ব্যবহারঅ্যাসকরবিক অ্যাসিড হলো ভিটামিন সি এর রাসায়নিক নাম। এটি যেসব কাজে ব্যবহার হয়:ভিটামিন সি এর ঘাটতি ও স্কার্ভি (মাড়ি থেকে রক্ত পড়া, সহজে কালশিটে পড়া, ক্লান্তি ও ক্ষত দেরিতে শুকানো) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়।সংক্রমণ, অপারেশন, পোড়া বা আঘাতের পর…
ব্যবহারফলিক অ্যাসিড (ভিটামিন বি৯) যেসব কাজে ব্যবহার হয়:গর্ভধারণের আগে ও গর্ভাবস্থার শুরুতে খেলে শিশুর মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের গুরুতর জন্মগত ত্রুটি (নিউরাল টিউব ত্রুটি) প্রতিরোধে।ফোলেটের ঘাটতিজনিত রক্তস্বল্পতা (মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া) প্রতিরোধ ও চিকিৎসায়।গর্ভাবস্থা, বুকের দুধ খাওয়ানো, রক্তের কিছু রোগ ও…
ব্যবহারআয়রন বা লৌহ শরীরে আয়রনের ঘাটতি এবং আয়রনের অভাবজনিত রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। মাসিকে বেশি রক্তপাত, গর্ভাবস্থা, অপুষ্টি, রক্তক্ষরণ ও কৃমি এর সাধারণ কারণ। প্রায়ই ফলিক অ্যাসিডের সাথে একসাথে দেওয়া হয়, বিশেষ করে গর্ভাবস্থায়। কীভাবে কাজ…
ব্যবহারনিকোটিনামাইড (নায়াসিনামাইড নামেও পরিচিত, ভিটামিন বি৩ এর একটি রূপ) ভিটামিন বি৩ এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। এর মধ্যে আছে পেলাগ্রা, যাতে রোদে থাকা ত্বকে খসখসে র্যাশ, পাতলা পায়খানা ও বিভ্রান্তি দেখা দেয়। বি-কমপ্লেক্স ও মাল্টিভিটামিনে এটি…
ব্যবহারপাইরিডক্সিন (ভিটামিন বি৬) ভিটামিন বি৬ এর ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। অপুষ্টি, মদ্যপান ও আইসোনায়াজিডের মতো কিছু ঔষধে এই ঘাটতি হতে পারে। যক্ষ্মার জন্য আইসোনায়াজিড খাওয়ার সময় স্নায়ুর সমস্যা প্রতিরোধে এটি দেওয়া হয়, আর গর্ভাবস্থার বমি বমি…
ব্যবহাররিবোফ্লেভিন (ভিটামিন বি২) রিবোফ্লেভিনের ঘাটতি প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। এই ঘাটতিতে ঠোঁটের কোণে ফাটা ও ঘা, লাল ও ব্যথাযুক্ত জিহ্বা, ঠোঁটে ব্যথা এবং চোখে জ্বালা হতে পারে। অপুষ্টি, অতিরিক্ত মদ্যপান ও কিছু দীর্ঘমেয়াদি রোগে ঘাটতির সম্ভাবনা বেশি।…
ব্যবহারথায়ামিন (ভিটামিন B1) ভিটামিন B1 এর ঘাটতি, বেরিবেরি এবং এর ফলে স্নায়ু ও মস্তিষ্কের সমস্যা প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। অতিরিক্ত মদ্যপান, অপুষ্টি, দীর্ঘদিন বমি, ওজন কমানোর অপারেশনের পর বা ডায়ালাইসিসে থাকা মানুষদের এটি দেওয়া হয়। তীব্র ঘাটতিজনিত…
ব্যবহারজিংক সালফেট খাবার স্যালাইনের (ORS) সাথে শিশুদের তীব্র ডায়রিয়ার চিকিৎসায় ব্যবহার হয়। এতে অসুখের সময় কমে এবং পরের কয়েক মাসে আবার ডায়রিয়া হওয়ার সম্ভাবনা কমে। অপুষ্টি, দীর্ঘদিনের ডায়রিয়া, কিছু অন্ত্রের রোগ ও কিছু ঔষধের কারণে হওয়া জিংকের ঘাটতি…
নিবন্ধন ও দামের তথ্য ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের (DGDA) পাবলিক রেজিস্টার থেকে নেওয়া। এই পাতা শুধু তথ্যের জন্য; আপনার ডাক্তার বা ফার্মাসিস্টের পরামর্শের বিকল্প নয়।