধরে রাখা ডাইইউরেটিক (যেমন স্পাইরোনোল্যাকটোন ও অ্যামিলোরাইড), ট্রাইমেথোপ্রিম, সাইক্লোস্পোরিন, ট্যাক্রোলিমাস এবং আইবুপ্রোফেনের মতো ব্যথানাশক। এসব ঔষধের সাথে যেকোনো পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাওয়ার আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন। মাল্টিভিটামিনের অল্প পরিমাণে সাধারণত সমস্যা হয় না।

কারা খাবেন না

  • রক্তে পটাশিয়াম বেশি থাকলে (হাইপারক্যালেমিয়া)।
  • কিডনির গুরুতর রোগ, চিকিৎসা না করা অ্যাডিসন রোগ বা তীব্র পানিশূন্যতা থাকলে (পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্টের ক্ষেত্রে)।
  • ঔষধের কোনো উপাদানে অ্যালার্জি থাকলে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্টে বমিভাব, বমি, পেটে অস্বস্তি, ডায়রিয়া ও গ্যাস হতে পারে। ঠিকভাবে না গিললে ট্যাবলেট খাদ্যনালি বা পাকস্থলীতে জ্বালা করতে পারে।

দ্রুত চিকিৎসা নিন যদি মাংসপেশি দুর্বল লাগে, অবশ বা ঝিনঝিন ভাব হয়, বিভ্রান্তি দেখা দেয়, হৃৎস্পন্দন ধীর বা অনিয়মিত হয়, কালো পায়খানা, রক্তবমি, পেটে তীব্র ব্যথা বা গিলতে কষ্ট হয়।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

মাল্টিভিটামিন ও স্বাভাবিক খাবারে থাকা পরিমাণ গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় নিরাপদ। পটাশিয়াম কমে গেলে ডাক্তারের পরামর্শে সাপ্লিমেন্ট খাওয়া যায়।

সতর্কতা

  • কিডনির রোগ, হৃদরোগ বা ডায়াবেটিস থাকলে, অথবা পটাশিয়ামের ওপর প্রভাব ফেলে এমন ঔষধ খেলে, ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট খাবেন না।
  • পটাশিয়াম কমে যাওয়ার চিকিৎসার সময় নিয়মিত রক্ত পরীক্ষা দরকার।
  • ডাক্তার অনুমতি না দিলে লবণের বিকল্প (সল্ট সাবস্টিটিউট) এড়িয়ে চলুন, কারণ এতে প্রায়ই পটাশিয়াম থাকে।
  • পটাশিয়ামযুক্ত একাধিক পণ্য একসাথে খাবেন না।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

বেশি পটাশিয়াম রক্তে বিপজ্জনক মাত্রায় বেড়ে দুর্বলতা, অনিয়মিত হৃৎস্পন্দন এমনকি হৃৎস্পন্দন বন্ধ হয়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে, বিশেষ করে কিডনির সমস্যা থাকলে। বেশি খেয়ে ফেললে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

খনিজ ও ইলেকট্রোলাইট।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Pottassium যুক্ত কম্বিনেশন ঔষধ

95 টি ব্র্যান্ড

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।