ঔষধের ব্র্যান্ড

Kenacol

Triamcinolone Acetonide

  • প্রস্তুতকারক Skylab Ltd.
  • DGDA তে নিবন্ধিত
  • প্রেসক্রিপশন লাগবে
  • ১টি মাত্রা ও ধরন
  • ট্যাবলেট

মাত্রা, প্যাক ও দাম

দামগুলো DGDA প্রকাশিত সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য (MRP); ট্যাবলেট ও ক্যাপসুলের দাম স্ট্রিপ হিসেবে দেখানো হয়েছে। যেখানে DGDA দাম প্রকাশ করেনি, সেখানে বাজার দর দেখানো হয়েছে।

মাত্রাধরনপ্যাকদাম (MRP)
Triamcinolone Acetonide 4 mgDGDA 198-0056-072ট্যাবলেটদাম শীঘ্রই

দাম সর্বশেষ যাচাই: ১১

ঔষধটি সম্পর্কে

Triamcinolone Acetonide

ব্যবহার

ট্রায়ামসিনোলোন অ্যাসিটোনাইড একটি স্টেরয়েড, যা কয়েক রূপে ব্যবহার হয়:

  • জয়েন্ট বা নরম টিস্যুতে ইনজেকশন: আর্থ্রাইটিস, বারসাইটিস ও টেন্ডনের প্রদাহে ব্যথাযুক্ত, ফোলা জয়েন্ট
  • মাংসপেশিতে ইনজেকশন: মারাত্মক এলার্জি, হাঁপানি, চর্মরোগ ও অন্যান্য প্রদাহজনিত রোগ, যখন ট্যাবলেট উপযুক্ত নয়
  • ত্বকের ভেতরে ইনজেকশন: কেলয়েড দাগ, ছোপ ছোপ চুল পড়া (অ্যালোপেসিয়া এরিয়াটা) ও কিছু পুরু চর্মরোগ
  • ক্রিম বা মলম: একজিমা, ডার্মাটাইটিস ও সোরিয়াসিস
  • মুখের পেস্ট: মুখের ঘা
  • নাকের স্প্রে: এলার্জিজনিত সর্দি

কীভাবে কাজ করে

ট্রায়ামসিনোলোন একটি দীর্ঘমেয়াদি কর্টিকোস্টেরয়েড। যেখানে লাগানো বা ইনজেকশন দেওয়া হয়, সেখানে এটি অতি সক্রিয় রোগপ্রতিরোধ প্রতিক্রিয়া শান্ত করে এবং প্রদাহ, ফোলা, লালভাব ও চুলকানি কমায়।

মাত্রা ও সেবনবিধি

  • ইনজেকশন: ডাক্তার বা নার্স দেন, ডাক্তারের নির্দেশমতো। মাংসপেশির ইনজেকশন কয়েক সপ্তাহ পরপর দেওয়া হয়, আর জয়েন্টের ইনজেকশন ঘনঘন দেওয়া হয় না।
  • ক্রিম বা মলম: আক্রান্ত ত্বকে দিনে ২ বা ৩ বার পাতলা করে লাগান, যত কম সময় সম্ভব।
  • মুখের পেস্ট: ঘষে না দিয়ে ঘায়ের ওপর অল্প পরিমাণ আলতো করে লাগান, সাধারণত রাতে ঘুমানোর আগে এবং প্রয়োজনে খাবারের পর দিনে ২ বা ৩ বার। প্রায় এক সপ্তাহে ঘা না সারলে ডাক্তার দেখান।
  • নাকের স্প্রে: লেবেলে লেখা বা পরামর্শ অনুযায়ী।

অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া

  • কিটোকোনাজল, ইট্রাকোনাজল, ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ও রিটোনাভির স্টেরয়েডের মাত্রা ও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়াতে পারে।
  • আইবুপ্রোফেন ও অ্যাসপিরিনের মতো ব্যথানাশক ইনজেকশনের স্টেরয়েডের সাথে পাকস্থলীর ঘায়ের ঝুঁকি বাড়ায়।
  • এটি রক্তে শর্করা বাড়াতে পারে, তাই ডায়াবেটিসের ঔষধের মাত্রা বদলাতে হতে পারে।
  • প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ (ডাইইউরেটিক) পটাশিয়াম কমার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
  • বেশি মাত্রার ইনজেকশনের পর ডাক্তারের অনুমতি ছাড়া জীবন্ত টিকা নেবেন না।

কারা খাবেন না

  • ট্রায়ামসিনোলোন বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে
  • ইনজেকশন: চিকিৎসা না করা গুরুতর সংক্রমণ, অথবা ইনজেকশনের জায়গায় জয়েন্ট বা ত্বকে সংক্রমণ থাকলে; এটি কখনও শিরায় দেওয়া যাবে না
  • ক্রিম: চিকিৎসা না করা ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক বা ভাইরাসজনিত চর্মরোগ, যেমন ঠোঁটের জ্বরঠোসা, জলবসন্ত বা দাদ, এবং ব্রণ বা রোজেশিয়া
  • মুখের পেস্ট: মুখ বা গলায় ছত্রাক, ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ থাকলে

পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

ইনজেকশন: ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা, ত্বক পাতলা হয়ে যাওয়া, গর্ত হয়ে যাওয়া বা রং হালকা হওয়া, মুখ লাল হওয়া, অল্প সময়ের জন্য জয়েন্টের ব্যথা বাড়া, রক্তে শর্করা বাড়া, ঘুমের সমস্যা, মেজাজের পরিবর্তন ও মাসিকের পরিবর্তন। বারবার বা দীর্ঘদিন ব্যবহারে ওজন বাড়া, হাড় দুর্বল হওয়া ও চোখের সমস্যা হতে পারে। ক্রিম: দীর্ঘদিন ব্যবহারে ত্বক পাতলা হওয়া, ফাটা দাগ ও ছোট রক্তনালি দেখা যাওয়া।

মুখ, ঠোঁট বা গলা ফুলে গেলে, শ্বাস নিতে কষ্ট হলে, ইনজেকশনের পর জয়েন্ট গরম, লাল ও খুব ব্যথা হলে বা জ্বর এলে, পেটে তীব্র ব্যথা বা কালো পায়খানা হলে, হঠাৎ দৃষ্টির পরিবর্তন হলে, অথবা মেজাজের মারাত্মক পরিবর্তন হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো

গর্ভাবস্থায় ইনজেকশন শুধু তখনই দেওয়া হয় যখন ডাক্তার প্রয়োজন মনে করেন। অল্প জায়গায় অল্প সময়ের জন্য ক্রিম সাধারণত গ্রহণযোগ্য। অল্প পরিমাণ বুকের দুধে যেতে পারে; বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় ইনজেকশনের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ নিন, এবং স্তনে ক্রিম লাগাবেন না।

সতর্কতা

  • ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, পাকস্থলীর ঘা, দুর্বল হাড়, গ্লুকোমা, যক্ষ্মা বা বর্তমানে কোনো সংক্রমণ থাকলে ডাক্তারকে জানান।
  • ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া মুখে, ব্যান্ডেজের নিচে বা বড় জায়গায় দীর্ঘদিন ক্রিম ব্যবহার করবেন না।
  • শিশুদের শুধু ডাক্তারের নির্দেশমতো ব্যবহার করুন, কারণ বৃদ্ধিতে প্রভাব পড়তে পারে।
  • বেশি মাত্রার পর আগে না হয়ে থাকলে জলবসন্ত বা হামের রোগীর সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন; সংস্পর্শে এলে ডাক্তার দেখান।

মাত্রাতিরিক্ত সেবন

ক্রিম, পেস্ট বা ইনজেকশন একবার বেশি হলে সাধারণত গুরুতর ক্ষতি হয় না। দীর্ঘদিন বেশি ব্যবহার করলে রক্তে শর্করা ও রক্তচাপ বাড়া, ফোলা ও দুর্বলতার মতো স্টেরয়েডের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে এবং শরীরের নিজস্ব স্টেরয়েড তৈরি কমে যেতে পারে। ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

থেরাপিউটিক শ্রেণি

কর্টিকোস্টেরয়েড (গ্লুকোকর্টিকয়েড)।

সংরক্ষণ

৩০°C এর নিচে, শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে এবং শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন। ইনজেকশন ফ্রিজে জমাবেন না।

ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।

Triamcinolone Acetonide এর সব ব্র্যান্ড

Triamcinolone Acetonide এর অন্য ব্র্যান্ড

অন্য কোম্পানির একই জেনেরিক। ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শ ছাড়া ব্র্যান্ড বদলাবেন না।

সব দেখুন

নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।