ব্যবহার
পাইরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬) ভিটামিন বি৬ এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। অপুষ্টি, মদ্যপান ও আইসোনায়াজিডের মতো কিছু ঔষধে এই ঘাটতি হতে পারে। যক্ষ্মার জন্য আইসোনায়াজিড খাওয়ার সময় স্নায়ুর সমস্যা প্রতিরোধে এটি দেওয়া হয়, আর গর্ভাবস্থার বমি বমি ভাবে ডাক্তার এটি দিতে পারেন। বি-কমপ্লেক্স ও মাল্টিভিটামিনে এটি প্রায়ই থাকে।
কীভাবে কাজ করে
ভিটামিন বি৬ প্রোটিন ভাঙতে, লোহিত কণিকা তৈরিতে এবং স্নায়ু ও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজে সাহায্য করে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্তবয়স্ক, ঘাটতি: সাধারণত দিনে ১০ থেকে ৫০ mg, বা ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী। আইসোনায়াজিডের সাথে: সাধারণত দিনে ১০ থেকে ২৫ mg। গর্ভাবস্থার বমিভাবে: শুধু ডাক্তারের পরামর্শে। খাবারের আগে বা পরে খাওয়া যায়।
অন্য ঔষধের সাথে প্রতিক্রিয়া
বেশি মাত্রায় খেলে কার্বিডোপা ছাড়া লেভোডোপার কাজ কমাতে পারে, এবং ফেনিটোইন ও ফেনোবার্বিটালের মাত্রা কমাতে পারে। আইসোনায়াজিড, পেনিসিলামিন ও হাইড্রালাজিন শরীরে ভিটামিন বি৬ এর চাহিদা বাড়ায়।
কারা খাবেন না
পাইরিডক্সিন বা ঔষধের কোনো উপাদানে এলার্জি থাকলে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
সাধারণত ভালোভাবে সহ্য হয়। কখনও বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা বা ঘুম ঘুম ভাব। মাসের পর মাস খুব বেশি মাত্রায় (দিনে প্রায় ২০০ mg বা বেশি) খেলে স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে, যেমন অবশ ভাব, ঝিমঝিম ও টলমল হাঁটা; সাধারণত বন্ধ করলে ভালো হয়।
গর্ভাবস্থা ও বুকের দুধ খাওয়ানো
সাধারণ পরামর্শকৃত মাত্রায় নিরাপদ। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া বেশি মাত্রা এড়িয়ে চলুন।
সতর্কতা
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া দীর্ঘদিন বেশি মাত্রায় খাবেন না। হাত-পা অবশ বা ঝিমঝিম করলে খাওয়া বন্ধ করে ডাক্তার দেখান।
মাত্রাতিরিক্ত সেবন
একবারে বেশি খেলে গুরুতর ক্ষতির সম্ভাবনা কম। দীর্ঘদিন বেশি মাত্রায় স্নায়ুর ক্ষতি হতে পারে; খাওয়া বন্ধ করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
থেরাপিউটিক শ্রেণি
ভিটামিন বি (পানিতে দ্রবণীয় ভিটামিন)।
সংরক্ষণ
30°C এর নিচে শুকনো জায়গায়, আলো থেকে দূরে ও শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
ঔষধ আলো টিম প্রচলিত ঔষধ তথ্যসূত্র থেকে তৈরি করেছে। শুধু তথ্যের জন্য; সবসময় আপনার ডাক্তারের পরামর্শ মেনে চলুন।