বেটাআমরা নিয়মিত ঔষধের তালিকা হালনাগাদ করছি, তাই কিছু MRP এই মুহূর্তে সঠিক নাও হতে পারে।

ঔষধের ব্র্যান্ড

HexPark

Trihexyphenidyl Hydrochloride

  • প্রস্তুতকারক Renata PLC
  • বাংলাদেশে বিক্রি হয়
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ২টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Trihexyphenidyl Hydrochloride 2 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই
Trihexyphenidyl Hydrochloride 5 mgট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

ঔষধটি সম্পর্কে

Trihexyphenidyl Hydrochloride

ব্যবহার

ট্রাইহেক্সিফেনিডিল পার্কিনসন্স রোগের চিকিৎসায় ব্যবহার হয়, বিশেষ করে কাঁপুনি ও শক্ত হয়ে যাওয়ায়, একা বা লেভোডোপার সাথে। কিছু ঔষধের, মূলত অ্যান্টিসাইকোটিকের, কারণে হওয়া নড়াচড়ার সমস্যা, যেমন মাংসপেশি শক্ত হওয়া, কাঁপুনি ও অস্বাভাবিক খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণেও এটি দেওয়া হয়।

কীভাবে কাজ করে

পার্কিনসন্স রোগে এবং কিছু ঔষধের কারণে মস্তিষ্কের ডোপামিন ও অ্যাসিটাইলকোলিনের ভারসাম্য নষ্ট হয়। ট্রাইহেক্সিফেনিডিল একটি অ্যান্টিকোলিনার্জিক ঔষধ: এটি মস্তিষ্কে অ্যাসিটাইলকোলিনকে বাধা দিয়ে ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে, ফলে কাঁপুনি ও শক্ত ভাব কমে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত দিনে ১ mg দিয়ে শুরু, তারপর ডাক্তার কয়েক দিন পরপর প্রায় ২ mg করে ধীরে ধীরে বাড়ান।
  • পার্কিনসন্স রোগ: সাধারণ রক্ষণাবেক্ষণ মাত্রা দিনে ৬ থেকে ১০ mg, তিন বা চার ভাগে খাবারের সাথে, ডাক্তারের নির্দেশমতো।
  • ঔষধজনিত নড়াচড়ার সমস্যা: ডাক্তার মাত্রা ঠিক করেন, সাধারণত দিনে ৫ থেকে ১৫ mg কয়েক ভাগে।
  • বয়স্কদের সাধারণত কম মাত্রা লাগে।
  • হঠাৎ বন্ধ করবেন না; ডাক্তার ধীরে ধীরে মাত্রা কমাবেন।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • অ্যামিট্রিপটিলিন, ক্লোরপ্রোমাজিন, ক্লোরফেনিরামিন ও অক্সিবিউটিনিনের মতো অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাবযুক্ত ঔষধ মুখ শুকানো, কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রস্রাব আটকে যাওয়া ও বিভ্রান্তির মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়ায়।
  • মদ ও শান্তকারী ঔষধ ঘুম ঘুম ভাব বাড়ায়।
  • পাকস্থলীতে মেটোক্লোপ্রামাইড ও ডমপেরিডনের কাজ কমাতে পারে।
  • একসাথে খেলে লেভোডোপার মাত্রা বদলাতে হতে পারে।

কারা খাবেন না

  • ট্রাইহেক্সিফেনিডিলে এলার্জি থাকলে।
  • ন্যারো-অ্যাঙ্গেল (ক্লোজড-অ্যাঙ্গেল) গ্লুকোমা থাকলে।
  • মায়াস্থেনিয়া গ্রাভিস থাকলে।
  • অন্ত্র আটকে গেলে বা অন্ত্র অচল হলে।
  • প্রোস্টেট বড় হওয়ায় প্রস্রাবে কষ্ট হলে।
  • টার্ডিভ ডিসকিনেশিয়া (দেরিতে শুরু হওয়া অনিচ্ছাকৃত নড়াচড়া) থাকলে, কারণ এটি তা বাড়াতে পারে।

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

সাধারণ: মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঝাপসা দেখা, কোষ্ঠকাঠিন্য, প্রস্রাবে কষ্ট, মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব, অস্থিরতা ও হৃৎস্পন্দন দ্রুত হওয়া।

জরুরি চিকিৎসা নিন যদি: বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন (মিথ্যা কিছু দেখা বা শোনা) বা অস্থিরতা হয়; প্রস্রাব একেবারে আটকে যায়; চোখে তীব্র ব্যথার সাথে ঝাপসা দেখা বা আলোর চারপাশে বলয় দেখা; হৃৎস্পন্দন খুব দ্রুত বা অনিয়মিত হয়; গরমে শরীরের তাপমাত্রা অনেক বেড়ে যায় (এটি ঘাম কমায়); অথবা মুখ ফুলে যাওয়া বা শ্বাসকষ্টের মতো এলার্জির লক্ষণ দেখা দেয়।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় এর নিরাপত্তা ভালোভাবে জানা নেই; ডাক্তার প্রয়োজন মনে করলেই ব্যবহার করুন। এটি বুকের দুধ কমাতে পারে এবং দুধে যেতে পারে, তাই বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ব্যবহারের আগে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করুন।

সতর্কতা

  • বয়স্কদের বিভ্রান্তি, ভুলে যাওয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সম্ভাবনা বেশি।
  • গরমে শরীর অতিরিক্ত গরম হওয়া ও ভারী ব্যায়াম এড়িয়ে চলুন এবং যথেষ্ট পানি পান করুন।
  • হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, লিভার বা কিডনির রোগ ও প্রোস্টেটের সমস্যায় সাবধানে ব্যবহার করুন; চোখের চাপ পরীক্ষা করা হতে পারে।
  • ঘুম ঘুম ভাব বা ঝাপসা দেখা হলে গাড়ি চালাবেন না।
  • মেজাজের উপর প্রভাবের কারণে এর অপব্যবহার হতে পারে; শুধু প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী খান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

মাত্রাতিরিক্ত সেবনে ত্বক শুকনো, গরম ও লাল হয়ে যায়, চোখের মণি বড় হয়, হৃৎস্পন্দন দ্রুত হয়, জ্বর, অস্থিরতা, বিভ্রান্তি, হ্যালুসিনেশন এবং কখনও খিঁচুনি হয়। এটি জরুরি অবস্থা: সাথে সাথে চিকিৎসা নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

অ্যান্টিকোলিনার্জিক অ্যান্টিপার্কিনসোনিয়ান ঔষধ।

সংরক্ষণ

30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Trihexyphenidyl Hydrochloride এর সব ব্র্যান্ড

Trihexyphenidyl Hydrochloride এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

বিকল্প ব্র্যান্ড

একই ঔষধ, একই মাত্রা ও ধরনের অন্য ব্র্যান্ড, কম দাম আগে। ব্র্যান্ড বদলানোর আগে ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ নিন।

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।